০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা বিমানের ওয়েবসাইটে ‘অনটাইম’, বাস্তবে ২২ ঘণ্টা বিলম্ব: সিলেট-জেদ্দা ফ্লাইটে ৮ শতাধিক যাত্রীর দুর্ভোগ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ, বিষয়টি আমলে নেওয়ার আহ্বান আজহারির ঢাকা ক্লাবের ১৪০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মেইন লাউঞ্জ ঝুঁকিতে, জরুরি প্রকৌশল মূল্যায়নের তাগিদ ৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় ডিএমপি ব্যাংক এশিয়ার অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ, বেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা প্রতিবন্ধী সেবার অধিকার সংকুচিত হওয়ার শঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সিদ্ধান্ত বদলের আহ্বান খেলনা গাড়ির চাকার হুইলচেয়ারে নতুন জীবন পেল আহত বিড়ালছানা জেলাটো কাবেরীর পানি নিয়ে আবারও সুপ্রিম কোর্টে তামিলনাড়ু, কর্ণাটকের বিরুদ্ধে আদেশ অমান্যের অভিযোগ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজ মাঝআকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে গেল কেন? বর্ষার আকাশে টার্বুলেন্সের ঝুঁকি ব্যাখ্যা

ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াই, ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত ২৫টি অঙ্গরাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের কাছে শুল্ক কার্যকর স্থগিত, পদক্ষেপকে অবৈধ ঘোষণা এবং আদায় করা শুল্ক ফেরতের নির্দেশ চেয়েছে।

মামলাটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প সংগঠন সতর্ক করে বলছে, নতুন শুল্ক উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। এর আগে ২৪ জুলাই শুল্ক কার্যকর হওয়ার দিনই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি পৃথক জোটও একই নীতির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়।

আইনি চ্যালেঞ্জ বাড়ছে

সর্বশেষ মামলায় নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, অ্যারিজোনা, কলোরাডো, কানেকটিকাট, ডেলাওয়্যার ও হাওয়াইসহ ২৫টি অঙ্গরাজ্য অংশ নিয়েছে।

অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) ৬০টি অর্থনীতিকে নিয়ে তদন্ত দ্রুত শেষ করেছে, অথচ মার্কিন বাণিজ্য আইনে নির্ধারিত দেশভিত্তিক পরামর্শ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এছাড়া ভিন্ন ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতার দেশগুলোর জন্য প্রায় একই ধরনের শুল্কহার নির্ধারণের যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের সঙ্গে সব দেশের ওপর একযোগে শুল্ক আরোপের মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক নেই।

পূর্বের সিদ্ধান্তও আদালতে ধাক্কা খেয়েছে

এটি ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে প্রথম আইনি চ্যালেঞ্জ নয়। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার আইনের আওতায় আরোপিত বিস্তৃত শুল্ক বাতিল করে। পরে মে মাসে কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডও অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন মামলাটি ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির আইনি ভিত্তি কতটা দুর্বল, সেটিই সামনে নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনেরও প্রতিফলন।

সেকশন ৩০১ শুল্ক নিয়ে বিতর্ক

২৪ জুলাই ইউএসটিআর সেকশন ৩০১ তদন্তের ভিত্তিতে ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করে। চীনা পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কহার নির্ধারণ করা হয় ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, নির্দিষ্ট পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে পুরো একটি দেশের অধিকাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ আইনি ও বাস্তব উভয় দিক থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের দাবি, এই ধরনের বিস্তৃত ব্যবস্থা সেকশন ৩০১-এর উদ্দেশ্যেরও সম্প্রসারণ ও অপব্যবহার।

অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্লেষকদের মতে, আগের শুল্কনীতিও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বা উৎপাদন খাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করতে পারেনি। সরকারি তথ্য এবং শিল্প সূচকের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা বলেন, ২০২৫ সালজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদনে উৎপাদন খাতের অংশ ১০ শতাংশের নিচেই ছিল।

অন্যদিকে কানাডা, জার্মানি ও পেরুসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনও নতুন শুল্কের বিরোধিতা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, আন্তঃসংযুক্ত সরবরাহ শৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাণিজ্যও বাধাগ্রস্ত হবে।

ব্রাজিল ইতোমধ্যে এ বিরোধ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় উত্থাপন করেছে। একই সময়ে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের মূল্য আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এদিকে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগকে ভিত্তি করে একতরফা শুল্ক আরোপ এক ধরনের একপাক্ষিকতা ও সংরক্ষণবাদ। যুক্তরাষ্ট্রকে এই নীতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বেইজিং বলেছে, প্রয়োজনে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সেকশন ৩০১ শুল্কের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা যুক্তরাষ্ট্রে আইনি ও বাণিজ্যিক বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে সিএনজি সংকট: পাম্পে গ্যাসের চাপ কমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে চালকরা, দুর্ভোগে যাত্রীরা

ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াই, ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা

০৮:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সর্বশেষ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত ২৫টি অঙ্গরাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট তার আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডের কাছে শুল্ক কার্যকর স্থগিত, পদক্ষেপকে অবৈধ ঘোষণা এবং আদায় করা শুল্ক ফেরতের নির্দেশ চেয়েছে।

মামলাটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও শিল্প সংগঠন সতর্ক করে বলছে, নতুন শুল্ক উৎপাদন ব্যয় বাড়াবে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। এর আগে ২৪ জুলাই শুল্ক কার্যকর হওয়ার দিনই ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি পৃথক জোটও একই নীতির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়।

আইনি চ্যালেঞ্জ বাড়ছে

সর্বশেষ মামলায় নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, অ্যারিজোনা, কলোরাডো, কানেকটিকাট, ডেলাওয়্যার ও হাওয়াইসহ ২৫টি অঙ্গরাজ্য অংশ নিয়েছে।

অঙ্গরাজ্যগুলোর অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) ৬০টি অর্থনীতিকে নিয়ে তদন্ত দ্রুত শেষ করেছে, অথচ মার্কিন বাণিজ্য আইনে নির্ধারিত দেশভিত্তিক পরামর্শ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। এছাড়া ভিন্ন ভিন্ন অর্থনৈতিক বাস্তবতার দেশগুলোর জন্য প্রায় একই ধরনের শুল্কহার নির্ধারণের যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দেওয়া হয়নি।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থায় জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের সঙ্গে সব দেশের ওপর একযোগে শুল্ক আরোপের মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক নেই।

পূর্বের সিদ্ধান্তও আদালতে ধাক্কা খেয়েছে

এটি ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির বিরুদ্ধে প্রথম আইনি চ্যালেঞ্জ নয়। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট জাতীয় জরুরি অবস্থার আইনের আওতায় আরোপিত বিস্তৃত শুল্ক বাতিল করে। পরে মে মাসে কোর্ট অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডও অস্থায়ী ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের বিরুদ্ধে রায় দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন মামলাটি ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কনীতির আইনি ভিত্তি কতটা দুর্বল, সেটিই সামনে নিয়ে এসেছে। একই সঙ্গে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনেরও প্রতিফলন।

সেকশন ৩০১ শুল্ক নিয়ে বিতর্ক

২৪ জুলাই ইউএসটিআর সেকশন ৩০১ তদন্তের ভিত্তিতে ৬০টি বাণিজ্য অংশীদারের ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত নতুন শুল্ক আরোপ করে। চীনা পণ্যের ক্ষেত্রে শুল্কহার নির্ধারণ করা হয় ১২ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট অর্থনীতিগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, নির্দিষ্ট পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে পুরো একটি দেশের অধিকাংশ পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ আইনি ও বাস্তব উভয় দিক থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। তাদের দাবি, এই ধরনের বিস্তৃত ব্যবস্থা সেকশন ৩০১-এর উদ্দেশ্যেরও সম্প্রসারণ ও অপব্যবহার।

অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

বিশ্লেষকদের মতে, আগের শুল্কনীতিও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বা উৎপাদন খাতকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করতে পারেনি। সরকারি তথ্য এবং শিল্প সূচকের উদ্ধৃতি দিয়ে তারা বলেন, ২০২৫ সালজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদনে উৎপাদন খাতের অংশ ১০ শতাংশের নিচেই ছিল।

অন্যদিকে কানাডা, জার্মানি ও পেরুসহ বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী সংগঠনও নতুন শুল্কের বিরোধিতা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, আন্তঃসংযুক্ত সরবরাহ শৃঙ্খল ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাণিজ্যও বাধাগ্রস্ত হবে।

ব্রাজিল ইতোমধ্যে এ বিরোধ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় উত্থাপন করেছে। একই সময়ে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, উন্নয়নশীল দেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্যের মূল্য আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

এদিকে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগকে ভিত্তি করে একতরফা শুল্ক আরোপ এক ধরনের একপাক্ষিকতা ও সংরক্ষণবাদ। যুক্তরাষ্ট্রকে এই নীতি প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বেইজিং বলেছে, প্রয়োজনে তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সেকশন ৩০১ শুল্কের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা যুক্তরাষ্ট্রে আইনি ও বাণিজ্যিক বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে।