বলিউডের আলোচিত রোমান্টিক নাট্যধর্মী ছবি ‘ককটেল ২’ মুক্তির পর দর্শক প্রতিক্রিয়া, বক্স অফিস এবং অভিনয়শিল্পীদের প্রচারণা মিলিয়ে আলোচনায় রয়েছে। শাহিদ কাপুর, কৃতি স্যানন ও রশ্মিকা মন্দান্না অভিনীত ছবিটি সম্প্রতি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির পর প্রথম কয়েক দিনে ছবিটি শহুরে দর্শকের মধ্যে ভালো সাড়া পায়। সমালোচকদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র হলেও তারকাদের উপস্থিতি এবং ‘ককটেল’ নামের পুরোনো জনপ্রিয়তা ছবিটিকে আলোচনায় রেখেছে।
রশ্মিকা মন্দান্না এই ছবিতে ডিয়া রেড্ডি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। প্রচারণার শুরু থেকেই তিনি জানিয়েছেন, এই চরিত্র তার জন্য আলাদা চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ দর্শক তাকে সাধারণত বেশি আবেগঘন, নাটকীয় বা দক্ষিণী সিনেমার শক্তিশালী চরিত্রে দেখে অভ্যস্ত। ‘ককটেল ২’-এ তাকে দেখা গেছে তুলনামূলক শহুরে, হালকা, বন্ধুত্ব ও সম্পর্কনির্ভর এক আবহে। ফলে ডিয়া চরিত্রটি রশ্মিকার ক্যারিয়ারে একটি ভিন্ন রঙ যোগ করেছে।

ভাইরাল আবেগ ও ভক্ত প্রতিক্রিয়া
ছবির পর্দার আড়ালের মুহূর্ত, সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে রশ্মিকার বন্ধুত্বপূর্ণ উপস্থিতি এবং চরিত্রকে বিদায় জানানোর আবেগঘন পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা ডিয়া চরিত্রের সরলতা, সম্পর্কের দ্বিধা এবং রশ্মিকার পর্দা উপস্থিতি নিয়ে আলোচনা করছেন। একই সঙ্গে কৃতি স্যাননের সঙ্গে তার সমীকরণ নিয়েও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে। রশ্মিকা নিজেও নারী সহ-অভিনেতাদের মধ্যে তথাকথিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধারণাকে পুরোনো বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
পুরোনো ছবির চাপ
২০১২ সালের ‘ককটেল’ বলিউডের শহুরে রোমান্স ঘরানায় একটি জনপ্রিয় নাম। তাই দ্বিতীয় ছবির ওপর প্রত্যাশা ছিল বেশি। নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রী, নতুন সম্পর্কের সমীকরণ এবং আগের ছবির নস্টালজিয়া—এই তিনের ভারসাম্য রাখা সহজ ছিল না। ‘ককটেল ২’ সেই জায়গায় কতটা সফল, তা দীর্ঘমেয়াদি বক্স অফিসেই স্পষ্ট হবে। তবে মুক্তির প্রথম ধাপে ছবিটি বলিউডের গ্রীষ্মকালীন রোমান্টিক বিনোদনধর্মী ছবি হিসেবে নিজের জায়গা করে নিয়েছে।
Sarakhon Report 


















