০১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
কলম্বিয়ার নির্বাচনে মধ্যপন্থার পতন, মুখোমুখি কঠোর ডান ও বাম রাজনীতি এক মাসের অবরোধে বিপর্যস্ত বলিভিয়া, সরকারের ওপর বাড়ছে চাপ ব্রাজিলের ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থায় আস্থার সংকট, নির্বাচনের আগে বাড়ছে বিতর্ক ট্রাম্পের মন্তব্যে বিতর্ক: ‘যুদ্ধপ্রেমী’ প্রতিরক্ষামন্ত্রী কি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক পছন্দ? আকাশছোঁয়া কারাগার গড়ছে নিউইয়র্ক, রাইকার্স আইল্যান্ডের যুগ শেষের পথে বিল পুলটেকে শীর্ষ গোয়েন্দা পদে বসিয়ে কী বার্তা দিলেন ট্রাম্প? ক্যালিফোর্নিয়ার রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়? গভর্নর দৌড়ে এগিয়ে জেভিয়ার বেসেরা মেসির গোলেই বিশ্বকাপের আগে আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্টিনা বিল গেটস–এপস্টেইন সম্পর্ক নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের জিজ্ঞাসাবাদে হাজির বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের সমুদ্রে উদ্ধার অভিযানে নতুন যুগ, মার্কিন বাহিনীর সদস্যদের বাঁচাল চালকবিহীন নৌযান

কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় রপ্তানিতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ: ইন্দোনেশিয়া কি নতুন একচেটিয়া শক্তির পথে?

ডেনি ঘিফারি ও রুথ ডেয়া জুভিতার ভাবনা অবলম্বনে

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর নতুন রপ্তানি নীতি দেশটির অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি করেছে। সরকার এখন কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় রপ্তানিকে ধীরে ধীরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অধীনে আনার পরিকল্পনা করছে। সরকারের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানি খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, আন্ডার ইনভয়েসিং এবং কর ফাঁকির মতো অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব হবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং কৃষক সংগঠনগুলোর একটি বড় অংশ আশঙ্কা করছে, এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নতুন ধরনের একচেটিয়া বাণিজ্যিক শক্তি তৈরি করতে পারে।

সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বহু রপ্তানিকারক আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকৃত মূল্য গোপন করে কম দামে পণ্য দেখায়, যার ফলে রাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। সেই “লিকেজ” বন্ধ করতে সরকার একটি কেন্দ্রীয় রপ্তানি কাঠামো গড়তে চায়। প্রথম ধাপে কয়লা, ক্রুড পাম অয়েল এবং ফেরোঅ্যালয় এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে। পরে আরও কৌশলগত প্রাকৃতিক সম্পদ এতে যুক্ত করা হবে।

এই পরিকল্পনার পেছনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের যুক্তি রয়েছে। প্রাবোও বলছেন, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা ইন্দোনেশিয়ার সাংবিধানিক আদর্শের অংশ। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটির রাজনৈতিক দর্শনে “জাতীয় সম্পদ জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে”—এই ধারণা গুরুত্বপূর্ণ। সেই অবস্থান থেকেই সরকার এখন রপ্তানি বাণিজ্যে আরও শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় উপস্থিতি চাইছে।

কিন্তু বাস্তব প্রশ্ন হলো, রপ্তানি কি শুধু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব?

বিশ্ববাজারে কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় বাণিজ্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং জটিল। এখানে শুধু পণ্য বিক্রি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক চুক্তি, জাহাজীকরণ, বীমা, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি, সরবরাহ সময়সূচি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যদি পুরো প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নেয়, তাহলে সেটি কতটা দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যায়।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ওই রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশীয় উৎপাদকদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য কিনবে এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করবে। অর্থাৎ বাজারের ঝুঁকি, মূল্য ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চাপও তখন রাষ্ট্রের কাঁধে চলে আসবে। যদি প্রতিষ্ঠানটি পর্যাপ্ত দক্ষ না হয়, তাহলে রপ্তানি প্রক্রিয়া ধীর হতে পারে, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমতে পারে এবং পুরো সরবরাহব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

