বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সহজ ও মানসম্মত ভিসা সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছে ঢাকায় চীনা দূতাবাস। একই সঙ্গে ভিসা আবেদনকারীদের প্রতারণা ও ভুয়া দালালচক্র থেকে সতর্ক থাকার কড়া আহ্বানও জানানো হয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস জানায়, কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে তারা একক বা বিশেষ ভিসা এজেন্সি হিসেবে অনুমোদন, মনোনয়ন বা সুপারিশ করেনি। এছাড়া কোনো ভিসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দূতাবাসের আনুষ্ঠানিক অংশীদারত্বও নেই।
দূতাবাসের পরিচয় ব্যবহার করে বাণিজ্যিকভাবে ভিসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ভিসা আবেদন ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ

সম্প্রতি বাংলাদেশে কিছু ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ শনাক্ত করেছে চীনা দূতাবাস। এসব অনিয়মের মধ্যে রয়েছে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি, ফি সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা, চীনা ভিসা পাওয়া কঠিন বলে অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচার, আবেদন প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা, ভুল তথ্য ছড়ানো এবং আবেদনকারীদের প্রতারণা করা।
দূতাবাস বলছে, এসব কর্মকাণ্ড চীনা ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে এবং আবেদনকারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
নতুন নিয়মে আইএটিএ অনুমোদন বাধ্যতামূলক
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় সেবার মান উন্নত করতে নতুন শর্তও ঘোষণা করেছে দূতাবাস। আগামী ৫ জুলাই ২০২৬ থেকে বাংলাদেশে যেসব ট্রাভেল এজেন্সি আবেদনকারীদের পক্ষে চীনা ভিসা আবেদন পরিচালনা করবে, তাদের আন্তর্জাতিক এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন বা আইএটিএর অনুমোদন থাকতে হবে।
তবে কোনো এজেন্সিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট করেছে দূতাবাস। একই সঙ্গে ভিসা যাচাইয়ের মানদণ্ডেও কোনো ধরনের শিথিলতা আনা হবে না।

নিজেই আবেদন করার পরামর্শ
অপেক্ষার সময় কমাতে আবেদনকারীদের নিজ দায়িত্বে পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে চীনা দূতাবাস। এ জন্য ট্রাভেল এজেন্সির ওপর নির্ভর না করে সরাসরি চায়নিজ ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সার্ভিস সেন্টারের সরকারি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে বলা হয়েছে।
দূতাবাস আরও জানায়, কোনো ভিসা এজেন্সির অনিয়ম বা সন্দেহজনক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য থাকলে আবেদনকারীরা যেন দূতাবাসের সরকারি ইমেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















