ঢাকার পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় আজ রবিবার দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত।
ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকিন আজ সকাল ১১টা ৩৭ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দেন। ১৯ মে মিরপুর পল্লবীর মিল্লাত ক্যাম্প এলাকায় নিজের বাসায় পাশের বাসার শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়ে ছিল। মামলার তদন্ত শেষে ২৪ মে চার্জশিট দাখিল করা হয়। ১ জুন অভিযোগ গঠন হয়, মাত্র একদিনে ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয় এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক শেষে আজকের তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
মাত্র পাঁচটি কার্যদিবসে বিচার সম্পন্ন হওয়া বাংলাদেশের বিচার ইতিহাসে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলায় অন্যতম দ্রুততম। শিশু রামিসার বাবার দায়ের করা মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছিল। আসামি সোহেল রানা আত্মপক্ষ সমর্থনে দয়া প্রার্থনা করেন, আর তার স্ত্রী স্বপ্না নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। সরকার মামলার শুরু থেকেই দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রামিসার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সারাদেশে তীব্র জনরোষ তৈরি হয়। সামাজিক মাধ্যমে লাখো মানুষ দ্রুত বিচারের দাবিতে সোচ্চার হন। এই রায়কে অনেকে ন্যায়বিচারের বিজয় হিসেবে দেখছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