Indonesia takes control of 'strategic' exports with new body - Nikkei Asia

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা। সরকার যে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায়, একই কেন্দ্রীভূত কাঠামো আবার নতুন ধরনের দুর্নীতির সুযোগও তৈরি করতে পারে। যখন একটি মাত্র সংস্থা মূল্য নির্ধারণ, রপ্তানির সময়সূচি এবং ক্রেতা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করবে, তখন রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক সুবিধা বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

পাম অয়েল খাতের কৃষক সংগঠনগুলোর আপত্তিও তাই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অভিযোগ, এই বিশাল নীতি তৈরির সময় কৃষক বা ক্ষুদ্র উৎপাদকদের মতামত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। অথচ পাম অয়েল শুধু একটি রপ্তানি পণ্য নয়; এটি লাখো মানুষের জীবিকার উৎস। একইভাবে কয়লা খাতেও বহু আঞ্চলিক অর্থনীতি সরাসরি জড়িত। যদি কেন্দ্রীয়ভাবে মূল্য ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে ছোট ও মাঝারি উৎপাদকরা আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন।

তবে সরকারের অবস্থান পুরোপুরি অযৌক্তিকও নয়। উন্নয়নশীল বহু দেশে প্রাকৃতিক সম্পদভিত্তিক বাণিজ্যে বহুজাতিক কোম্পানি ও স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কারণে রাষ্ট্র বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। কার্যকর নজরদারি ও স্বচ্ছতা ছাড়া জনগণের সম্পদ থেকে জনগণই বঞ্চিত হয়। তাই রপ্তানি খাতে নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা কঠিন।

কিন্তু সফলতার চাবিকাঠি কেবল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ নয়; বরং শক্তিশালী ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। আন্তর্জাতিক মানের মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা, স্বাধীন নিরীক্ষা, ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ততা ছাড়া এই ধরনের কেন্দ্রীয় কাঠামো কার্যকর হওয়া কঠিন।

ইন্দোনেশিয়ার সামনে এখন বড় পরীক্ষা—রাষ্ট্র কি সত্যিই জনগণের স্বার্থে এই ক্ষমতা ব্যবহার করবে, নাকি এটি নতুন এক প্রভাবশালী বাণিজ্যিক বলয়ে পরিণত হবে? কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয়কে ঘিরে শুরু হওয়া এই নীতি শেষ পর্যন্ত শুধু অর্থনীতির প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্র ও বাজারের সম্পর্ক নিয়ে এক গভীর রাজনৈতিক পরীক্ষাও।

জনপ্রিয় সংবাদ

কলম্বিয়ার নির্বাচনে মধ্যপন্থার পতন, মুখোমুখি কঠোর ডান ও বাম রাজনীতি

কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় রপ্তানিতে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ: ইন্দোনেশিয়া কি নতুন একচেটিয়া শক্তির পথে?

০৫:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ডেনি ঘিফারি ও রুথ ডেয়া জুভিতার ভাবনা অবলম্বনে

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোর নতুন রপ্তানি নীতি দেশটির অর্থনীতি ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি করেছে। সরকার এখন কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় রপ্তানিকে ধীরে ধীরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের অধীনে আনার পরিকল্পনা করছে। সরকারের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানি খাতে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, আন্ডার ইনভয়েসিং এবং কর ফাঁকির মতো অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব হবে। কিন্তু অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং কৃষক সংগঠনগুলোর একটি বড় অংশ আশঙ্কা করছে, এই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নতুন ধরনের একচেটিয়া বাণিজ্যিক শক্তি তৈরি করতে পারে।

সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, বহু রপ্তানিকারক আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকৃত মূল্য গোপন করে কম দামে পণ্য দেখায়, যার ফলে রাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারায়। সেই “লিকেজ” বন্ধ করতে সরকার একটি কেন্দ্রীয় রপ্তানি কাঠামো গড়তে চায়। প্রথম ধাপে কয়লা, ক্রুড পাম অয়েল এবং ফেরোঅ্যালয় এই ব্যবস্থার আওতায় আসবে। পরে আরও কৌশলগত প্রাকৃতিক সম্পদ এতে যুক্ত করা হবে।

এই পরিকল্পনার পেছনে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ধরনের যুক্তি রয়েছে। প্রাবোও বলছেন, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা ইন্দোনেশিয়ার সাংবিধানিক আদর্শের অংশ। স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটির রাজনৈতিক দর্শনে “জাতীয় সম্পদ জনগণের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে”—এই ধারণা গুরুত্বপূর্ণ। সেই অবস্থান থেকেই সরকার এখন রপ্তানি বাণিজ্যে আরও শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় উপস্থিতি চাইছে।

কিন্তু বাস্তব প্রশ্ন হলো, রপ্তানি কি শুধু নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে পরিচালনা করা সম্ভব?

