ভারতে ইন্টারনেটের দুনিয়া কাঁপানো ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এখন পাকিস্তানেও ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতীয় আন্দোলনের আদলে পাকিস্তানে তৈরি হয়েছে একাধিক অনুরূপ গোষ্ঠী, যা তরুণ প্রজন্মের ক্ষোভ ও হতাশার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

যেভাবে শুরু হয়েছিল এই আন্দোলন
গত ১৫ মে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত একটি শুনানিতে বেকার তরুণ ও আন্দোলনকারীদের “আরশোলা” ও “সমাজের পরজীবী” বলে মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও সাবেক আম আদমি পার্টির রাজনৈতিক কৌশলবিদ অভিজিৎ দীপকে ১৬ মে গড়ে তোলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। মাত্র ৭৮ ঘণ্টায় ইনস্টাগ্রামে ৩০ লাখ অনুসরণকারী জুটে যায়। পাঁচ দিনের মধ্যে তা ২ কোটি ছাড়িয়ে যায়, যা ভারতের শাসক বিজেপির অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টকেও পেছনে ফেলে দেয়।
পাকিস্তানে ছড়িয়ে পড়া
ভারতের এই আন্দোলন এখন পাকিস্তানের সামাজিক মাধ্যমেও জায়গা করে নিয়েছে। সেখানে ‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’, ‘ককরোচ আওয়ামী লিগ‘ ও ‘মুত্তাহিদা ককরোচ মুভমেন্ট’ নামের একাধিক গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। এসব গোষ্ঠীর ব্যানারে তরুণরা বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, শিক্ষার মান ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলছে। “সিস্টেম যাদের আরশোলা ভেবেছে, আমরা তাদেরই কণ্ঠস্বর” এই স্লোগানে একটি পাকিস্তানি গোষ্ঠী নিজেদের পরিচয় দিচ্ছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















