১০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি ব্রাইটন অধিনায়ক মেইসি সিমন্ডসের সঙ্গে নতুন চুক্তি নর্ডিক ওয়াকিং: হাঁটলেই মিলবে শরীরের প্রায় সব পেশির ব্যায়াম থাইল্যান্ডে ইতালীয় শিক্ষার্থীদের অসদাচরণে তীব্র ক্ষোভ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইল ইতালির দূতাবাস ৯ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খেলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমতে পারে, বলছে নতুন গবেষণা প্যারিসে তিন নারীকে ছুরিকাঘাত, ‘আল্লাহ আমাকে পাঠিয়েছেন’ দাবি; তবু সন্ত্রাসবাদ হিসেবে দেখছে না ফ্রান্স প্রবীণদের ভুলে যাচ্ছে সমাজ, বাড়ছে স্মৃতিভ্রংশের ভয়াবহ বোঝা খাবার নিয়ে ‘খেলা’! মৃত মাছকে আঘাত করে টুকরো টুকরো করছে ঘাতক তিমি ট্রান্সজেন্ডার ক্রীড়াবিদদের বিতর্কে আবারও আলোচনায় রেনে রিচার্ডস পাসওয়ার্ড না জেনেও এআইকে দিয়ে লগইন, বাড়ছে সুবিধার সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকি

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জন্য বড় পরীক্ষা, ১০০ দিন আগেই হাউস হারানোর শঙ্কা

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র ১০০ দিন বাকি। আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে প্রার্থী না হলেও তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনেকটাই এই নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছে। রিপাবলিকানদের সামনে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা যেমন রয়েছে, তেমনি সিনেট ধরে রাখার লড়াইটিও ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

হাউস হারালে চাপে পড়বেন ট্রাম্প

বর্তমানে হাউসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সামান্য। ফলে অল্প কয়েকটি আসন হাতবদল হলেই ডেমোক্র্যাটরা নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। নির্বাচনী পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটদের হাউস দখলের সম্ভাবনা এখন এগিয়ে রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটরা হাউসের নিয়ন্ত্রণ পেলে গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর নেতৃত্ব এবং তদন্তের ক্ষমতা তাদের হাতে চলে যাবে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত, শুনানি ও নথি তলবের ঘটনা বাড়তে পারে। এমনকি ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন করে অভিশংসন প্রক্রিয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

জীবনযাত্রার ব্যয় বড় ইস্যু

নির্বাচনের আগে মার্কিন ভোটারদের অন্যতম বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ। জ্বালানির দাম গ্যালনপ্রতি চার ডলারের ওপরে উঠেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি এখনও উঁচু এবং ঋণের সুদের হারও বেশি।

ডেমোক্র্যাটরা মুদি পণ্য, জ্বালানি, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়কে সামনে রেখে প্রচার চালাচ্ছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক চাপ কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে রিপাবলিকানরা সীমান্ত নিরাপত্তা, কর কমানো এবং রক্ষণশীল নীতিকে নির্বাচনের প্রধান বিষয় করতে চাইছে। তারা ডেমোক্র্যাটদের আরও বামঘেঁষা রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে ভোটারদের সামনে নিজেদের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে।

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বড় বাধা

ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা তার জনসমর্থনের হার। সাম্প্রতিক এক জরিপে মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজের প্রতি সন্তুষ্টি জানিয়েছেন।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা সাধারণত তার দলের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে। জনপ্রিয়তা ৪৫ শতাংশের নিচে থাকলে সাধারণত প্রেসিডেন্টের দল আসন হারায়। আর তা ৪০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে পুরো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

মানচিত্র পুনর্বিন্যাসে রিপাবলিকানদের সুবিধা

তবে রিপাবলিকানদের জন্য কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। কংগ্রেসের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নতুন করে নির্ধারণের ক্ষেত্রে দলটি তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এর ফলে কয়েকটি নিরাপদ আসন তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসন পুনর্বিন্যাস রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য কয়েকটি আসন হারানোর ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে রিপাবলিকানদের আর্থিক শক্তিও ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিনেটেও কঠিন লড়াই

হাউসের পাশাপাশি সিনেটের লড়াইটিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩টি আসন এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন রয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে তাদের বড় ধরনের আসন পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

তবে নির্বাচনী পূর্বাভাসে রিপাবলিকানরা সামান্য এগিয়ে রয়েছে। এমনকি দুই দলের আসন সমান হয়ে গেলেও ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের সমতা ভাঙার ভোট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যেতে পারে

নির্বাচনে হাউস ডেমোক্র্যাটদের হাতে এবং সিনেট রিপাবলিকানদের হাতে গেলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময় অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তার আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা হাউসে বাধার মুখে পড়বে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তদন্ত ও প্রকাশ্য শুনানির মুখোমুখি হতে হবে।

বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, প্রশাসনের নৈতিকতা এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে ডেমোক্র্যাটরা ব্যাপক তদন্তের সুযোগ পাবে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত প্রেসিডেন্টের দল আসন হারায়। এবারও সেই ঐতিহাসিক প্রবণতা ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের আর ১০০ দিন বাকি থাকতেই তাই হোয়াইট হাউসের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রিপাবলিকানরা কি কংগ্রেসের দুই কক্ষই ধরে রাখতে পারবে, নাকি ভোটের ফল ট্রাম্পের ক্ষমতার দ্বিতীয়ার্ধকে আরও কঠিন করে তুলবে?

