০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
বেন নেভিসে ফেলে রাখা গাঁজা খেয়ে অসুস্থ! পাহাড় থেকে উদ্ধার কালো ল্যাব্রাডর, সুস্থ হলো পরদিন স্পেনের দাবানলে খাদে আটকে দগ্ধ ব্রিটিশ দম্পতি উদ্ধার, প্রাণহানি বেড়ে ১২ ন্যাটোকে বেশি খরচ করাতে সফলতা, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত প্রভাব ক্ষয়ের সূচনা? কনর ম্যাকগ্রেগরের বহুল প্রতীক্ষিত ইউএফসি প্রত্যাবর্তন শেষ মাত্র ৬৯ সেকেন্ডে, হাঁটুর চোটে থামল লড়াই শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন! ট্রাম্পের ক্রিপ্টো আয়ে চমক, এক বছরে দেড় বিলিয়ন ডলারের বেশি উপার্জনের তথ্য বিশ্বকাপ ২০২৬: সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, অপেক্ষায় ইংল্যান্ডের মহারণ ক্ষমতাচ্যুত হবার পরে শেখ হাসিনার প্রথম রাজনৈতিক কর্মসূচি বিশ্বকাপ ২০২৬ সেমিফাইনালের সূচি প্রকাশ, শিরোপার পথে মুখোমুখি ফ্রান্স-স্পেন ও আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সাগরের নিচে মিলল ৭৩টি অজানা আগ্নেয়গিরির চিহ্ন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সাগরের নিচে মিলল ৭৩টি অজানা আগ্নেয়গিরির চিহ্ন

সাগরের গভীরে লুকিয়ে থাকা অজানা আগ্নেয়গিরির রহস্য উন্মোচনে বড় সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় গবেষকরা সমুদ্রের তলদেশে আগে অজানা থাকা ৭৩টি আগ্নেয়গিরির বিশাল গহ্বর বা ক্যালডেরা শনাক্ত করেছেন।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, এই আবিষ্কার পৃথিবীর ভূগর্ভস্থ কার্যক্রম সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গবেষকরা মনে করছেন, সমুদ্রের নিচে থাকা এসব আগ্নেয় কাঠামো ভবিষ্যতে ভূমিকম্প, সুনামি ও আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মিলল নতুন তথ্য

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, যা আগে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে গর্ত শনাক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল। পরে এই প্রযুক্তি দিয়ে সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রযুক্তিটি হাজার হাজার সম্ভাব্য কাঠামো শনাক্ত করে। পরে বিশেষজ্ঞদের যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, এর মধ্যে ৭৩টি ক্যালডেরা আগে কখনো নথিভুক্ত হয়নি।

AI detects 73 new underwater volcanoes - could triple known calderas | The  latest National and International News - upday News

সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে থাকা আগ্নেয় রহস্য

ক্যালডেরা হলো আগ্নেয়গিরির এমন একটি বিশাল গর্ত, যা সাধারণত বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের পর তৈরি হয়। অনেক সময় এগুলো দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকলেও ভূগর্ভে পরিবর্তন চলতে পারে।

নতুন শনাক্ত হওয়া ক্যালডেরাগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের সমুদ্রের নিচে ছড়িয়ে রয়েছে। এর বেশির ভাগই সমুদ্রের গভীর পর্বতমালা বা সিমাউন্ট এলাকায় পাওয়া গেছে।

ভবিষ্যৎ গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা

গবেষকরা বলছেন, নতুন আবিষ্কৃত সব ক্যালডেরা সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এমন নয়। তবে এগুলোর আকার, অবস্থান ও গঠন বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার পৃথিবীর অজানা অংশ সম্পর্কে নতুন তথ্য বের করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সমুদ্রের বিশাল অংশ এখনো মানুষের কাছে অজানা থাকায় এমন প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও বড় আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেন নেভিসে ফেলে রাখা গাঁজা খেয়ে অসুস্থ! পাহাড় থেকে উদ্ধার কালো ল্যাব্রাডর, সুস্থ হলো পরদিন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় সাগরের নিচে মিলল ৭৩টি অজানা আগ্নেয়গিরির চিহ্ন

০৬:২৭:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সাগরের গভীরে লুকিয়ে থাকা অজানা আগ্নেয়গিরির রহস্য উন্মোচনে বড় সাফল্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় গবেষকরা সমুদ্রের তলদেশে আগে অজানা থাকা ৭৩টি আগ্নেয়গিরির বিশাল গহ্বর বা ক্যালডেরা শনাক্ত করেছেন।

সারাক্ষণ রিপোর্ট জানায়, এই আবিষ্কার পৃথিবীর ভূগর্ভস্থ কার্যক্রম সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। গবেষকরা মনে করছেন, সমুদ্রের নিচে থাকা এসব আগ্নেয় কাঠামো ভবিষ্যতে ভূমিকম্প, সুনামি ও আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় মিলল নতুন তথ্য

গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমন একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, যা আগে মঙ্গল গ্রহের পৃষ্ঠে গর্ত শনাক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল। পরে এই প্রযুক্তি দিয়ে সমুদ্রের তলদেশের মানচিত্র বিশ্লেষণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রযুক্তিটি হাজার হাজার সম্ভাব্য কাঠামো শনাক্ত করে। পরে বিশেষজ্ঞদের যাচাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, এর মধ্যে ৭৩টি ক্যালডেরা আগে কখনো নথিভুক্ত হয়নি।

AI detects 73 new underwater volcanoes - could triple known calderas | The  latest National and International News - upday News

সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে থাকা আগ্নেয় রহস্য

ক্যালডেরা হলো আগ্নেয়গিরির এমন একটি বিশাল গর্ত, যা সাধারণত বড় ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের পর তৈরি হয়। অনেক সময় এগুলো দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকলেও ভূগর্ভে পরিবর্তন চলতে পারে।

নতুন শনাক্ত হওয়া ক্যালডেরাগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের সমুদ্রের নিচে ছড়িয়ে রয়েছে। এর বেশির ভাগই সমুদ্রের গভীর পর্বতমালা বা সিমাউন্ট এলাকায় পাওয়া গেছে।

ভবিষ্যৎ গবেষণায় নতুন সম্ভাবনা

গবেষকরা বলছেন, নতুন আবিষ্কৃত সব ক্যালডেরা সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এমন নয়। তবে এগুলোর আকার, অবস্থান ও গঠন বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার পৃথিবীর অজানা অংশ সম্পর্কে নতুন তথ্য বের করে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সমুদ্রের বিশাল অংশ এখনো মানুষের কাছে অজানা থাকায় এমন প্রযুক্তি ভবিষ্যতে আরও বড় আবিষ্কারের পথ খুলে দিতে পারে।