চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টম অকশন শেডে আগুন লাগার ঘটনায় তা প্রায় ৪৫ মিনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বন্দরের স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করেন।
কীভাবে আগুন লাগে
বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে কাস্টম অকশন শেডে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন লাগার পরপরই বন্দরের নিজস্ব ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন।
পরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফায়ার সার্ভিস এবং বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দলও উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে যোগ দেয়। যৌথ প্রচেষ্টায় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

যৌথ চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণ
চট্টগ্রাম বন্দরের মুখপাত্র নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এলাকায় আর কোনো ঝুঁকি নেই।
ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনও জানা যায়নি
প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আগুনের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও মূল্যায়ন কার্যক্রম চলতে পারে।

অকশন শেডের গুরুত্ব
চট্টগ্রাম বন্দরের এই কাস্টম অকশন শেডটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। বন্দরে আসা যেসব পণ্য বিভিন্ন কারণে নিলামের জন্য নির্ধারিত হয়, সেগুলো এই শেডে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে এখানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য মজুত থাকে, যা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
দ্রুত সময়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা আরও বিস্তৃত এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমেছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















