০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
মাঠজুড়ে ধীর পায়ে হাঁটা, কিন্তু সিদ্ধান্তের মুহূর্তে বজ্রপাত: মেসির ফুটবল বুদ্ধির প্রকৃত রহস্য বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের ১৩, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত দেশে ফেরার ঘোষণা দেওয়ার সাহসই রাষ্ট্রের ব্যর্থতা: তাজুল ইসলাম অন্ধকারের টানে বাড়ছে তারাদেখা ভ্রমণ, বিশ্বজুড়ে নতুন পর্যটন প্রবণতার উত্থান মুখের ইতিহাসে লুকিয়ে মানুষের পরিচয়, সৌন্দর্য ও সমাজের বদলে যাওয়া গল্প নিলামে পুরোনো চিত্রকর্মের জোয়ার: শতাব্দীপ্রাচীন শিল্পকর্মে ফিরছে সংগ্রাহকদের আগ্রহ পিলাটেসে বিশ্বজুড়ে নতুন উন্মাদনা, কেন হঠাৎ এত জনপ্রিয় এই ব্যায়াম? ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন বইয়ের আলোড়ন, বাস্তবতা নাকি কল্পনার জগতে হোয়াইট হাউস? খরার মধ্যেও অটল বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু গাছ, বিস্ময়কর অভিযোজনের নতুন রহস্য উন্মোচন দিনে মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যায়ামেই মিলতে পারে বড় স্বাস্থ্যসুরক্ষা

শি জিনপিংয়ের প্রযুক্তি স্বপ্নে পুঁজিবাজারের বাজি, চীনে বাড়ছে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানবসদৃশ রোবট, উন্নত চিপ, ফিউশন শক্তি এবং ডিজিটাল মস্তিষ্ক প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত এগোচ্ছে চীন। সেই লক্ষ্য পূরণে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন। এ কারণে দেশটির পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ তহবিল এবং রাষ্ট্র-সমর্থিত অর্থায়ন ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তি খাতে দ্রুত মূলধন প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

প্রযুক্তি খাতে নতুন বিনিয়োগের জোয়ার

চীনের নেতৃত্ব সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি খাতের প্রতি আগের তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে পুঁজিবাজারে দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে নতুন ইকুইটি তহবিলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ভেঞ্চার তহবিল গঠন করে উদীয়মান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

রাষ্ট্র-সমর্থিত প্রযুক্তি তহবিলগুলো গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি মূলধন সংগ্রহ করেছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ায় ব্যাংকগুলোও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ঋণ দেওয়ার সুযোগ বাড়িয়েছে।

China's $295 Billion AI Bet: Can Renewable and Nuclear Power Fuel the Next  Data Center Boom?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট শিল্পে বিপুল অর্থের প্রয়োজন

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী পাঁচ বছরে শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্র নির্মাণেই প্রয়োজন হবে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। অন্যদিকে উন্নত রোবট ও উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন খাতেও আগামী এক দশকে একই ধরনের বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

এই চাহিদা পূরণে কেবল রাষ্ট্র বা ব্যাংকনির্ভর অর্থায়ন যথেষ্ট নয়। বেসরকারি বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজারকেও বড় ভূমিকা রাখতে হবে।

দ্রুত বাড়ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মূল্য

চীনের প্রযুক্তি খাতে নতুন প্রজন্মের বহু প্রতিষ্ঠান দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং রোবট প্রযুক্তির একাধিক প্রতিষ্ঠান এখন বহু বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়নে পৌঁছেছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্য অর্জনকারী নতুন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

একই সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির গতি আগের তুলনায় অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে যেখানে অনুমোদন পেতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগত, এখন অনেক প্রতিষ্ঠান কয়েক মাসের মধ্যেই অনুমোদন পাচ্ছে।

রাষ্ট্রের প্রভাব আরও শক্তিশালী

China's state-owned firms splash 1 trillion yuan on emerging hi-tech  industries | South China Morning Post

চীনের প্রযুক্তি অর্থায়নের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো রাষ্ট্রের সক্রিয় উপস্থিতি। রাষ্ট্রায়ত্ত বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন প্রযুক্তি খাতে শত শত প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগ তহবিল গঠন করছে।

তবে এই অর্থায়নের সঙ্গে শর্তও রয়েছে। বিনিয়োগের বড় অংশ এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে যাচ্ছে, যেগুলো সরকারের দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে অনেক নতুন ধারণা বা ভিন্নধারার উদ্যোগ পর্যাপ্ত অর্থায়ন পাচ্ছে না।

পছন্দের খাতের বাইরে সুযোগ কম

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার অগ্রাধিকার দেয় না—এমন খাতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধন সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ছে। তাদের মূল্যায়ন তুলনামূলক কম হচ্ছে এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগও সীমিত হচ্ছে।

অন্যদিকে উন্নত চিপ, রোবট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিদেশি প্রযুক্তিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছে।

China's state-backed labs provide a lifeline for US-blacklisted chip  suppliers

ভারসাম্য রক্ষা বড় চ্যালেঞ্জ

চীনের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার সামনে এখন দ্বৈত দায়িত্ব। একদিকে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে, অন্যদিকে সরকারের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনাও বাস্তবায়নে সহায়তা করতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ভোক্তাপণ্যসহ প্রচলিত খাত থেকে অর্থ সরিয়ে প্রযুক্তি খাতে বেশি বিনিয়োগ করছেন। তবে পেশাদার বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মনে করছেন, রাষ্ট্রের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ বাজারের স্বাভাবিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে সীমিত করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি উন্নয়নে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা স্বল্পমেয়াদে গতি আনতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে যদি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত বাজারের পরিবর্তে নীতিগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়, তাহলে উদ্ভাবন ও মূলধনের কার্যকর ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।

