০১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে ভারত-চীন বৈঠক, বেইজিং যাচ্ছেন অজিত ডোভাল বিজেপির ‘জেন জি’ প্রচারে কটাক্ষ, ‘ভাইরাস-ককরোচ’ মন্তব্য টেনে নিশানা সৌরভ দাসের ঝিনাইদহে ২০০ শিশুর চিকিৎসায় হিমশিম হাসপাতাল, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরম ঢাকার কূটনৈতিক জোনে নিরাপত্তা জোরদার, দূতাবাসে অর্থ দাবির ই-মেইল ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণহানি বেড়ে ৮২ চুয়াডাঙ্গায় প্রণোদনার ৫৪ বস্তা সার গায়েব, স্বাক্ষর নিয়েও সার পেলেন না কৃষকরা গ্যাস সংকটে ছয় মাসের জন্য কারখানা বন্ধ করল ফু-ওয়াং ফুডস গ্যাসের তীব্র সংকটে রাজধানীতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় চালকেরা ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে নতুন চার্জ, বাড়বে বাংলাদেশের খরচ

ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাত ধরনের ধাক্কা আসার আশঙ্কা

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের জন্য একের পর এক ঝুঁকির কথা বলছেন। শুধু জ্বালানি নয়, সরাসরি সাতটি আলাদা খাতে এই যুদ্ধের ধাক্কা আসতে পারে।

সাতটি ধাক্কা কোথায় কোথায়

প্রথমত জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়া। দ্বিতীয়ত রপ্তানিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি। তৃতীয়ত বীমা খরচ বাড়া। চতুর্থত রেমিট্যান্স কমে আসার ঝুঁকি। পঞ্চমত মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা। ষষ্ঠত সার আমদানিতে সমস্যা, যা কৃষিতে আঘাত দেবে। সপ্তমত টাকার অবমূল্যায়নের চাপ।

এখন পর্যন্ত কী দেখা যাচ্ছে

মুদ্রাস্ফীতি ইতিমধ্যে ৯ শতাংশের উপরে, রিজার্ভে চাপ আছে এবং বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রস্তাব এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগে সরকারকে জরুরি পরিকল্পনা করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে জরুরি জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে, পণ্য পরিবহনের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে এবং রপ্তানি শিল্পে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হবে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি, কৃষি সহ সাত ধরনের আঘাত আসার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ক্রিকেট কাউন্সিলে পাকিস্তানের বড় জয়, ভারতকে হারিয়ে তিন পদই দখলে

ইরান যুদ্ধে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সাত ধরনের ধাক্কা আসার আশঙ্কা

০৮:০১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অর্থনীতিবিদরা বাংলাদেশের জন্য একের পর এক ঝুঁকির কথা বলছেন। শুধু জ্বালানি নয়, সরাসরি সাতটি আলাদা খাতে এই যুদ্ধের ধাক্কা আসতে পারে।

সাতটি ধাক্কা কোথায় কোথায়

প্রথমত জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়া। দ্বিতীয়ত রপ্তানিতে সামুদ্রিক পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি। তৃতীয়ত বীমা খরচ বাড়া। চতুর্থত রেমিট্যান্স কমে আসার ঝুঁকি। পঞ্চমত মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমিকদের চাকরি হারানোর সম্ভাবনা। ষষ্ঠত সার আমদানিতে সমস্যা, যা কৃষিতে আঘাত দেবে। সপ্তমত টাকার অবমূল্যায়নের চাপ।

এখন পর্যন্ত কী দেখা যাচ্ছে

মুদ্রাস্ফীতি ইতিমধ্যে ৯ শতাংশের উপরে, রিজার্ভে চাপ আছে এবং বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রস্তাব এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগে সরকারকে জরুরি পরিকল্পনা করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখতে জরুরি জ্বালানি সংগ্রহ করতে হবে, পণ্য পরিবহনের বিকল্প পথ খুঁজতে হবে এবং রপ্তানি শিল্পে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হবে।

ইরান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি, রেমিট্যান্স, রপ্তানি, কৃষি সহ সাত ধরনের আঘাত আসার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।