০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা, বিদ্রোহী এমপিদের আবেদনে অবস্থান ব্যাখ্যার আহ্বান স্পিকারের ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ মহিষ এখন ঢাকার চিড়িয়াখানায়, বিশ্বজুড়ে ভাইরাল বাংলাদেশের অ্যালবিনো মহিষ বিটিএস-মাডোনা-শাকিরা একসঙ্গে, বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতিহাসের প্রথম হাফটাইম শো দৃশ্যম ৩ আগামীকাল অ্যামাজন প্রাইমে, ৩৩০ কোটি রুপির ব্লকবাস্টার এবার ঘরে বসেই দেখুন রাইজের নতুন অ্যালবাম ‘II’ প্রথম দিনেই ৯ লাখ কপি বিক্রি, ‘Do Your Dance’ এখন বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ডিং চার বছর পর মাঠে বিটিএস, পুসানে দুই রাতে ১,১০,০০০ দর্শক ঝড় তুলল বিশ্বকাপ অভিষেকেই হ্যালান্ডের জোড়া গোল, নরওয়ে ইরাককে ৪-১ উড়িয়ে দিল আজ রাতে ইংল্যান্ড বনাম ক্রোয়েশিয়া, মডরিচের শেষ বিশ্বকাপে ২০১৮-এর প্রতিশোধের সুযোগ এমবাপে ফ্রান্সের সর্বকালের সেরা গোলদাতা, সেনেগালের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জোড়া গোলে রেকর্ড মেসির হ্যাট্রিকে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু, কিলোজের ১৬ গোলের রেকর্ড ছুঁলেন

ডায়ানার আইকনিক ফটোগুলির পিছনের গল্প

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • 155

ডায়ানা ,প্রিন্সেস অব ওয়েলস

সারাক্ষণ ডেস্ক

লন্ডনে নতুন একটি প্রদর্শনীতে প্রিন্সেস ডায়ানার কিছু অবিস্মরণীয় ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে তার দাম্পত্য জীবনের “প্রতিশোধের পোষাক” যা রাজকীয় প্রোটোকল ভেঙ্গেছিল এবং একজন এইডস রোগীর সাথে তার হ্যান্ডশেক যা বিশ্বের অসুস্থদের সাথে আচরণ করার পদ্ধতিকে বদলে দিয়েছিল।

প্রদর্শনীটি লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের ঠিক উত্তরে ডকসাইড ভল্টসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রদর্শনীটি ২৫ মে থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। ডায়ানার জীবনকে একজন মানবিক মানুষ, একজন মমতাময়ী মা এবং একজন ফ্যাশন আইকন হিসাবে চিহ্নিত করেছে এই ছবিগুলো। এটি বিখ্যাত রাজকীয় ফটোগ্রাফার আনোয়ার হুসেন, যার বয়স এখন ৮৫, তার একটি চমৎকার সংকলন। উল্লেখ্য, আনোয়ার হুসেন, ডায়ানার ১৯ বছর বয়স থেকেই ছবি তুলতে শুরু করেছিলেন।

প্রদর্শনী শুরুর আগে আনোয়ার সিএনএনকে বলেছিলেন, “প্রথমে, কেউ কেউ আমাকে বলেছিল ‘আপনি রাজপরিবারের ছবি তুলতে পারবেন না,'”  “আমি বললাম, ‘কেন নয়? আমি একটি পরিবর্তন চাই।’ আমি রক অ্যান্ড রোলের ছবি করেছিলাম যেখানে বব মার্লে, এলটন জন, দ্য বিটলস এর মতো বিখ্যাতরা ছিল। কিন্তু তারপরে আমি শো ব্যবসায় বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম।

ভল্টের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেলে দেখা মেলে আনোয়ারের দুই ছেলে সামির, ৪৫, এবং জাকের, ৪৩ এর সাথে যারা সিএনএন-কে প্রদর্শনীটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল। এই জুটি তাদের বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজকীয় ফটোগ্রাফার হয়ে উঠেছে। ভাইরাল হয়েছে রাজপরিবারের তরুণ প্রজন্মের অনেক ছবি।

