০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬
ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন আকাশযুদ্ধের কিংবদন্তি ল্যাঙ্কাস্টার: ভুল পরিকল্পনা থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ বোমারু বিমানের উত্থান ‘প্যানজার’ ভেবে ভুল, আসলে ছিল যুদ্ধ-পরবর্তী প্যাটন ট্যাংক চীনের চাপের মুখে যুদ্ধপ্রস্তুতি জোরদার, তাইওয়ানের বৃহত্তম সামরিক মহড়া শুরু এক দশকের ভালোবাসার প্রতিদান, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রথম স্টেডিয়াম কনসার্ট নিয়ে ফিরছেন চার্লি পুথ রোগীর আস্থা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফল ব্যবহার সম্ভব নয়: সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাপটের গাড়ি থেকে ‘ভয়ের প্রতীক’: কেন বদলে গেল মাহিন্দ্রা থারের ভাবমূর্তি? কর্মক্ষেত্রে আহত শ্রমিকদের আইনি লড়াই কঠিন হয়ে উঠছে, আইনজীবীর সংকটে বাড়ছে ভোগান্তি জাতিসংঘের সামনে তিব্বতি কর্মীর আত্মাহুতি, নতুন করে আলোচনায় তিব্বত আন্দোলন ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা

স্টার সিনেপ্লেক্সে সপ্তাহজুড়ে বাংলা ছবির গ্রীষ্ম উৎসব

ঈদ-পরবর্তী সময়েও বাংলা সিনেমাকে বড় পর্দায় ধরে রাখতে স্টার সিনেপ্লেক্স আয়োজন করেছে সামার বাংলা হিট ফেস্ট। ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলা এই উৎসবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত চারটি বাংলা ছবি দেখানো হচ্ছে। ছবিগুলো হলো ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বড় তারকা, জনপ্রিয় নির্মাতা ও আলোচিত কনটেন্ট—সব মিলিয়ে এই আয়োজন বাংলা ছবির দর্শক ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ঈদের বাইরে বাংলা সিনেমা

বাংলাদেশি সিনেমার বাজারে ঈদ এখন সবচেয়ে বড় মুক্তির মৌসুম। অনেক দর্শক বছরে কয়েকবারই হলে যান, বিশেষ করে ঈদে। কিন্তু সিনেমা শিল্পকে টেকসই করতে হলে শুধু ঈদ নয়, বছরের অন্য সময়েও দর্শককে হলে টানতে হবে। স্টার সিনেপ্লেক্সের এই উৎসব সেই জায়গায় একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। একই সঙ্গে যারা ব্যস্ততা বা টিকিট না পাওয়ার কারণে প্রথম মুক্তির সময় ছবি দেখতে পারেননি, তাদের জন্যও এটি আবার বড় পর্দায় ছবি দেখার সুযোগ।

চার ছবির ভিন্ন আকর্ষণ

উৎসবে রাখা হয়েছে শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’, রায়হান রাফীর ‘তাণ্ডব’, তারকাবহুল ‘উৎসব’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। প্রত্যেকটি ছবির নিজস্ব দর্শকগোষ্ঠী আছে। শাকিব খানের ছবি গণদর্শক ধরে, রায়হান রাফীর সিনেমা তরুণ দর্শকের কাছে আলোচিত, আর তারকাবহুল ছবি পারিবারিক দর্শককে আকৃষ্ট করতে পারে। ফলে উৎসবটি এক ধরনের ছোট পরিসরের বাংলা চলচ্চিত্র মৌসুম তৈরি করছে।

মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতি ও বাংলা ছবি

ঢাকাকেন্দ্রিক মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতি বাংলাদেশি সিনেমার জন্য একদিকে সুযোগ, অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ। সুযোগ হলো—ভালো পর্দা, উন্নত শব্দ, আরামদায়ক আসন এবং অনলাইন টিকিটিং দর্শকের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে। চ্যালেঞ্জ হলো—এই সুবিধা এখনও বড় শহরকেন্দ্রিক। ফলে বাংলা সিনেমার বাজারের বড় অংশ এখনও জেলা শহরের একক পর্দার হলের ওপর নির্ভরশীল।

