০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ব রাজনীতি: শক্তির দম্ভ থেকে কূটনীতির সম্ভাবনার দিকে? বাংলাদেশের ভারসাম্যের কূটনীতি: দিল্লি না বেইজিং? শহরের রেলপথে ইতিহাসের চলমান পাঠশালা মস্তিষ্কের ব্যায়াম ছেড়ে দেবেন না: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আমাদের চিন্তার ক্ষমতা কেড়ে নিচ্ছে? গ্রেপ্তারের একদিন পর চট্টগ্রাম কারাগারে যুবলীগ নেতার মৃত্যু শুভেন্দু অধিকারীর দাবি: ১০ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, কোথাও হতে পারে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় বগুড়ায় গ্রেপ্তার স্বাচিপ নেতা ডা. মিশু মিরপুরের হত্যাচেষ্টা মামলায় ফের গ্রেপ্তার দেখানো হলো কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে ৪০ বছরের প্রবাসজীবন, ইংল্যান্ড সমর্থকদের অবিশ্বাস্য গল্প

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইনটি বাতিল বা রহিত করার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ হাইকোর্টে এই রিট আবেদন করেন। এতে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে।

সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

রিট আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে একটি রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে বিবাদীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে কেন আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

এ ছাড়া রিটে আদালতের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, কেন সরকারকে আইনটি বাতিল বা রহিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।

মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে দাবি

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন তার মূল উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। আবেদনকারীর মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপব্যবহার বা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা এড়াতে আইনটি রহিত করা প্রয়োজন।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান আইনের বিভিন্ন বিধান সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

রিট আবেদনটি এখন আদালতের বিবেচনার জন্য উপস্থাপিত হবে। আদালত আবেদন গ্রহণ করে রুল জারি করবেন কি না এবং এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন কি না, তা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনকে ঘিরে নতুন এই আইনি উদ্যোগ দেশের বিচারব্যবস্থা ও আইনগত পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ব রাজনীতি: শক্তির দম্ভ থেকে কূটনীতির সম্ভাবনার দিকে?

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট, সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

১২:৪৯:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। রিটে আইনটি বাতিল বা রহিত করার জন্য সরকারের প্রতি নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহসীন রশিদ হাইকোর্টে এই রিট আবেদন করেন। এতে আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিবাদী করা হয়েছে।

সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

রিট আবেদনে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে একটি রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে বিবাদীদের কাছে জানতে চাওয়া হবে কেন আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

এ ছাড়া রিটে আদালতের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, কেন সরকারকে আইনটি বাতিল বা রহিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হোক।

মূল উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে দাবি

রিট আবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন তার মূল উদ্দেশ্য ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। আবেদনকারীর মতে, ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য অপব্যবহার বা অপপ্রয়োগের আশঙ্কা এড়াতে আইনটি রহিত করা প্রয়োজন।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান আইনের বিভিন্ন বিধান সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মনে করা হচ্ছে। সে কারণে আইনটিকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বাতিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

রিট আবেদনটি এখন আদালতের বিবেচনার জন্য উপস্থাপিত হবে। আদালত আবেদন গ্রহণ করে রুল জারি করবেন কি না এবং এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করবেন কি না, তা আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনকে ঘিরে নতুন এই আইনি উদ্যোগ দেশের বিচারব্যবস্থা ও আইনগত পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।