১২:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘর গোছাতে গিয়ে যে ৬ ভুলে আরও বাড়ে অগোছালোভাব ছবিতে দারুণ, বাস্তবে বেমানান—অন্দরসজ্জার যে ১০ প্রবণতা এড়িয়ে চলার পরামর্শ বিশেষজ্ঞের হার্ভার্ডকে পেছনে ফেলে শীর্ষে চীনের ঝেজিয়াং বিশ্ববিদ্যালয়, যোগ দিলেন মার্কিন চিপ বিশেষজ্ঞ দুই দেশের গোয়েন্দাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, চীনে প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী গ্রেপ্তার লাতিন আমেরিকায় চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মহারণ, ঋণ থেকে প্রযুক্তি—কে দখলে নিচ্ছে দক্ষিণের উঠান? ট্রাম্প-শি বৈঠকের সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশ, তবে ভবিষ্যদ্বাণীর বাজারের এই হিসাব কতটা নির্ভরযোগ্য? সাংবাদিকদের শাস্তির হুমকি গণতন্ত্রের জন্য ‘বিপজ্জনক’, ট্রাম্পকে সতর্ক করলেন এফসিসি কমিশনার মাত্র ১৪ মিনিটের সতর্কবার্তায় বাঁচল নেপালের ৯০০ শিক্ষার্থীর প্রাণ জ্বালানি তেলের দাম সামলাতে ছোট শোধনাগারকে ১৮০ কোটি জৈবজ্বালানি ছাড় দিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র কৃষ্ণসাগরে শস্য রপ্তানি ফেরাতে নতুন পরিকল্পনা তুরস্কের, যোগাযোগ রাশিয়া-ইউক্রেনের সঙ্গে

আসামে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ে জোর মুখ্যমন্ত্রীর

আসামে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত ও আন্তঃরাজ্য পর্যায়ে সমন্বয় বাড়িয়ে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্যজুড়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস

নলবাড়ি জেলার দৌলাসালে রাজ্যব্যাপী মাদক ধ্বংস কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নয়টি জেলায় জব্দ করা প্রায় ৪৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জব্দ করা হেরোইন, গাঁজা, মেথামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কাশির সিরাপের বোতল রোড রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে মাদকের অবৈধ চলাচল নজরদারি, সীমান্তে পাচারকারী শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তাঁর ভাষায়, মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং এতে কোনো আপস করা হবে না।

পাঁচ বছরে হাজারো মামলা

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আসামে প্রায় ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকার মাদক ও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবিতকারী পদার্থ জব্দ হয়েছে। একই সময়ে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সীমান্তপথে পাচার ঠেকাতে নজরদারি

মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার থেকে মণিপুর ও মিজোরাম হয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রেই আসামকে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রানজিট রুট হিসেবে। এরপর এসব মাদক পশ্চিমবঙ্গ হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘর গোছাতে গিয়ে যে ৬ ভুলে আরও বাড়ে অগোছালোভাব

আসামে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ঘোষণা, আন্তঃরাজ্য সমন্বয়ে জোর মুখ্যমন্ত্রীর

০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

আসামে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, মাদক চক্রের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সীমান্ত ও আন্তঃরাজ্য পর্যায়ে সমন্বয় বাড়িয়ে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্যজুড়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস

নলবাড়ি জেলার দৌলাসালে রাজ্যব্যাপী মাদক ধ্বংস কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নয়টি জেলায় জব্দ করা প্রায় ৪৭২ কোটি ৫১ লাখ টাকার মাদক ধ্বংস করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে জব্দ করা হেরোইন, গাঁজা, মেথামফেটামিনসহ বিভিন্ন মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি অবৈধ কাশির সিরাপের বোতল রোড রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে মাদকের অবৈধ চলাচল নজরদারি, সীমান্তে পাচারকারী শনাক্তকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তাঁর ভাষায়, মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে থাকবে এবং এতে কোনো আপস করা হবে না।

পাঁচ বছরে হাজারো মামলা

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে আসামে প্রায় ৩ হাজার ২২৭ কোটি টাকার মাদক ও নিষিদ্ধ মনঃপ্রভাবিতকারী পদার্থ জব্দ হয়েছে। একই সময়ে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত আইনে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সীমান্তপথে পাচার ঠেকাতে নজরদারি

মুখ্যমন্ত্রী জানান, মিয়ানমার থেকে মণিপুর ও মিজোরাম হয়ে মাদক পাচারের প্রবণতা দীর্ঘদিনের উদ্বেগের বিষয়। অনেক ক্ষেত্রেই আসামকে ব্যবহার করা হচ্ছে ট্রানজিট রুট হিসেবে। এরপর এসব মাদক পশ্চিমবঙ্গ হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রত্যাশা

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে মাদকবিরোধী অভিযান আরও কার্যকর হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।