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকানদের বড় পরীক্ষার মুখে পড়ার চিত্র উঠে এসেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

 নিকোলাস ওতামেন্দি: এক বিদায়, যা আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের একটি যুগের সমাপ্তি

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জন্য বড় পরীক্ষা, ১০০ দিন আগেই হাউস হারানোর শঙ্কা

০৮:৩৯:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আর মাত্র ১০০ দিন বাকি। আগামী ৩ নভেম্বরের ভোটে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে প্রার্থী না হলেও তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অনেকটাই এই নির্বাচনের ফলের ওপর নির্ভর করছে। রিপাবলিকানদের সামনে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা যেমন রয়েছে, তেমনি সিনেট ধরে রাখার লড়াইটিও ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে।

হাউস হারালে চাপে পড়বেন ট্রাম্প

বর্তমানে হাউসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা খুবই সামান্য। ফলে অল্প কয়েকটি আসন হাতবদল হলেই ডেমোক্র্যাটরা নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে। নির্বাচনী পূর্বাভাসে ডেমোক্র্যাটদের হাউস দখলের সম্ভাবনা এখন এগিয়ে রয়েছে।

ডেমোক্র্যাটরা হাউসের নিয়ন্ত্রণ পেলে গুরুত্বপূর্ণ কমিটিগুলোর নেতৃত্ব এবং তদন্তের ক্ষমতা তাদের হাতে চলে যাবে। এতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক তদন্ত, শুনানি ও নথি তলবের ঘটনা বাড়তে পারে। এমনকি ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন করে অভিশংসন প্রক্রিয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

জীবনযাত্রার ব্যয় বড় ইস্যু

নির্বাচনের আগে মার্কিন ভোটারদের অন্যতম বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে জীবনযাত্রার বাড়তি খরচ। জ্বালানির দাম গ্যালনপ্রতি চার ডলারের ওপরে উঠেছে। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়িয়েছে। এর পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি এখনও উঁচু এবং ঋণের সুদের হারও বেশি।

ডেমোক্র্যাটরা মুদি পণ্য, জ্বালানি, আবাসন ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যয়কে সামনে রেখে প্রচার চালাচ্ছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক চাপ কমাতে ট্রাম্প প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে।

অন্যদিকে রিপাবলিকানরা সীমান্ত নিরাপত্তা, কর কমানো এবং রক্ষণশীল নীতিকে নির্বাচনের প্রধান বিষয় করতে চাইছে। তারা ডেমোক্র্যাটদের আরও বামঘেঁষা রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করে ভোটারদের সামনে নিজেদের বিকল্প হিসেবে তুলে ধরছে।

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বড় বাধা

ট্রাম্পের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা তার জনসমর্থনের হার। সাম্প্রতিক এক জরিপে মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন নাগরিক তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজের প্রতি সন্তুষ্টি জানিয়েছেন।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা সাধারণত তার দলের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলে। জনপ্রিয়তা ৪৫ শতাংশের নিচে থাকলে সাধারণত প্রেসিডেন্টের দল আসন হারায়। আর তা ৪০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে পুরো একটি কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ঝুঁকি আরও বেড়ে যায় বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

মানচিত্র পুনর্বিন্যাসে রিপাবলিকানদের সুবিধা

তবে রিপাবলিকানদের জন্য কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। কংগ্রেসের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নতুন করে নির্ধারণের ক্ষেত্রে দলটি তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এর ফলে কয়েকটি নিরাপদ আসন তৈরির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসন পুনর্বিন্যাস রিপাবলিকানদের সম্ভাব্য কয়েকটি আসন হারানোর ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে রিপাবলিকানদের আর্থিক শক্তিও ডেমোক্র্যাটদের তুলনায় বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিনেটেও কঠিন লড়াই

হাউসের পাশাপাশি সিনেটের লড়াইটিও গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে সিনেটে রিপাবলিকানদের ৫৩টি আসন এবং ডেমোক্র্যাটদের ৪৭টি আসন রয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে তাদের বড় ধরনের আসন পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

তবে নির্বাচনী পূর্বাভাসে রিপাবলিকানরা সামান্য এগিয়ে রয়েছে। এমনকি দুই দলের আসন সমান হয়ে গেলেও ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের সমতা ভাঙার ভোট রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ওয়াশিংটনে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যেতে পারে

নির্বাচনে হাউস ডেমোক্র্যাটদের হাতে এবং সিনেট রিপাবলিকানদের হাতে গেলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময় অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠতে পারে। তার আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা হাউসে বাধার মুখে পড়বে। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তদন্ত ও প্রকাশ্য শুনানির মুখোমুখি হতে হবে।

বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ, প্রশাসনের নৈতিকতা এবং নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে ডেমোক্র্যাটরা ব্যাপক তদন্তের সুযোগ পাবে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত প্রেসিডেন্টের দল আসন হারায়। এবারও সেই ঐতিহাসিক প্রবণতা ট্রাম্পের রিপাবলিকান দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচনের আর ১০০ দিন বাকি থাকতেই তাই হোয়াইট হাউসের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রিপাবলিকানরা কি কংগ্রেসের দুই কক্ষই ধরে রাখতে পারবে, নাকি ভোটের ফল ট্রাম্পের ক্ষমতার দ্বিতীয়ার্ধকে আরও কঠিন করে তুলবে?

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রিপাবলিকানদের বড় পরীক্ষার মুখে পড়ার চিত্র উঠে এসেছে।