০১:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬
বিলাসিতা ছেড়ে শিল্পায়নের পথে ড্যাংগোটে, আফ্রিকাজুড়ে শিল্প বিপ্লবের স্বপ্ন তামিলনাড়ুতে মানজুভিরাট্টুতে তাণ্ডব, বলদের গুঁতোয় নিহত ৩ দর্শক আমেরিকার ইরান আক্রমণের উদ্দেশ্য কি “ইসলামিক রিপাবলিক ২.০- না অন্যকিছু” চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদে পশ্চিমবঙ্গে বিক্ষোভ, বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ ‘নো রেজিম চেঞ্জ’ থেকে সরকার পতনের ডাক: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের নাটকীয় অবস্থান বদল বছরের সর্বোচ্চ ধস: ডিএসই-সিএসইতে সূচকের বড় পতন, অধিকাংশ শেয়ারে দরপতন মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে ৪ দিনে ঢাকা-চট্টগ্রামে ১৮২ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রী ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত কীভাবে নিলেন ট্রাম্প, খামেনি হত্যার ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পেছনের গল্প ১৬ মাসের সর্বোচ্চে পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতি, ফেব্রুয়ারিতে ৭% স্পর্শ করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটে হামলা, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইউএস মেরিনস: কর্মকর্তা

অহিংসায় অবনত মস্তক

  • Sarakhon Report
  • ১২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
  • 128

নিয়ান্ডারথালদের সভ্যতা হোমো সেপিয়ান্সের আগে বলেই ধরা হয়। সেই বরফ যুগের আগে নিয়ান্ডারথাল রমনী গাছ থেকে ফুল হাতে নিয়েছিলো। কাঁটা নেয়নি। তাই সুন্দর বা হিংসাহীন আনন্দিত হবার শুরুটা যে কবে তার সঠিক হিসাব পৃথিবী জানে না।

এরপরে সভ্যতার ক্রম বিকাশে কাঁটার বিপরীতে ফুল, অসুন্দরের বিপরীতে সুন্দর আর হিংসার বিপরীতে অহিংসা- এই যাত্রা পাশাপাশিই চলছে। বাস্তবে এ সভ্যতার এক গোপন ও নীরব ফল্গুধারা।

তবে মাঝে মাঝে দেখা যায়, এমন কেউ কেউ এসে যায় সভ্যতার এই পথে- যার মনের ভেতর থাকে একটা বিশাল বাহু। মনের সেই বাহুর শক্তি দিয়ে  পাথরের পাহাড় থেকে নদীকে টেনে এনে করে দেয় স্রোতিস্মীনি। আর সে নদী তখন অহিংসার স্রোতটি অনেকটা ভূমিতে প্লাবিত শুধু করে না, সেখানে নতুন নতুন ফুলও ফোঁটায়।

এমনি এক মনের বাহু’র শক্তি গৌতম বুদ্ধ বা সিদ্ধার্থ। যিনি ভারতীয় সভ্যতায় অহিংসার বা সুন্দরের নদীকে এমন স্রোতস্মীনি করেছিলেন যে তার প্লাবন বয়ে যায় গোটা এশিয়ার ভূখন্ড জুড়ে,- গঙ্গা আর মেকং বা মা-গঙ্গায় একই জলধারা প্রবাহিত হয়।

এই জলধারার ওপর যখন রক্তের বা কাঁটার ছাপ আসে তখন ধরে নিতে হয় সিদ্ধার্থ যে সিদ্ধি লাভ করেছিলো তা থেকে এ ভূমির মানুষ সরে যাচ্ছে।

তবে তারপরেও হতাশ হয় না সভ্যতা। কারণ যে স্রোত ফুল ফোটাঁয়, তাকে মরুপথে ঠেলে দেয়া যায় তবে সে মরু চিরকালের নয়। চিরকালের থাকে সিদ্ধি বা জ্ঞান যার প্রতিশব্দ বুদ্ধ। যেখানে শান্তি ও অহিংসায় অবনত সকল মস্তক।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলাসিতা ছেড়ে শিল্পায়নের পথে ড্যাংগোটে, আফ্রিকাজুড়ে শিল্প বিপ্লবের স্বপ্ন

অহিংসায় অবনত মস্তক

১২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

নিয়ান্ডারথালদের সভ্যতা হোমো সেপিয়ান্সের আগে বলেই ধরা হয়। সেই বরফ যুগের আগে নিয়ান্ডারথাল রমনী গাছ থেকে ফুল হাতে নিয়েছিলো। কাঁটা নেয়নি। তাই সুন্দর বা হিংসাহীন আনন্দিত হবার শুরুটা যে কবে তার সঠিক হিসাব পৃথিবী জানে না।

এরপরে সভ্যতার ক্রম বিকাশে কাঁটার বিপরীতে ফুল, অসুন্দরের বিপরীতে সুন্দর আর হিংসার বিপরীতে অহিংসা- এই যাত্রা পাশাপাশিই চলছে। বাস্তবে এ সভ্যতার এক গোপন ও নীরব ফল্গুধারা।

তবে মাঝে মাঝে দেখা যায়, এমন কেউ কেউ এসে যায় সভ্যতার এই পথে- যার মনের ভেতর থাকে একটা বিশাল বাহু। মনের সেই বাহুর শক্তি দিয়ে  পাথরের পাহাড় থেকে নদীকে টেনে এনে করে দেয় স্রোতিস্মীনি। আর সে নদী তখন অহিংসার স্রোতটি অনেকটা ভূমিতে প্লাবিত শুধু করে না, সেখানে নতুন নতুন ফুলও ফোঁটায়।

এমনি এক মনের বাহু’র শক্তি গৌতম বুদ্ধ বা সিদ্ধার্থ। যিনি ভারতীয় সভ্যতায় অহিংসার বা সুন্দরের নদীকে এমন স্রোতস্মীনি করেছিলেন যে তার প্লাবন বয়ে যায় গোটা এশিয়ার ভূখন্ড জুড়ে,- গঙ্গা আর মেকং বা মা-গঙ্গায় একই জলধারা প্রবাহিত হয়।

এই জলধারার ওপর যখন রক্তের বা কাঁটার ছাপ আসে তখন ধরে নিতে হয় সিদ্ধার্থ যে সিদ্ধি লাভ করেছিলো তা থেকে এ ভূমির মানুষ সরে যাচ্ছে।

তবে তারপরেও হতাশ হয় না সভ্যতা। কারণ যে স্রোত ফুল ফোটাঁয়, তাকে মরুপথে ঠেলে দেয়া যায় তবে সে মরু চিরকালের নয়। চিরকালের থাকে সিদ্ধি বা জ্ঞান যার প্রতিশব্দ বুদ্ধ। যেখানে শান্তি ও অহিংসায় অবনত সকল মস্তক।