ট্রাম্পের দুই দিনের বেইজিং সফরে তাইওয়ানকে কখনো সরাসরি উল্লেখ না করলেও তাইওয়ান ইস্যুটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। সফরের প্রথম দিনে শি জিনপিং তাইওয়ান প্রশ্নটিকে “চীনের মূল স্বার্থের কেন্দ্র” বলে উল্লেখ করে সতর্ক করেন যে এটি নিয়ে ভুল পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠবে। ট্রাম্প তাইওয়ানের অস্ত্র সরবরাহ স্থগিত করার বিষয়টি একটি বৃহত্তর চুক্তিতে “অন্তর্ভুক্ত” করার ইঙ্গিত দেন, যা তাইওয়ান ও মার্কিন মিত্রদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বাণিজ্য সমঝোতা ও নিরাপত্তা বিনিময়
তাইওয়ান ইতোমধ্যে আমেরিকায় ২৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফেব্রুয়ারিতে একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছে। কিন্তু ট্রাম্প আবারও বলেছেন যে তাইওয়ান আমেরিকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্প “চুরি করেছে” এবং সব চিপ উৎপাদন আমেরিকায় স্থানান্তর করতে হবে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক ছিল ট্রাম্পের মন্তব্য যে তিনি “তাইওয়ান পরিচালনা করা ব্যক্তির” সঙ্গে অস্ত্র প্যাকেজ নিয়ে কথা বলবেন। ১৯৭৯ সালের পর থেকে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাইওয়ানের নেতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেননি।
জাপান-চীন সম্পর্কও উত্তেজনায়
এদিকে জাপান ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা আলাদাভাবে বাড়ছে। ডিসেম্বরে চীনা যুদ্ধবিমান জাপানি বিমানের ওপর রাডার লক করে। এপ্রিলে জাপানি ডেস্ট্রয়ার প্রথমবারের মতো তাইওয়ান প্রণালি অতিক্রম করে, যা শিমোনোসেকি চুক্তির বার্ষিকীর দিন হওয়ায় বেইজিং বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ হয়। এই পটভূমিতে এশিয়ার নিরাপত্তা চিত্র ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















