১০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল ‘সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ’ ম্যাচ, কড়া নিরাপত্তায় আটলান্টা ১৮ শতকের রুটির জাদু, প্রাচীন পদ্ধতিতে নতুন প্রজন্মের মুগ্ধতা হরমুজ প্রণালী নিরাপত্তায় ২০ শতাংশ ফি চাইল যুক্তরাষ্ট্র, তীব্র হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা বৈরিতা: ফুটবলের বাইরে দুই শতকের ইতিহাস, যুদ্ধ ও সম্পর্কের গল্প ভারতে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির দাবিতে অনশন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোনম ওয়াংচুকের বার্তা সুপ্রিম কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত, তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ রথযাত্রা উৎসবে বড় ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গে আয়োজকদের ৫ লাখ টাকা করে অনুদান আকাশ ছুঁতে মাটির নিচে শিল্পীর অনন্য যাত্রা, ডেনমার্কে খুলল শততম আলো-আকাশের স্থাপনা মনিপুর সংকট: কুকি-জোদের আলোচনার উদ্যোগে মিজোরামের দ্বারস্থ, শান্তির পথে নতুন চেষ্টা

আসামে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ে জোর মুখ্যমন্ত্রীর

আসামে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত ও আন্তঃরাজ্য পর্যায়ে সমন্বয় বাড়িয়ে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্যজুড়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস

নলবাড়ি জেলার দৌলাসালে রাজ্যব্যাপী মাদক ধ্বংস কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নয়টি জেলায় জব্দ করা প্রায় ৪৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জব্দ করা হেরোইন, গাঁজা, মেথামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কাশির সিরাপের বোতল রোড রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে মাদকের অবৈধ চলাচল নজরদারি, সীমান্তে পাচারকারী শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তাঁর ভাষায়, মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং এতে কোনো আপস করা হবে না।

পাঁচ বছরে হাজারো মামলা

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আসামে প্রায় ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকার মাদক ও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবিতকারী পদার্থ জব্দ হয়েছে। একই সময়ে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সীমান্তপথে পাচার ঠেকাতে নজরদারি

মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার থেকে মণিপুর ও মিজোরাম হয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রেই আসামকে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রানজিট রুট হিসেবে। এরপর এসব মাদক পশ্চিমবঙ্গ হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষানীতির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বারবার বদল

আসামে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ে জোর মুখ্যমন্ত্রীর

০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আসামে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত ও আন্তঃরাজ্য পর্যায়ে সমন্বয় বাড়িয়ে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্যজুড়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস

নলবাড়ি জেলার দৌলাসালে রাজ্যব্যাপী মাদক ধ্বংস কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নয়টি জেলায় জব্দ করা প্রায় ৪৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জব্দ করা হেরোইন, গাঁজা, মেথামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কাশির সিরাপের বোতল রোড রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে মাদকের অবৈধ চলাচল নজরদারি, সীমান্তে পাচারকারী শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তাঁর ভাষায়, মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং এতে কোনো আপস করা হবে না।

পাঁচ বছরে হাজারো মামলা

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আসামে প্রায় ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকার মাদক ও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবিতকারী পদার্থ জব্দ হয়েছে। একই সময়ে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সীমান্তপথে পাচার ঠেকাতে নজরদারি

মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার থেকে মণিপুর ও মিজোরাম হয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রেই আসামকে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রানজিট রুট হিসেবে। এরপর এসব মাদক পশ্চিমবঙ্গ হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।