“ডায়ানা সত্যিই দায়িত্বকে কাঁধে নিয়েছিলেন, বিশেষত রাজপরিবারের জন্য। তবে সে ব্যাপারটি অনেক বদলে গেছে। যে জিনিসগুলি এখন স্বাভাবিক হিসাবে দেখা যায়, যেমন কেট বা মেগান যা পরেন সেই সব আরকি। কিন্তু এটি আসলেই ডায়ানা ছিলেন যিনি সব বদলে দিয়েছিলেন।” ফ্লোর-টু-সিলিং সমান একটা ছবির সামনে দাঁড়িয়ে সামির বলছিলেন এসব কথা।এটি ছিল ডায়ানার কাছে “প্রতিশোধের পোষাক”, রংটি ছিল কালো। যেদিন স্বামী  চার্লস প্রকাশ্যে নিজের ব্যভিচারের কথা স্বীকার করেছিলেন সেই দিনেই একটি ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে তোলা হয়েছিল৷

ডায়ানা, ওয়েলসের প্রয়াত রাজকুমারী ১৯৯৪ সালের নভেম্বরে সার্পেন্টাইন গ্যালারিতে ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে যোগ দেন।

ডায়ানা, ওয়েলসের প্রয়াত রাজকুমারী ১৯৯৪ সালের নভেম্বরে সার্পেন্টাইন গ্যালারিতে একটি ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। তার সেই বিখ্যাত কালো “প্রতিশোধের পোশাক” টি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যেদিন তৎকালীন প্রিন্স চার্লস তার কুখ্যাত ব্যভিচারের কথা প্রকাশ্যে টেলিভিশনের পর্দায় স্বীকার করেছিলেন। সেই সন্ধ্যায় পরা হয়েছিল।

আনোয়ারের জন্য, এটি একটি খুব আলাদা ছবি যা তার কাছে আলাদা। ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে একটি হাসপাতালে ভ্রমণের সময় একজন তরুণ ক্যান্সার রোগীকে জড়িয়ে ধরে ডায়ানার একটি ছবির দিকে তাকিয়ে তিনি বলেছিলেন, “এটি ডায়ানার খুব প্রিয় ছিল।”

“ছেলেটি অন্ধ ছিল। তিনি এই সমস্ত রাসায়নিকের গন্ধ পেয়েছিলেন যেগুলি তারা ব্যবহার করছে, কিন্তু সে পাত্তা দেয়নি এবং সে তাকে জড়িয়ে ধরেছিল,” আনোয়ার বলেছিলেন। “পরে, রোগীটি মারা যান এবং তিনি িএ খবরটি পেয়ে খুব ব্যথিত হয়েছিলেন। এটা ডায়ানার উচ্চতর মানবিকতারই বহি:প্রকাশ।”

১৯৯৬ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের লাহোরে ইমরান খানের ক্যান্সার হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় ডায়ানা একটি শিশুকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। (ছবি- আনোয়ার হোসেন)

বছরের পর বছর ধরে, আনোয়ার এবং তার ছেলেরা রাজপরিবারের কয়েক হাজার ছবি তুলেছেন। তবে একটি শব্দ আছে, যা প্রদর্শনে থাকা চিত্রগুলিকে ঘণীভূত করে বলে মনে হচ্ছে : সেটা হলো “উত্তরাধিকার”।

“আমরা চাইনি প্রদর্শনীটি বিতর্কিত হোক। আমরা চেয়েছিলাম এটি ডায়ানার জীবন এবং তার উত্তরাধিকারের উদযাপন হোক,” তিনি বলেছিলেন। “আমাদের ‘দ্য ক্রাউন’ ছিল, ডায়ানাকে নিয়ে আমাদের চলচ্চিত্র ছিল, তাই মনে হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্ম এটি অনুভব করছে।”

সামির এবং জাকের জন্য, তাদের বাবার প্রভাবও তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

 ১৯৯২ সালে তোলা প্রথম ছবিতে, ডায়ানা ভারতের তাজমহলের সামনে একা বসে আছেন। 

জাক তার বাবার স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, তাজমহল পরিদর্শনের দিন বাবাকে বলা হয়েছিল যে চার্লসের অন্যান্য ব্যস্ততা ছিল, তাই ডায়ানা তাকে ছাড়াই চলে গিয়েছে।  “তিনি ভালবাসার এই স্মৃতিস্তম্ভের সামনে সামনে পোজ দিয়েছিলেন । তার পরপরই  তারা তাদের বিচ্ছেদ ঘোষণা করে।

প্রায় ২৪ বছর পরে, জাক প্রিন্স উইলিয়াম এবং তার স্ত্রী ক্যাথরিনের ছবি তুলতে একই জায়গায় ফিরে আসেন। জাক নতুন কিছু ভাবলেন, “তারা কি সেখানে ডায়ানার ঘটনার পূনরাবৃত্তি করবে?”

