কর্ণাটকের মুকাম্বিকা মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য একটি স্ত্রী হাতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কর্ণাটক সরকার। এ নিয়ে কেরালার বন বিভাগের ওপর আবারও প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতে বন্দি হাতি হস্তান্তরের বিষয়টি সামনে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রীর চিঠিতে বিশেষ অনুরোধ
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি. কে. শিবকুমার কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে অনুরোধ করেছেন, কেরালার কোনো আগ্রহী মন্দির থেকে একটি স্ত্রী হাতি মুকাম্বিকা মন্দিরে দান বা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করতে। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনীয় সব আইন ও বিধি মেনে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে দুই রাজ্যের দীর্ঘদিনের আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।
আগে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল আরেক রাজ্যের আবেদন
এর আগে তেলেঙ্গানা সরকারও কেরালার সরকারি শিবিরে থাকা উদ্ধার করা হাতি চেয়েছিল। তবে সেই আবেদন কেরালা সরকার গ্রহণ করেনি বলে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
কেরালায় রয়েছে শতাধিক বন্দি হাতি
বর্তমানে কেরালার বিভিন্ন সরকারি শিবিরে প্রায় ৩০টি বন্দি হাতি রয়েছে। এসব শিবিরের মধ্যে কোট্টুর, ধোনি, মালায়াট্টুর ও কোন্নি উল্লেখযোগ্য। সব মিলিয়ে রাজ্যটিতে বন্দি হাতির সংখ্যা প্রায় ৩৬৮টি বলে ধারণা করা হয়।
হস্তান্তরের ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর নিয়ম
এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে হাতি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনি শর্ত মানতে হয়। যেসব হাতির মালিকানার সনদ ২০২৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির আগে ইস্যু হয়েছে এবং যাদের জিনগত তথ্য কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ইলেকট্রনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় নিবন্ধিত রয়েছে, কেবল সেসব হাতির ক্ষেত্রেই আন্তঃরাজ্য হস্তান্তরের অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।
কেরালার কাছে কর্ণাটকের এই নতুন অনুরোধ এখন কীভাবে বিবেচনা করা হবে, তা নিয়ে দুই রাজ্যের প্রশাসনিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।
কর্ণাটকের মুকাম্বিকা মন্দিরের জন্য কেরালার কাছে স্ত্রী হাতি চেয়েছে কর্ণাটক সরকার। বিষয়টি নিয়ে দুই রাজ্যের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















