০৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
স্টেক রান্নার সাত কৌশল: ঘরেই রেস্তোরাঁর স্বাদ পাওয়ার সহজ উপায় জেন জেডের ‘ব্রিজেট জোন্স’ মিলি গোল্ডস্মিথ: একাকীত্ব, ভালোবাসা আর সোশ্যাল মিডিয়ার তারকাখ্যাতির গল্প নতুন গতি পাচ্ছে রেল সহযোগিতা, জুলাইয়ে ভারত থেকে আসছে ২০ যাত্রীবাহী কোচ লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরেকজন  নিষেধাজ্ঞা শিথিলে  ইরানের তেল রপ্তানিতে আসতে পারে ৮৫০ কোটি ডলারের আয় চীনের পাল্লায় পৌঁছাতে দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রে জোর, সামরিক আধুনিকীকরণে নতুন পর্যায়ে ভারত ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগে বদলাচ্ছে রিপাবলিকানদের ইরান-দৃষ্টিভঙ্গি পুড়ে যাওয়া বঙ্গবাজারে ১০ তলা ভবন, দোকান বুঝে পাওয়ার আগেই ‘চাঁদা’ অভিযোগে ক্ষোভ দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ফের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু করল ভারত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারকে মন্ত্রিসভার মর্যাদা, শুধুই আনুষ্ঠানিক প্রোটোকলের জন্য

শীর্ষ উদ্ভাবন খাতে চীনের উত্থান, ডালিয়ানে শেষ হলো সামার ডাভোস ২০২৬

চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ডালিয়ানে শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের সামার ডাভোস ফোরাম। দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে উদ্ভাবনের গুরুত্ব এবং সেই প্রক্রিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল এবারের আয়োজনের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) ১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স, যা সামার ডাভোস নামেও পরিচিত, অনুষ্ঠিত হয় ২৩ থেকে ২৫ জুন। “ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল” বা বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবনকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।

উদ্ভাবনকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করার আলোচনা

তিন দিনের সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হিউম্যানয়েড রোবট, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, বায়োমেডিসিন, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ শিল্পসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এসব প্রযুক্তিকে কীভাবে আরও বেশি কর্মসংস্থান, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরিতে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

China's appeal grows at Summer Davos with innovation, green development  surging_英语频道_央视网(cctv.com)

আলোচিত অনেক ক্ষেত্রেই চীন এখন বৈশ্বিক উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। প্রযুক্তি উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দেশটির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ফোরামের বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

লি চিয়াংয়ের বার্তা

ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং বলেন, উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নই দীর্ঘমেয়াদে চীনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য “চায়না অপরচুনিটি ২.০” উন্নত প্রযুক্তিতে আরও বিস্তৃত প্রবেশাধিকার এবং উন্নয়নের সুফল অধিক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির সংকট মোকাবিলায় উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতাকে তিনি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরেক দুসেক বলেন, ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা যতই বিভক্ত হোক না কেন, উদ্ভাবনের জগৎ এখনও গভীরভাবে আন্তঃসংযুক্ত।

Summer Davos closes in Dalian, highlighting China's role in scaling up  innovation - Global Times

তার মতে, উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে দ্রুত ও বৃহৎ পরিসরে কাজে লাগাতে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উপযুক্ত বিনিয়োগ কাঠামো, কার্যকর নীতিগত সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

পরবর্তী আসর তিয়ানজিনে

সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেওয়া হয়, ২০২৭ সালের সামার ডাভোস অনুষ্ঠিত হবে চীনের আরেক বন্দরনগরী তিয়ানজিনে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ২০০৭ সালে এ সম্মেলনের সূচনা করে। এরপর থেকে প্রতি বছর চীনে আয়োজিত এই ফোরামটি পর্যায়ক্রমে ডালিয়ান ও তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা এবং নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্টেক রান্নার সাত কৌশল: ঘরেই রেস্তোরাঁর স্বাদ পাওয়ার সহজ উপায়

শীর্ষ উদ্ভাবন খাতে চীনের উত্থান, ডালিয়ানে শেষ হলো সামার ডাভোস ২০২৬

০৩:১৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ডালিয়ানে শেষ হয়েছে ২০২৬ সালের সামার ডাভোস ফোরাম। দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার এই সময়ে উদ্ভাবনের গুরুত্ব এবং সেই প্রক্রিয়ায় চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ছিল এবারের আয়োজনের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয়।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) ১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স, যা সামার ডাভোস নামেও পরিচিত, অনুষ্ঠিত হয় ২৩ থেকে ২৫ জুন। “ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল” বা বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবনকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।

উদ্ভাবনকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করার আলোচনা

তিন দিনের সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), হিউম্যানয়েড রোবট, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, বায়োমেডিসিন, উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তি এবং সবুজ শিল্পসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা এসব প্রযুক্তিকে কীভাবে আরও বেশি কর্মসংস্থান, শক্তিশালী অর্থনীতি এবং নতুন প্রবৃদ্ধির সুযোগ তৈরিতে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়েও মতবিনিময় করেন।

China's appeal grows at Summer Davos with innovation, green development  surging_英语频道_央视网(cctv.com)

আলোচিত অনেক ক্ষেত্রেই চীন এখন বৈশ্বিক উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উঠে এসেছে। প্রযুক্তি উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দেশটির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি ফোরামের বিভিন্ন আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

লি চিয়াংয়ের বার্তা

ফোরামের উদ্বোধনী অধিবেশনে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াং বলেন, উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নই দীর্ঘমেয়াদে চীনের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির মূল ভিত্তি।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য “চায়না অপরচুনিটি ২.০” উন্নত প্রযুক্তিতে আরও বিস্তৃত প্রবেশাধিকার এবং উন্নয়নের সুফল অধিক মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির সংকট মোকাবিলায় উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতাকে তিনি অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর

সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরেক দুসেক বলেন, ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা যতই বিভক্ত হোক না কেন, উদ্ভাবনের জগৎ এখনও গভীরভাবে আন্তঃসংযুক্ত।

Summer Davos closes in Dalian, highlighting China's role in scaling up  innovation - Global Times

তার মতে, উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে দ্রুত ও বৃহৎ পরিসরে কাজে লাগাতে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন উপযুক্ত বিনিয়োগ কাঠামো, কার্যকর নীতিগত সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।

পরবর্তী আসর তিয়ানজিনে

সমাপনী অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেওয়া হয়, ২০২৭ সালের সামার ডাভোস অনুষ্ঠিত হবে চীনের আরেক বন্দরনগরী তিয়ানজিনে।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ২০০৭ সালে এ সম্মেলনের সূচনা করে। এরপর থেকে প্রতি বছর চীনে আয়োজিত এই ফোরামটি পর্যায়ক্রমে ডালিয়ান ও তিয়ানজিনে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা এবং নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরিতে এটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।