০৪:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নেপথ্যের ‘গুরু’, গোপন বার্তা ও তুলসি গ্যাবার্ডের রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক অনুসন্ধান যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ফুটবল নায়ক অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের উত্থান দিনাজপুর সীমান্তে ‘বাংলাদেশে পুশইন’ অভিযোগ, একই পরিবারের চার সদস্য আটক ঢাকায় সাংবাদিক পরিচয়ে রিকশাচালকদের কাছ থেকে টাকা আদায়, যুবক আটক হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, বাংলাদেশে হামে প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৯ নিয়োগের চার মাস পর পদত্যাগ, জামায়াতপন্থি আইন কর্মকর্তাদের ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’ বললেন ব্যারিস্টার বাদল ইরান যুদ্ধের পর বিশ্ব রাজনীতি: শক্তির দম্ভ থেকে কূটনীতির সম্ভাবনার দিকে? বাংলাদেশের ভারসাম্যের কূটনীতি: দিল্লি না বেইজিং? শহরের রেলপথে ইতিহাসের চলমান পাঠশালা মস্তিষ্কের ব্যায়াম ছেড়ে দেবেন না: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি আমাদের চিন্তার ক্ষমতা কেড়ে নিচ্ছে?

জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় বগুড়ায় গ্রেপ্তার স্বাচিপ নেতা ডা. মিশু

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় বগুড়ায় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নেতা ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়া শাখার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ডা. সামির হোসেন মিশুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ধুনট মোড় এলাকার হোটেল মুক্তেল থেকে তাকে আটক করা হয়। শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈন উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডা. মিশু ওই রাতে এক চিকিৎসক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হোটেলটিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

বগুড়ায় চিকিৎসক নেতা ডা. সামির হোসেন মিশু গ্রেপ্তার

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলা

গ্রেপ্তারের পর ডা. মিশুকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাটি বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা হয়েছে।

পরবর্তীতে তাকে বগুড়া সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শেরপুর থানা পুলিশ।

স্বাস্থ্য প্রশাসনে দায়িত্ব পালন

ডা. সামির হোসেন মিশু বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার প্রয়াত ডা. সফদার হোসেনের ছেলে। তিনি চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন এবং বিএমএ বগুড়া শাখার কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বগুড়ায় নাশকতার মামলায় ডা. মিশু গ্রেপ্তার

কর্মজীবনে তিনি বগুড়া জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বগুড়া সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় চিকিৎসক মহল ও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপথ্যের ‘গুরু’, গোপন বার্তা ও তুলসি গ্যাবার্ডের রাজনৈতিক উত্থান ঘিরে ওয়াশিংটন পোস্টের বিস্ফোরক অনুসন্ধান

জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলায় বগুড়ায় গ্রেপ্তার স্বাচিপ নেতা ডা. মিশু

০২:১৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় বগুড়ায় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) নেতা ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বগুড়া শাখার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ডা. সামির হোসেন মিশুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ধুনট মোড় এলাকার হোটেল মুক্তেল থেকে তাকে আটক করা হয়। শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈন উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডা. মিশু ওই রাতে এক চিকিৎসক বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হোটেলটিতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকেই তাকে আটক করা হয়।

বগুড়ায় চিকিৎসক নেতা ডা. সামির হোসেন মিশু গ্রেপ্তার

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলা

গ্রেপ্তারের পর ডা. মিশুকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলাটি বগুড়া সদর থানায় দায়ের করা হয়েছে।

পরবর্তীতে তাকে বগুড়া সদর থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শেরপুর থানা পুলিশ।

স্বাস্থ্য প্রশাসনে দায়িত্ব পালন

ডা. সামির হোসেন মিশু বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার প্রয়াত ডা. সফদার হোসেনের ছেলে। তিনি চিকিৎসক সংগঠন স্বাচিপের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত ছিলেন এবং বিএমএ বগুড়া শাখার কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বগুড়ায় নাশকতার মামলায় ডা. মিশু গ্রেপ্তার

কর্মজীবনে তিনি বগুড়া জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া বগুড়া সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মামলায় তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় স্থানীয় চিকিৎসক মহল ও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।