০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘পরিবার নিশ্চিহ্নের’ অভিযোগ, যুদ্ধাপরাধ তদন্তের দাবি হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন সংঘাত, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের তাজা হামলার পর কুয়েত ও বাহরাইনে পাল্টা আঘাত হরমুজ ঘিরে যুদ্ধের নতুন মোড়: ইরানে ফের মার্কিন হামলা, উপসাগজে পাল্টা আঘাতে বাড়ছে উত্তেজনা জোকোভিচের পাঁচ ঘণ্টার মহারণ, সেমিফাইনালে সিনারের মুখোমুখি বিশ্বকাপের ফাইনালে কি মঞ্চে উঠছেন জাস্টিন বিবার? গুঞ্জনে সরগরম ভক্তরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ভ্রমণ পরিকল্পনা, এক সফরেই সাশ্রয় হতে পারে ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নতুন অধ্যায়, আজই আসছে ওপেনএআইয়ের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা মডেল সংঘাতের চাপেও বিশ্ব অর্থনীতি টিকে আছে, তবে প্রবৃদ্ধি কমছে: মূল্যস্ফীতির নতুন শঙ্কা প্রথমবার বিশ্বের শীর্ষ ১০-এ আমিরাত, ২০২৫ সালে বিদেশি বিনিয়োগে নতুন রেকর্ড সংঘাতের পর সুর নরম ট্রাম্পের, ন্যাটো বৈঠকে ‘ঐক্য ও ভালোবাসা’র বার্তা

এডিবির পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৭ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি থাকবে উচ্চ পর্যায়ে

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (এফওয়াই২০২৬) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে (এফওয়াই২০২৭) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্বল রপ্তানি, বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরগতি, জ্বালানির উচ্চ ব্যয়, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা আগের তুলনায় কমেছে।

প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আকিরা মাতসুনাগা বলেছেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলতা দেখাচ্ছে। বিশেষ করে শক্তিশালী প্রবাসী আয় এবং সেবা খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ অর্থনীতিকে সহায়তা করছে।

তার মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার অপরিহার্য। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও ৩ মাস ধরে ৯ শতাংশের ওপরে

মূল্যস্ফীতির চাপ কমছে না

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশেই থাকবে, যা এডিবির এপ্রিলের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব পরিবহন, ইউটিলিটি সেবা এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের ব্যয়ের ওপর অব্যাহতভাবে পড়ছে।

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৮ দশমিক ৮ শতাংশে নামতে পারে। তবে এটি এডিবির এপ্রিলের ৮ দশমিক ৫ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। এর পেছনে উচ্চ জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়ের দ্বিতীয় ধাপের প্রভাব, বিনিময় হারজনিত চাপ এবং খাদ্য ও সেবা খাতে মূল্যস্ফীতির স্থায়িত্বকে দায়ী করা হয়েছে।

প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ও বাধার কারণ

এডিবির মতে, শক্তিশালী প্রবাসী আয়, সেবা খাতের স্থিতিশীল সম্প্রসারণ এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তা চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা সমর্থন দেবে, যদিও সামগ্রিক আর্থিক পরিবেশ কঠোর থাকবে।

অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, ফলে ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় চাপে রয়েছে। একই সঙ্গে দুর্বল রপ্তানি এবং আমদানির মাঝারি প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক চাহিদা ও বেসরকারি বিনিয়োগের দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রপ্তানিমুখী শিল্পের স্থানীয় ক্রয় ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব

সরবরাহ পরিস্থিতির দিক থেকে রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাত উচ্চ জ্বালানি মূল্য, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং কাঠামোগত সমস্যার কারণে চাপের মুখে থাকবে। কৃষি খাতেও সারের ঘাটতির ঝুঁকি রয়েছে। তবে প্রবাসী আয়ের কারণে পরিবারভিত্তিক ব্যয় বাড়ায় সেবা খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা সমর্থন দিতে পারে।

আগামী অর্থবছরের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি

এডিবি মনে করছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসা, ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম সহজ হওয়া, সুশাসনের উন্নতি, কর প্রশাসনে সংস্কার এবং প্রবাসী আয় উৎসাহিত করার নীতিমালা ভোগ ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি ঘাটতি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণকে ধীরগতিতেই রাখবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও তীব্র হলে বৈশ্বিক জ্বালানি ও নৌপরিবহন ব্যয় বাড়তে পারে, যা মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দিতে এবং প্রবাসী আয়েও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়লে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি ভর্তুকির চাপ বাড়তে পারে। পাশাপাশি উচ্চ শুল্ক, বাণিজ্যে নতুন বিধিনিষেধ, প্রধান অর্থনীতিগুলোর প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া, বিনিময় হারজনিত চাপ, বৈদেশিক অর্থায়নের কঠিন পরিবেশ এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকিও দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার জন্য উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘পরিবার নিশ্চিহ্নের’ অভিযোগ, যুদ্ধাপরাধ তদন্তের দাবি

এডিবির পূর্বাভাস: চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৭ শতাংশ, মূল্যস্ফীতি থাকবে উচ্চ পর্যায়ে

০২:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (এফওয়াই২০২৬) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হবে বলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে (এফওয়াই২০২৭) প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্বল রপ্তানি, বেসরকারি বিনিয়োগের ধীরগতি, জ্বালানির উচ্চ ব্যয়, দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা আগের তুলনায় কমেছে।

প্রতিকূলতার মধ্যেও কিছু ইতিবাচক দিক

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আকিরা মাতসুনাগা বলেছেন, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীলতা দেখাচ্ছে। বিশেষ করে শক্তিশালী প্রবাসী আয় এবং সেবা খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ অর্থনীতিকে সহায়তা করছে।

তার মতে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার অপরিহার্য। এসব পদক্ষেপ বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও ৩ মাস ধরে ৯ শতাংশের ওপরে

মূল্যস্ফীতির চাপ কমছে না

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশেই থাকবে, যা এডিবির এপ্রিলের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দেশীয় বাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার প্রভাব পরিবহন, ইউটিলিটি সেবা এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের ব্যয়ের ওপর অব্যাহতভাবে পড়ছে।

আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৮ দশমিক ৮ শতাংশে নামতে পারে। তবে এটি এডিবির এপ্রিলের ৮ দশমিক ৫ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। এর পেছনে উচ্চ জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়ের দ্বিতীয় ধাপের প্রভাব, বিনিময় হারজনিত চাপ এবং খাদ্য ও সেবা খাতে মূল্যস্ফীতির স্থায়িত্বকে দায়ী করা হয়েছে।

প্রবৃদ্ধিতে সহায়ক ও বাধার কারণ

এডিবির মতে, শক্তিশালী প্রবাসী আয়, সেবা খাতের স্থিতিশীল সম্প্রসারণ এবং অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তা চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা সমর্থন দেবে, যদিও সামগ্রিক আর্থিক পরিবেশ কঠোর থাকবে।

অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, ফলে ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় চাপে রয়েছে। একই সঙ্গে দুর্বল রপ্তানি এবং আমদানির মাঝারি প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক চাহিদা ও বেসরকারি বিনিয়োগের দুর্বলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

রপ্তানিমুখী শিল্পের স্থানীয় ক্রয় ভ্যাটের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব

সরবরাহ পরিস্থিতির দিক থেকে রপ্তানিমুখী উৎপাদন খাত উচ্চ জ্বালানি মূল্য, বৈশ্বিক চাহিদার দুর্বলতা এবং কাঠামোগত সমস্যার কারণে চাপের মুখে থাকবে। কৃষি খাতেও সারের ঘাটতির ঝুঁকি রয়েছে। তবে প্রবাসী আয়ের কারণে পরিবারভিত্তিক ব্যয় বাড়ায় সেবা খাত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কিছুটা সমর্থন দিতে পারে।

আগামী অর্থবছরের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি

এডিবি মনে করছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসা, ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম সহজ হওয়া, সুশাসনের উন্নতি, কর প্রশাসনে সংস্কার এবং প্রবাসী আয় উৎসাহিত করার নীতিমালা ভোগ ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি ঘাটতি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণকে ধীরগতিতেই রাখবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বড় ঝুঁকির সতর্কবার্তা

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও তীব্র হলে বৈশ্বিক জ্বালানি ও নৌপরিবহন ব্যয় বাড়তে পারে, যা মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রবৃদ্ধি কমিয়ে দিতে এবং প্রবাসী আয়েও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বাড়লে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি ভর্তুকির চাপ বাড়তে পারে। পাশাপাশি উচ্চ শুল্ক, বাণিজ্যে নতুন বিধিনিষেধ, প্রধান অর্থনীতিগুলোর প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়া, বিনিময় হারজনিত চাপ, বৈদেশিক অর্থায়নের কঠিন পরিবেশ এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকিও দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার জন্য উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।