দর্শক ধরে রাখার কৌশল

একটি ছবি মুক্তির পর দ্রুত হারিয়ে গেলে তার আয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব সীমিত থাকে। কিন্তু উৎসব আকারে কয়েকটি ছবি একসঙ্গে দেখালে দর্শক নতুন করে আগ্রহী হতে পারে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা, পরিবার নিয়ে হলে যাওয়া এবং সাপ্তাহিক ছুটির দর্শকের সঙ্গে এ ধরনের আয়োজন ভালো কাজ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপে নতুন উত্তেজনার আশঙ্কা, ন্যাটোকে সীমিত হামলায় পরীক্ষা করতে পারেন পুতিন

স্টার সিনেপ্লেক্সে সপ্তাহজুড়ে বাংলা ছবির গ্রীষ্ম উৎসব

০৮:৫৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ঈদ-পরবর্তী সময়েও বাংলা সিনেমাকে বড় পর্দায় ধরে রাখতে স্টার সিনেপ্লেক্স আয়োজন করেছে সামার বাংলা হিট ফেস্ট। ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলা এই উৎসবে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত চারটি বাংলা ছবি দেখানো হচ্ছে। ছবিগুলো হলো ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’, ‘উৎসব’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বড় তারকা, জনপ্রিয় নির্মাতা ও আলোচিত কনটেন্ট—সব মিলিয়ে এই আয়োজন বাংলা ছবির দর্শক ধরে রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ঈদের বাইরে বাংলা সিনেমা

বাংলাদেশি সিনেমার বাজারে ঈদ এখন সবচেয়ে বড় মুক্তির মৌসুম। অনেক দর্শক বছরে কয়েকবারই হলে যান, বিশেষ করে ঈদে। কিন্তু সিনেমা শিল্পকে টেকসই করতে হলে শুধু ঈদ নয়, বছরের অন্য সময়েও দর্শককে হলে টানতে হবে। স্টার সিনেপ্লেক্সের এই উৎসব সেই জায়গায় একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। একই সঙ্গে যারা ব্যস্ততা বা টিকিট না পাওয়ার কারণে প্রথম মুক্তির সময় ছবি দেখতে পারেননি, তাদের জন্যও এটি আবার বড় পর্দায় ছবি দেখার সুযোগ।

চার ছবির ভিন্ন আকর্ষণ

উৎসবে রাখা হয়েছে শাকিব খান অভিনীত ‘বরবাদ’, রায়হান রাফীর ‘তাণ্ডব’, তারকাবহুল ‘উৎসব’ এবং ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। প্রত্যেকটি ছবির নিজস্ব দর্শকগোষ্ঠী আছে। শাকিব খানের ছবি গণদর্শক ধরে, রায়হান রাফীর সিনেমা তরুণ দর্শকের কাছে আলোচিত, আর তারকাবহুল ছবি পারিবারিক দর্শককে আকৃষ্ট করতে পারে। ফলে উৎসবটি এক ধরনের ছোট পরিসরের বাংলা চলচ্চিত্র মৌসুম তৈরি করছে।

মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতি ও বাংলা ছবি

ঢাকাকেন্দ্রিক মাল্টিপ্লেক্স সংস্কৃতি বাংলাদেশি সিনেমার জন্য একদিকে সুযোগ, অন্যদিকে চ্যালেঞ্জ। সুযোগ হলো—ভালো পর্দা, উন্নত শব্দ, আরামদায়ক আসন এবং অনলাইন টিকিটিং দর্শকের অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে। চ্যালেঞ্জ হলো—এই সুবিধা এখনও বড় শহরকেন্দ্রিক। ফলে বাংলা সিনেমার বাজারের বড় অংশ এখনও জেলা শহরের একক পর্দার হলের ওপর নির্ভরশীল।

দর্শক ধরে রাখার কৌশল

একটি ছবি মুক্তির পর দ্রুত হারিয়ে গেলে তার আয় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব সীমিত থাকে। কিন্তু উৎসব আকারে কয়েকটি ছবি একসঙ্গে দেখালে দর্শক নতুন করে আগ্রহী হতে পারে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনা, পরিবার নিয়ে হলে যাওয়া এবং সাপ্তাহিক ছুটির দর্শকের সঙ্গে এ ধরনের আয়োজন ভালো কাজ করে।