০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
গাজীপুরে ১,৮০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধ, স্থায়ীভাবে তালাবদ্ধ ইউনিক ডিজাইনার্স ও ইউনিক ওয়াশিং ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ গাজায় শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘গণহত্যা’ অব্যাহত থাকার দাবি এআই নির্মিত সিনেমায় নেই আত্মা, বললেন টনি লিউং নেপথ্য কারণ অজানা, একযোগে পদত্যাগ ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের গ্রীষ্মকালীন দাভোসে চীনের বার্তা: উদ্ভাবনের শক্তি ছড়িয়ে দিতে চায় বিশ্বজুড়ে ভারত-ইসরায়েল প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদারে নতুন আলোচনা কাতারের গ্যাস প্ল্যান্টে নিহত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনই ভারতীয় নাটকীয় মুহূর্তে আলোচিত বুর্গেনস্টক সম্মেলন: ভ্যান্স, মুনির ও আরাঘচিকে ঘিরে পাঁচ আলোচিত ঘটনা লখনউয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ জনের মৃত্যু, অধিকাংশই শিক্ষার্থী

অহিংসায় অবনত মস্তক

  • Sarakhon Report
  • ১২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪
  • 165

নিয়ান্ডারথালদের সভ্যতা হোমো সেপিয়ান্সের আগে বলেই ধরা হয়। সেই বরফ যুগের আগে নিয়ান্ডারথাল রমনী গাছ থেকে ফুল হাতে নিয়েছিলো। কাঁটা নেয়নি। তাই সুন্দর বা হিংসাহীন আনন্দিত হবার শুরুটা যে কবে তার সঠিক হিসাব পৃথিবী জানে না।

এরপরে সভ্যতার ক্রম বিকাশে কাঁটার বিপরীতে ফুল, অসুন্দরের বিপরীতে সুন্দর আর হিংসার বিপরীতে অহিংসা- এই যাত্রা পাশাপাশিই চলছে। বাস্তবে এ সভ্যতার এক গোপন ও নীরব ফল্গুধারা।

তবে মাঝে মাঝে দেখা যায়, এমন কেউ কেউ এসে যায় সভ্যতার এই পথে- যার মনের ভেতর থাকে একটা বিশাল বাহু। মনের সেই বাহুর শক্তি দিয়ে  পাথরের পাহাড় থেকে নদীকে টেনে এনে করে দেয় স্রোতিস্মীনি। আর সে নদী তখন অহিংসার স্রোতটি অনেকটা ভূমিতে প্লাবিত শুধু করে না, সেখানে নতুন নতুন ফুলও ফোঁটায়।

এমনি এক মনের বাহু’র শক্তি গৌতম বুদ্ধ বা সিদ্ধার্থ। যিনি ভারতীয় সভ্যতায় অহিংসার বা সুন্দরের নদীকে এমন স্রোতস্মীনি করেছিলেন যে তার প্লাবন বয়ে যায় গোটা এশিয়ার ভূখন্ড জুড়ে,- গঙ্গা আর মেকং বা মা-গঙ্গায় একই জলধারা প্রবাহিত হয়।

এই জলধারার ওপর যখন রক্তের বা কাঁটার ছাপ আসে তখন ধরে নিতে হয় সিদ্ধার্থ যে সিদ্ধি লাভ করেছিলো তা থেকে এ ভূমির মানুষ সরে যাচ্ছে।

তবে তারপরেও হতাশ হয় না সভ্যতা। কারণ যে স্রোত ফুল ফোটাঁয়, তাকে মরুপথে ঠেলে দেয়া যায় তবে সে মরু চিরকালের নয়। চিরকালের থাকে সিদ্ধি বা জ্ঞান যার প্রতিশব্দ বুদ্ধ। যেখানে শান্তি ও অহিংসায় অবনত সকল মস্তক।

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে ১,৮০০ শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধ, স্থায়ীভাবে তালাবদ্ধ ইউনিক ডিজাইনার্স ও ইউনিক ওয়াশিং

অহিংসায় অবনত মস্তক

১২:০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০২৪

নিয়ান্ডারথালদের সভ্যতা হোমো সেপিয়ান্সের আগে বলেই ধরা হয়। সেই বরফ যুগের আগে নিয়ান্ডারথাল রমনী গাছ থেকে ফুল হাতে নিয়েছিলো। কাঁটা নেয়নি। তাই সুন্দর বা হিংসাহীন আনন্দিত হবার শুরুটা যে কবে তার সঠিক হিসাব পৃথিবী জানে না।

এরপরে সভ্যতার ক্রম বিকাশে কাঁটার বিপরীতে ফুল, অসুন্দরের বিপরীতে সুন্দর আর হিংসার বিপরীতে অহিংসা- এই যাত্রা পাশাপাশিই চলছে। বাস্তবে এ সভ্যতার এক গোপন ও নীরব ফল্গুধারা।

তবে মাঝে মাঝে দেখা যায়, এমন কেউ কেউ এসে যায় সভ্যতার এই পথে- যার মনের ভেতর থাকে একটা বিশাল বাহু। মনের সেই বাহুর শক্তি দিয়ে  পাথরের পাহাড় থেকে নদীকে টেনে এনে করে দেয় স্রোতিস্মীনি। আর সে নদী তখন অহিংসার স্রোতটি অনেকটা ভূমিতে প্লাবিত শুধু করে না, সেখানে নতুন নতুন ফুলও ফোঁটায়।

এমনি এক মনের বাহু’র শক্তি গৌতম বুদ্ধ বা সিদ্ধার্থ। যিনি ভারতীয় সভ্যতায় অহিংসার বা সুন্দরের নদীকে এমন স্রোতস্মীনি করেছিলেন যে তার প্লাবন বয়ে যায় গোটা এশিয়ার ভূখন্ড জুড়ে,- গঙ্গা আর মেকং বা মা-গঙ্গায় একই জলধারা প্রবাহিত হয়।

এই জলধারার ওপর যখন রক্তের বা কাঁটার ছাপ আসে তখন ধরে নিতে হয় সিদ্ধার্থ যে সিদ্ধি লাভ করেছিলো তা থেকে এ ভূমির মানুষ সরে যাচ্ছে।

তবে তারপরেও হতাশ হয় না সভ্যতা। কারণ যে স্রোত ফুল ফোটাঁয়, তাকে মরুপথে ঠেলে দেয়া যায় তবে সে মরু চিরকালের নয়। চিরকালের থাকে সিদ্ধি বা জ্ঞান যার প্রতিশব্দ বুদ্ধ। যেখানে শান্তি ও অহিংসায় অবনত সকল মস্তক।