০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
ইনফান্তিনোকে ঘিরে ফিফায় নতুন চাপ, যৌথ চিঠিতে তিন মহাদেশীয় সংস্থার কড়া বার্তা শিশুর ভবিষ্যৎ ‘নিট’ হবে কি না, তা শিক্ষকের কাজ নয় ডেমোক্র্যাটদের সামনে ২০২৮-এর বড় প্রশ্ন: শুধু ট্রাম্পবিরোধিতা কি যথেষ্ট? ভারতে ইংরেজি: ঔপনিবেশিক ভাষা থেকে ভারতীয় জীবনের নিজস্ব ভাষা ২৭ আগস্ট বসছে জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন লোকসভার হট্টগোলে বিতর্ক ছাড়াই ট্রাইব্যুনাল সংস্কার বিল পাস ১৭ বছর পর বিশ্ব ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, পাখি-বানর ঠেকাতেও অভিনব প্রস্তুতি স্যামসাং ও চীনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঠেকাতে সনির সঙ্গে বিরল জোটে টিএসএমসি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন কুষ্টিয়ায় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন

এক দশক পর নড়েচড়ে বসেছে উত্তর কোরিয়া-চীন সেতু, খুলতে চলছে নতুন বাণিজ্যপথ

উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৪ সালে নির্মাণ শেষ হলেও এতদিন চালু হয়নি ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ’। তবে সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার প্রান্তে অবকাঠামো নির্মাণের তৎপরতা দেখা যাওয়ায় সেতুটি চালুর সম্ভাবনা নতুন করে জোরালো হয়েছে।

চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদং থেকে ইয়ালু নদীর ওপারে তাকালে উত্তর কোরিয়ার অংশে বড় ধরনের নির্মাণকাজ চোখে পড়ছে। ২০২৫ সালের বসন্তের দিকে শুরু হওয়া এসব কাজে একটি বহুতল ভবন, নতুন স্থাপনা এবং সেতুর কাছাকাছি আরও কিছু অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে একটি ভবন যেখানে কেবল কংক্রিটের কাঠামো ছিল, চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে সেখানে জানালা বসানো ও রং করার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে।

শুল্ক ও অভিবাসন কেন্দ্র নির্মাণ

উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণেও সেতুটির আশপাশে নতুন তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে। সেখানে গুদামঘর, শুল্ককেন্দ্র ও অভিবাসন-সংক্রান্ত স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে বলে বিশ্লেষণে দেখা গেছে।

সেতুটি এতদিন কেন চালু হয়নি, সে বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং উত্তর কোরিয়ার অংশে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যানবাহন ও পণ্য সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর অন্যতম কারণ হতে পারে।

পুরোনো সেতুর ওপর বাড়ছে চাপ

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রধান স্থলপথ হলো ‘সিনো-কোরিয়ান ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’, যা নতুন সেতু থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান নির্মিত এই পুরোনো সেতুটি এখন অনেকটাই জরাজীর্ণ।

সেতুটিতে গাড়ি চলাচলের জন্য মাত্র একটি লেন এবং রেল চলাচলের জন্য একটি ট্র্যাক রয়েছে। ফলে একই সময়ে উভয় দিকের যানবাহন চলাচল সম্ভব হয় না। এর বিপরীতে নতুন ইয়ালু নদী সেতুতে উভয় দিকে দুটি করে গাড়ির লেন রয়েছে। সেতুটি চালু হলে দুই দেশের সীমান্ত বাণিজ্যে বড় ধরনের গতি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

North Korea-China bridge unused for over a decade is stirring - Nikkei Asia

বাড়ছে চীন-উত্তর কোরিয়া বাণিজ্য

চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ইতোমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দুই দেশের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫১ কোটি ডলারে, যা নয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় এই বাণিজ্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া টাংস্টেন আকরিক রপ্তানিও বাড়িয়েছে। চীনের সীমান্তবর্তী দানদং শহরের বহু মানুষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে নতুন সেতু চালু হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের শুরুতে দানদংয়ের মেয়রের একটি নীতিবিবৃতিতে নতুন ইয়ালু নদী সেতুতে শুল্কসুবিধা চালুর দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

