ইরানের সঙ্গে নতুন পারমাণবিক চুক্তি খুব দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের আলোচনা অত্যন্ত জটিল ও প্রযুক্তিনির্ভর হওয়ায় কয়েক দিনের মধ্যে সমাধানে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত নয়।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, পারমাণবিক চুক্তি “৭২ ঘণ্টায় কাগজে-কলমে শেষ করা যায় না।” তার মতে, এই আলোচনা দীর্ঘ সময়, কারিগরি বিশ্লেষণ এবং আঞ্চলিক সমর্থনের ওপর নির্ভর করে এগোতে হয়।

আঞ্চলিক সমর্থনের কথা বললেন রুবিও
রুবিও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাত থেকে আটটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান কৌশলকে সমর্থন করছে। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এই সমর্থনকে গুরুত্ব দিয়ে সামনে এগোতে প্রস্তুত রয়েছে।
তার বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন শুধু দ্বিপক্ষীয় সমঝোতায় নয়, বরং পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ভারসাম্য মাথায় রেখেই ইরান ইস্যুতে পদক্ষেপ নিতে চাইছে।
ট্রাম্পের সতর্ক অবস্থান
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও আলোচনায় তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আলোচকদের ধীরে ও সতর্কভাবে এগোতে বলেছেন বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, তিন মাস ধরে চলা সংঘাত ও উত্তেজনার পর নতুন কোনো চুক্তি করতে হলে পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
জটিলতা বাড়াচ্ছে প্রযুক্তিগত বিষয়
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নিরাপত্তা নিশ্চয়তার মতো বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব কারণে দ্রুত কোনো সমাধানে পৌঁছানো কঠিন বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
একই সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থানও এই আলোচনায় বড় ভূমিকা রাখছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ধাপে ধাপে একটি স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোতে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















