০৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম? পাঞ্জাবই কি পাকিস্তান? ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণে বাড়ছে প্রাদেশিক বৈষম্য

সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮

সিলেট বিভাগে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মৃত দুই শিশুর পরিচয়

মারা যাওয়া শিশুদের একজন সিলেট সদর উপজেলার ১১ মাস বয়সী অভিনন্দন দাস এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ১৮ মাস বয়সী জান্নাত। তারা দুজনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

নতুন শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি

একই ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ২৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১১৯ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫৪ জনকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং ৫১ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি রোগীরা বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এখনও চিকিৎসাধীন তিন শতাধিক রোগী

ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামে আক্রান্ত তিন শতাধিক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হওয়া এবং হাসপাতালে ভর্তি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

সিলেট বিভাগে সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। নতুন দুই শিশুর মৃত্যু এবং নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় বিভাগের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ

সিলেটে হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৮

০১:১০:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

সিলেট বিভাগে হাম পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে বিভাগে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হাম-সম্পর্কিত মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৮।

বুধবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

মৃত দুই শিশুর পরিচয়

মারা যাওয়া শিশুদের একজন সিলেট সদর উপজেলার ১১ মাস বয়সী অভিনন্দন দাস এবং অন্যজন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ১৮ মাস বয়সী জান্নাত। তারা দুজনই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

নতুন শনাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি

একই ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে ২৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে আরও ১১৯ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ৫৪ জনকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে এবং ৫১ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি রোগীরা বিভাগের অন্যান্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এখনও চিকিৎসাধীন তিন শতাধিক রোগী

ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামে আক্রান্ত তিন শতাধিক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হওয়া এবং হাসপাতালে ভর্তি অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

সিলেট বিভাগে সাম্প্রতিক সময়ে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। নতুন দুই শিশুর মৃত্যু এবং নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার ঘটনায় বিভাগের স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।