উষ্ণ হচ্ছে বেইজিং-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক

সেতু চালুর তৎপরতার পেছনে চীন ও উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক সম্পর্কোন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় দুই দেশের সীমান্তে মানুষ ও পণ্য চলাচল ব্যাপকভাবে কমে যায়। মহামারির পর উত্তর কোরিয়া সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ালেও চীনের সঙ্গে সম্পর্কও সাম্প্রতিক সময়ে আবার উষ্ণ হতে শুরু করেছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ওই সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন এবং একটি সামরিক কুচকাওয়াজেও অংশ নেন।

এরপর চলতি বছরের জুনে শি জিনপিং সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার উত্তর কোরিয়া সফর করেন এবং পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর চীনা নেতার বক্তব্যে দুই দেশের মানুষের জন্য বাস্তব সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।

এবার কি সত্যিই খুলবে সেতু?

দানদংয়ের ব্যবসায়ী মহলে নতুন সেতু চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশা রয়েছে। তবে অতীতে প্রতিবছরই সেতুটি চালু হওয়ার গুঞ্জন উঠলেও বাস্তবে তা হয়নি।

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় প্রতি বছরই শোনা যায় যে এবার সেতুটি নিশ্চিতভাবেই চালু হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর চালু হয়নি।

এবার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। উত্তর কোরিয়ার প্রান্তে নির্মাণকাজ এগিয়ে চলা, শুল্ক ও অভিবাসনকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ এবং দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি—সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সেতুটি বাস্তবে চালুর প্রস্তুতি চলছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

সেতুটি চালু হলে শুধু সীমান্ত যোগাযোগই নয়, চীন-উত্তর কোরিয়া বাণিজ্যেও নতুন গতি আসতে পারে। একই সঙ্গে দানদং অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিও এর সুফল পেতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনফান্তিনোকে ঘিরে ফিফায় নতুন চাপ, যৌথ চিঠিতে তিন মহাদেশীয় সংস্থার কড়া বার্তা

এক দশক পর নড়েচড়ে বসেছে উত্তর কোরিয়া-চীন সেতু, খুলতে চলছে নতুন বাণিজ্যপথ

০৫:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

উত্তর কোরিয়া ও চীনের মধ্যে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু আবারও আলোচনায় এসেছে। ২০১৪ সালে নির্মাণ শেষ হলেও এতদিন চালু হয়নি ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘নিউ ইয়ালু রিভার ব্রিজ’। তবে সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার প্রান্তে অবকাঠামো নির্মাণের তৎপরতা দেখা যাওয়ায় সেতুটি চালুর সম্ভাবনা নতুন করে জোরালো হয়েছে।

চীনের সীমান্তবর্তী শহর দানদং থেকে ইয়ালু নদীর ওপারে তাকালে উত্তর কোরিয়ার অংশে বড় ধরনের নির্মাণকাজ চোখে পড়ছে। ২০২৫ সালের বসন্তের দিকে শুরু হওয়া এসব কাজে একটি বহুতল ভবন, নতুন স্থাপনা এবং সেতুর কাছাকাছি আরও কিছু অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে। গত বছরের অক্টোবরে একটি ভবন যেখানে কেবল কংক্রিটের কাঠামো ছিল, চলতি বছরের জুলাইয়ের শেষ দিকে সেখানে জানালা বসানো ও রং করার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে।

শুল্ক ও অভিবাসন কেন্দ্র নির্মাণ

উপগ্রহচিত্র বিশ্লেষণেও সেতুটির আশপাশে নতুন তৎপরতার বিষয়টি উঠে এসেছে। সেখানে গুদামঘর, শুল্ককেন্দ্র ও অভিবাসন-সংক্রান্ত স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে বলে বিশ্লেষণে দেখা গেছে।