চীনের প্রযুক্তি অর্থায়নের নতুন এই মডেল তাই ভবিষ্যতে দেশটির উচ্চপ্রযুক্তি খাতকে কতটা এগিয়ে নিতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মাঠজুড়ে ধীর পায়ে হাঁটা, কিন্তু সিদ্ধান্তের মুহূর্তে বজ্রপাত: মেসির ফুটবল বুদ্ধির প্রকৃত রহস্য

শি জিনপিংয়ের প্রযুক্তি স্বপ্নে পুঁজিবাজারের বাজি, চীনে বাড়ছে প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ

১২:৫১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানবসদৃশ রোবট, উন্নত চিপ, ফিউশন শক্তি এবং ডিজিটাল মস্তিষ্ক প্রযুক্তিতে বিশ্বনেতৃত্বের লক্ষ্য নিয়ে দ্রুত এগোচ্ছে চীন। সেই লক্ষ্য পূরণে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন। এ কারণে দেশটির পুঁজিবাজার, বিনিয়োগ তহবিল এবং রাষ্ট্র-সমর্থিত অর্থায়ন ব্যবস্থাকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রযুক্তি খাতে দ্রুত মূলধন প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়।

প্রযুক্তি খাতে নতুন বিনিয়োগের জোয়ার

চীনের নেতৃত্ব সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি খাতের প্রতি আগের তুলনায় অনেক বেশি ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে পুঁজিবাজারে দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে নতুন ইকুইটি তহবিলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ভেঞ্চার তহবিল গঠন করে উদীয়মান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।

রাষ্ট্র-সমর্থিত প্রযুক্তি তহবিলগুলো গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি মূলধন সংগ্রহ করেছে। একই সঙ্গে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ায় ব্যাংকগুলোও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ঋণ দেওয়ার সুযোগ বাড়িয়েছে।

China's $295 Billion AI Bet: Can Renewable and Nuclear Power Fuel the Next  Data Center Boom?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবট শিল্পে বিপুল অর্থের প্রয়োজন

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী পাঁচ বছরে শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথ্যকেন্দ্র নির্মাণেই প্রয়োজন হবে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান। অন্যদিকে উন্নত রোবট ও উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন খাতেও আগামী এক দশকে একই ধরনের বিশাল বিনিয়োগের প্রয়োজন হতে পারে।

এই চাহিদা পূরণে কেবল রাষ্ট্র বা ব্যাংকনির্ভর অর্থায়ন যথেষ্ট নয়। বেসরকারি বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজারকেও বড় ভূমিকা রাখতে হবে।

দ্রুত বাড়ছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মূল্য

চীনের প্রযুক্তি খাতে নতুন প্রজন্মের বহু প্রতিষ্ঠান দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর এবং রোবট প্রযুক্তির একাধিক প্রতিষ্ঠান এখন বহু বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়নে পৌঁছেছে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্য অর্জনকারী নতুন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

একই সঙ্গে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির গতি আগের তুলনায় অনেক দ্রুত হয়েছে। আগে যেখানে অনুমোদন পেতে এক বছরেরও বেশি সময় লাগত, এখন অনেক প্রতিষ্ঠান কয়েক মাসের মধ্যেই অনুমোদন পাচ্ছে।

রাষ্ট্রের প্রভাব আরও শক্তিশালী

China's state-owned firms splash 1 trillion yuan on emerging hi-tech  industries | South China Morning Post

চীনের প্রযুক্তি অর্থায়নের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো রাষ্ট্রের সক্রিয় উপস্থিতি। রাষ্ট্রায়ত্ত বড় প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন প্রযুক্তি খাতে শত শত প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছে। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগ তহবিল গঠন করছে।

তবে এই অর্থায়নের সঙ্গে শর্তও রয়েছে। বিনিয়োগের বড় অংশ এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর দিকে যাচ্ছে, যেগুলো সরকারের দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফলে অনেক নতুন ধারণা বা ভিন্নধারার উদ্যোগ পর্যাপ্ত অর্থায়ন পাচ্ছে না।

পছন্দের খাতের বাইরে সুযোগ কম

বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকার অগ্রাধিকার দেয় না—এমন খাতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানের জন্য মূলধন সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ছে। তাদের মূল্যায়ন তুলনামূলক কম হচ্ছে এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির সুযোগও সীমিত হচ্ছে।

অন্যদিকে উন্নত চিপ, রোবট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং বিদেশি প্রযুক্তিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক বেশি সুবিধা পাচ্ছে।

China's state-backed labs provide a lifeline for US-blacklisted chip  suppliers

ভারসাম্য রক্ষা বড় চ্যালেঞ্জ

চীনের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার সামনে এখন দ্বৈত দায়িত্ব। একদিকে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে হবে, অন্যদিকে সরকারের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন পরিকল্পনাও বাস্তবায়নে সহায়তা করতে হবে।

এই পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ভোক্তাপণ্যসহ প্রচলিত খাত থেকে অর্থ সরিয়ে প্রযুক্তি খাতে বেশি বিনিয়োগ করছেন। তবে পেশাদার বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ মনে করছেন, রাষ্ট্রের অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ বাজারের স্বাভাবিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্তকে সীমিত করতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রযুক্তি উন্নয়নে রাষ্ট্রের সক্রিয় ভূমিকা স্বল্পমেয়াদে গতি আনতে পারে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে যদি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত বাজারের পরিবর্তে নীতিগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়, তাহলে উদ্ভাবন ও মূলধনের কার্যকর ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যাবে।

চীনের প্রযুক্তি অর্থায়নের নতুন এই মডেল তাই ভবিষ্যতে দেশটির উচ্চপ্রযুক্তি খাতকে কতটা এগিয়ে নিতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।