আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা এক মাস বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগে নির্ধারিত ৩০ জুনের পরিবর্তে এখন ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন-সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমের সময়সূচি বিবেচনায় কর্মকর্তারা কমিশনের কাছে একটি পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। সেই পরিকল্পনার আলোকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম কত দিন পর্যন্ত চালানো সম্ভব, তা পর্যালোচনা করে নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে ভোটার তালিকা-সংক্রান্ত আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধান শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।
কেন বাড়ানো হলো সময়?
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুরোধ এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন ভোটার নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ জুন থেকে বাড়িয়ে ৩১ জুলাই নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর ফলে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে যারা নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হবেন, তারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
নির্বাচনের প্রস্তুতিও এগোচ্ছে
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, নির্বাচন অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হলেও নতুন নির্ধারিত সময়সীমা কার্যকর রাখতে কোনো জটিলতা হবে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্ভাব্য অতিরিক্ত ভোটকেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণের জন্যও একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এসব কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে যেসব নাগরিক এখনো ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেননি, তারা অতিরিক্ত এক মাস সময় পাবেন। কমিশনের আশা, এতে আরও বেশি সংখ্যক যোগ্য নাগরিক ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত হবে।
নতুন ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ব্যক্তিরা আগামী জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