জাক বলল “তারা এসে বেঞ্চে বসল, কিন্তু এবার দেখা গেল ভিন্ন দুজন মানুষকে যারা পরষ্পরকে খুব ভালোবাসে।”

নানা কারনেই প্রদর্শনীটি দুই পরিবারের জন্য একটি প্রেম পত্র: লেন্সের পিছনে হুসেইন, এর সামনে রাজকীয়দের একাধিক প্রজন্ম। “(আমাদের বাবা) এর আগে এমন কিছু করেননি,” সামির বলেন।”

প্রদর্শনীর টিকিট, যা £১৭ (প্রায় $২২) থেকে শুরু হয়, এর মধ্যে রয়েছে ৬০-মিনিটের অডিও প্যাকেজও যা ছবির বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে।।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা, বিদ্রোহী এমপিদের আবেদনে অবস্থান ব্যাখ্যার আহ্বান স্পিকারের

ডায়ানার আইকনিক ফটোগুলির পিছনের গল্প

০৭:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

লন্ডনে নতুন একটি প্রদর্শনীতে প্রিন্সেস ডায়ানার কিছু অবিস্মরণীয় ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে তার দাম্পত্য জীবনের “প্রতিশোধের পোষাক” যা রাজকীয় প্রোটোকল ভেঙ্গেছিল এবং একজন এইডস রোগীর সাথে তার হ্যান্ডশেক যা বিশ্বের অসুস্থদের সাথে আচরণ করার পদ্ধতিকে বদলে দিয়েছিল।

প্রদর্শনীটি লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের ঠিক উত্তরে ডকসাইড ভল্টসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রদর্শনীটি ২৫ মে থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। ডায়ানার জীবনকে একজন মানবিক মানুষ, একজন মমতাময়ী মা এবং একজন ফ্যাশন আইকন হিসাবে চিহ্নিত করেছে এই ছবিগুলো। এটি বিখ্যাত রাজকীয় ফটোগ্রাফার আনোয়ার হুসেন, যার বয়স এখন ৮৫, তার একটি চমৎকার সংকলন। উল্লেখ্য, আনোয়ার হুসেন, ডায়ানার ১৯ বছর বয়স থেকেই ছবি তুলতে শুরু করেছিলেন।

প্রদর্শনী শুরুর আগে আনোয়ার সিএনএনকে বলেছিলেন, “প্রথমে, কেউ কেউ আমাকে বলেছিল ‘আপনি রাজপরিবারের ছবি তুলতে পারবেন না,'”  “আমি বললাম, ‘কেন নয়? আমি একটি পরিবর্তন চাই।’ আমি রক অ্যান্ড রোলের ছবি করেছিলাম যেখানে বব মার্লে, এলটন জন, দ্য বিটলস এর মতো বিখ্যাতরা ছিল। কিন্তু তারপরে আমি শো ব্যবসায় বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম।

ভল্টের ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্কের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেলে দেখা মেলে আনোয়ারের দুই ছেলে সামির, ৪৫, এবং জাকের, ৪৩ এর সাথে যারা সিএনএন-কে প্রদর্শনীটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছিল। এই জুটি তাদের বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজকীয় ফটোগ্রাফার হয়ে উঠেছে। ভাইরাল হয়েছে রাজপরিবারের তরুণ প্রজন্মের অনেক ছবি।

“ডায়ানা সত্যিই দায়িত্বকে কাঁধে নিয়েছিলেন, বিশেষত রাজপরিবারের জন্য। তবে সে ব্যাপারটি অনেক বদলে গেছে। যে জিনিসগুলি এখন স্বাভাবিক হিসাবে দেখা যায়, যেমন কেট বা মেগান যা পরেন সেই সব আরকি। কিন্তু এটি আসলেই ডায়ানা ছিলেন যিনি সব বদলে দিয়েছিলেন।” ফ্লোর-টু-সিলিং সমান একটা ছবির সামনে দাঁড়িয়ে সামির বলছিলেন এসব কথা।এটি ছিল ডায়ানার কাছে “প্রতিশোধের পোষাক”, রংটি ছিল কালো। যেদিন স্বামী  চার্লস প্রকাশ্যে নিজের ব্যভিচারের কথা স্বীকার করেছিলেন সেই দিনেই একটি ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে তোলা হয়েছিল৷

ডায়ানা, ওয়েলসের প্রয়াত রাজকুমারী ১৯৯৪ সালের নভেম্বরে সার্পেন্টাইন গ্যালারিতে ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে যোগ দেন।

