১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে এসি-সিআই উদ্যোগে আসিয়ানের সৃজনশীল অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, বাড়বে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ইরাককে বিশ্বকাপে তুলেই থামতে চান না গ্রাহাম আর্নল্ড, সামনে দেখছেন আরও বড় স্বপ্ন নেদারল্যান্ডসে জন্ম, কুরাকাওর জার্সিতে বিশ্বকাপ: ছোট্ট দ্বীপের বড় স্বপ্নের গল্প বিশ্বকাপ আরও বড় হচ্ছে! ২০৩০ সালে ৬৪ দলের পরিকল্পনা ঘিরে নতুন বিতর্ক লিভারপুলের নজিরবিহীন খরা, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ দলে নেই একজনও নির্বাচনে জনরোষের ঝড়, গণতন্ত্র কি এখন হতাশার চক্রে বন্দি? জিল বাইডেনের স্মৃতিচারণে উঠে এলো মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে অস্বস্তিকর যাত্রার গল্প নতুন খনিজ সম্পদে ভর করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে চায় বতসোয়ানা, লক্ষ্য শূন্য শুল্ক কেন্টাকিতে চমক দেখাতে পারবেন বুকার? ট্রাম্প-ঘাঁটিতে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের স্বপ্ন

সিলেটে একদিনে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, হাম-সদৃশ উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৪৭

সিলেট বিভাগে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা শুক্রবার সকালে জানিয়েছেন, একদিনে এটিই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। নতুন এই মৃত্যুর পর বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে।

মৃত শিশুদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, দুজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং একজন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৮৩ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষাগারে নতুন কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত না হলেও ৭৪ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জানুয়ারি থেকে বাড়ছে সংক্রমণ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৮। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের মধ্যে চারজনের শরীরে হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছিল। অন্যদের ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ পাওয়া গেছে।

ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপের কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে বাড়তি প্রস্তুতি

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর রোগীদের জন্য ২০টি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আরও ১৪টি আইসিইউ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সিলেটজুড়ে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।

সিলেটে হাম-সদৃশ উপসর্গে একদিনে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু। বিভাগজুড়ে বাড়ছে রোগীর চাপ, প্রস্তুত রাখা হয়েছে অতিরিক্ত আইসিইউ শয্যা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বসনিয়া কোচ বারবারেজের বিস্ময়কর সাফল্য, বিশ্বকাপে চোখ এখন নকআউট পর্বে

সিলেটে একদিনে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, হাম-সদৃশ উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ৪৭

০৫:২৩:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

সিলেট বিভাগে হাম-সদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা শুক্রবার সকালে জানিয়েছেন, একদিনে এটিই এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। নতুন এই মৃত্যুর পর বিভাগে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে।

মৃত শিশুদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, দুজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং একজন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৮৩ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষাগারে নতুন কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত না হলেও ৭৪ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জানুয়ারি থেকে বাড়ছে সংক্রমণ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ১৫৮। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের মধ্যে চারজনের শরীরে হাম রোগ নিশ্চিত হয়েছিল। অন্যদের ক্ষেত্রে হাম-সদৃশ উপসর্গ পাওয়া গেছে।

ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপের কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়তি প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুতর রোগীদের চিকিৎসার জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।

হাসপাতালগুলোতে বাড়তি প্রস্তুতি

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুরুতর রোগীদের জন্য ২০টি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে আরও ১৪টি আইসিইউ শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে হাম প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সিলেটজুড়ে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়তে থাকায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদেরও অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্বাস্থ্য বিভাগ নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয় করছে বলে জানা গেছে।

সিলেটে হাম-সদৃশ উপসর্গে একদিনে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু। বিভাগজুড়ে বাড়ছে রোগীর চাপ, প্রস্তুত রাখা হয়েছে অতিরিক্ত আইসিইউ শয্যা।