সেতুটি এতদিন কেন চালু হয়নি, সে বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেতৃত্বের পরিবর্তন এবং উত্তর কোরিয়ার অংশে সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করা যানবাহন ও পণ্য সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এর অন্যতম কারণ হতে পারে।

পুরোনো সেতুর ওপর বাড়ছে চাপ

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের প্রধান স্থলপথ হলো ‘সিনো-কোরিয়ান ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’, যা নতুন সেতু থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান নির্মিত এই পুরোনো সেতুটি এখন অনেকটাই জরাজীর্ণ।

সেতুটিতে গাড়ি চলাচলের জন্য মাত্র একটি লেন এবং রেল চলাচলের জন্য একটি ট্র্যাক রয়েছে। ফলে একই সময়ে উভয় দিকের যানবাহন চলাচল সম্ভব হয় না। এর বিপরীতে নতুন ইয়ালু নদী সেতুতে উভয় দিকে দুটি করে গাড়ির লেন রয়েছে। সেতুটি চালু হলে দুই দেশের সীমান্ত বাণিজ্যে বড় ধরনের গতি আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

North Korea-China bridge unused for over a decade is stirring - Nikkei Asia

বাড়ছে চীন-উত্তর কোরিয়া বাণিজ্য

চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য ইতোমধ্যেই বাড়তে শুরু করেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দুই দেশের পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫১ কোটি ডলারে, যা নয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় এই বাণিজ্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া টাংস্টেন আকরিক রপ্তানিও বাড়িয়েছে। চীনের সীমান্তবর্তী দানদং শহরের বহু মানুষ উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে নতুন সেতু চালু হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

চলতি বছরের শুরুতে দানদংয়ের মেয়রের একটি নীতিবিবৃতিতে নতুন ইয়ালু নদী সেতুতে শুল্কসুবিধা চালুর দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

উষ্ণ হচ্ছে বেইজিং-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক

সেতু চালুর তৎপরতার পেছনে চীন ও উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক সম্পর্কোন্নয়নও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারির সময় দুই দেশের সীমান্তে মানুষ ও পণ্য চলাচল ব্যাপকভাবে কমে যায়। মহামারির পর উত্তর কোরিয়া সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ালেও চীনের সঙ্গে সম্পর্কও সাম্প্রতিক সময়ে আবার উষ্ণ হতে শুরু করেছে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের চীন সফরের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ওই সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ছয় বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো বৈঠক করেন এবং একটি সামরিক কুচকাওয়াজেও অংশ নেন।

এরপর চলতি বছরের জুনে শি জিনপিং সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার উত্তর কোরিয়া সফর করেন এবং পিয়ংইয়ংয়ে কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর চীনা নেতার বক্তব্যে দুই দেশের মানুষের জন্য বাস্তব সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।

এবার কি সত্যিই খুলবে সেতু?

দানদংয়ের ব্যবসায়ী মহলে নতুন সেতু চালুর বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশা রয়েছে। তবে অতীতে প্রতিবছরই সেতুটি চালু হওয়ার গুঞ্জন উঠলেও বাস্তবে তা হয়নি।

স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রায় প্রতি বছরই শোনা যায় যে এবার সেতুটি নিশ্চিতভাবেই চালু হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আর চালু হয়নি।

এবার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। উত্তর কোরিয়ার প্রান্তে নির্মাণকাজ এগিয়ে চলা, শুল্ক ও অভিবাসনকেন্দ্র তৈরির উদ্যোগ এবং দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নতি—সব মিলিয়ে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা সেতুটি বাস্তবে চালুর প্রস্তুতি চলছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

সেতুটি চালু হলে শুধু সীমান্ত যোগাযোগই নয়, চীন-উত্তর কোরিয়া বাণিজ্যেও নতুন গতি আসতে পারে। একই সঙ্গে দানদং অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনীতিও এর সুফল পেতে পারে।