ডায়ানা, ওয়েলসের প্রয়াত রাজকুমারী ১৯৯৪ সালের নভেম্বরে সার্পেন্টাইন গ্যালারিতে একটি ভ্যানিটি ফেয়ার পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন। তার সেই বিখ্যাত কালো “প্রতিশোধের পোশাক” টি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল যেদিন তৎকালীন প্রিন্স চার্লস তার কুখ্যাত ব্যভিচারের কথা প্রকাশ্যে টেলিভিশনের পর্দায় স্বীকার করেছিলেন। সেই সন্ধ্যায় পরা হয়েছিল।

আনোয়ারের জন্য, এটি একটি খুব আলাদা ছবি যা তার কাছে আলাদা। ১৯৯৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে একটি হাসপাতালে ভ্রমণের সময় একজন তরুণ ক্যান্সার রোগীকে জড়িয়ে ধরে ডায়ানার একটি ছবির দিকে তাকিয়ে তিনি বলেছিলেন, “এটি ডায়ানার খুব প্রিয় ছিল।”

“ছেলেটি অন্ধ ছিল। তিনি এই সমস্ত রাসায়নিকের গন্ধ পেয়েছিলেন যেগুলি তারা ব্যবহার করছে, কিন্তু সে পাত্তা দেয়নি এবং সে তাকে জড়িয়ে ধরেছিল,” আনোয়ার বলেছিলেন। “পরে, রোগীটি মারা যান এবং তিনি িএ খবরটি পেয়ে খুব ব্যথিত হয়েছিলেন। এটা ডায়ানার উচ্চতর মানবিকতারই বহি:প্রকাশ।”

১৯৯৬ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানের লাহোরে ইমরান খানের ক্যান্সার হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় ডায়ানা একটি শিশুকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। (ছবি- আনোয়ার হোসেন)

বছরের পর বছর ধরে, আনোয়ার এবং তার ছেলেরা রাজপরিবারের কয়েক হাজার ছবি তুলেছেন। তবে একটি শব্দ আছে, যা প্রদর্শনে থাকা চিত্রগুলিকে ঘণীভূত করে বলে মনে হচ্ছে : সেটা হলো “উত্তরাধিকার”।

“আমরা চাইনি প্রদর্শনীটি বিতর্কিত হোক। আমরা চেয়েছিলাম এটি ডায়ানার জীবন এবং তার উত্তরাধিকারের উদযাপন হোক,” তিনি বলেছিলেন। “আমাদের ‘দ্য ক্রাউন’ ছিল, ডায়ানাকে নিয়ে আমাদের চলচ্চিত্র ছিল, তাই মনে হচ্ছে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রজন্ম এটি অনুভব করছে।”

সামির এবং জাকের জন্য, তাদের বাবার প্রভাবও তাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে।

 ১৯৯২ সালে তোলা প্রথম ছবিতে, ডায়ানা ভারতের তাজমহলের সামনে একা বসে আছেন। 

জাক তার বাবার স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, তাজমহল পরিদর্শনের দিন বাবাকে বলা হয়েছিল যে চার্লসের অন্যান্য ব্যস্ততা ছিল, তাই ডায়ানা তাকে ছাড়াই চলে গিয়েছে।  “তিনি ভালবাসার এই স্মৃতিস্তম্ভের সামনে সামনে পোজ দিয়েছিলেন । তার পরপরই  তারা তাদের বিচ্ছেদ ঘোষণা করে।

প্রায় ২৪ বছর পরে, জাক প্রিন্স উইলিয়াম এবং তার স্ত্রী ক্যাথরিনের ছবি তুলতে একই জায়গায় ফিরে আসেন। জাক নতুন কিছু ভাবলেন, “তারা কি সেখানে ডায়ানার ঘটনার পূনরাবৃত্তি করবে?”

জাক বলল “তারা এসে বেঞ্চে বসল, কিন্তু এবার দেখা গেল ভিন্ন দুজন মানুষকে যারা পরষ্পরকে খুব ভালোবাসে।”

নানা কারনেই প্রদর্শনীটি দুই পরিবারের জন্য একটি প্রেম পত্র: লেন্সের পিছনে হুসেইন, এর সামনে রাজকীয়দের একাধিক প্রজন্ম। “(আমাদের বাবা) এর আগে এমন কিছু করেননি,” সামির বলেন।”

প্রদর্শনীর টিকিট, যা £১৭ (প্রায় $২২) থেকে শুরু হয়, এর মধ্যে রয়েছে ৬০-মিনিটের অডিও প্যাকেজও যা ছবির বৃত্তান্ত বর্ণনা করবে।।