বিশ্ববাজারে কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয় বাণিজ্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক এবং জটিল। এখানে শুধু পণ্য বিক্রি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক চুক্তি, জাহাজীকরণ, বীমা, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি, সরবরাহ সময়সূচি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একটি নতুন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান যদি পুরো প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নেয়, তাহলে সেটি কতটা দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যায়।

সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ওই রাষ্ট্রীয় সংস্থা দেশীয় উৎপাদকদের কাছ থেকে সরাসরি পণ্য কিনবে এবং বিদেশি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করবে। অর্থাৎ বাজারের ঝুঁকি, মূল্য ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চাপও তখন রাষ্ট্রের কাঁধে চলে আসবে। যদি প্রতিষ্ঠানটি পর্যাপ্ত দক্ষ না হয়, তাহলে রপ্তানি প্রক্রিয়া ধীর হতে পারে, আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমতে পারে এবং পুরো সরবরাহব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

Indonesia takes control of 'strategic' exports with new body - Nikkei Asia

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনা। সরকার যে দুর্নীতি বন্ধ করতে চায়, একই কেন্দ্রীভূত কাঠামো আবার নতুন ধরনের দুর্নীতির সুযোগও তৈরি করতে পারে। যখন একটি মাত্র সংস্থা মূল্য নির্ধারণ, রপ্তানির সময়সূচি এবং ক্রেতা নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করবে, তখন রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক সুবিধা বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

পাম অয়েল খাতের কৃষক সংগঠনগুলোর আপত্তিও তাই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের অভিযোগ, এই বিশাল নীতি তৈরির সময় কৃষক বা ক্ষুদ্র উৎপাদকদের মতামত যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। অথচ পাম অয়েল শুধু একটি রপ্তানি পণ্য নয়; এটি লাখো মানুষের জীবিকার উৎস। একইভাবে কয়লা খাতেও বহু আঞ্চলিক অর্থনীতি সরাসরি জড়িত। যদি কেন্দ্রীয়ভাবে মূল্য ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাহলে ছোট ও মাঝারি উৎপাদকরা আরও বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন।

তবে সরকারের অবস্থান পুরোপুরি অযৌক্তিকও নয়। উন্নয়নশীল বহু দেশে প্রাকৃতিক সম্পদভিত্তিক বাণিজ্যে বহুজাতিক কোম্পানি ও স্থানীয় প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কারণে রাষ্ট্র বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। কার্যকর নজরদারি ও স্বচ্ছতা ছাড়া জনগণের সম্পদ থেকে জনগণই বঞ্চিত হয়। তাই রপ্তানি খাতে নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা কঠিন।

কিন্তু সফলতার চাবিকাঠি কেবল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ নয়; বরং শক্তিশালী ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। আন্তর্জাতিক মানের মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা, স্বাধীন নিরীক্ষা, ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা এবং অংশীজনদের সম্পৃক্ততা ছাড়া এই ধরনের কেন্দ্রীয় কাঠামো কার্যকর হওয়া কঠিন।

ইন্দোনেশিয়ার সামনে এখন বড় পরীক্ষা—রাষ্ট্র কি সত্যিই জনগণের স্বার্থে এই ক্ষমতা ব্যবহার করবে, নাকি এটি নতুন এক প্রভাবশালী বাণিজ্যিক বলয়ে পরিণত হবে? কয়লা, পাম অয়েল ও ফেরোঅ্যালয়কে ঘিরে শুরু হওয়া এই নীতি শেষ পর্যন্ত শুধু অর্থনীতির প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্র ও বাজারের সম্পর্ক নিয়ে এক গভীর রাজনৈতিক পরীক্ষাও।