হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই চার মৃত্যুর পর চলতি বছরে দেশে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সম্মিলিত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯৪ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ চার মৃত্যুকেই সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। ওই ২৪ ঘণ্টায় হামজনিত কোনো মৃত্যুকে নিশ্চিত হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। ফলে এ সময়ে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা অপরিবর্তিত রয়েছে ৯৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৯৫।
২৪ ঘণ্টায় নতুন সন্দেহভাজন আক্রান্ত ৯৭২
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৯৭২টি সন্দেহভাজন রোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি বছরে এ ধরনের সন্দেহভাজন আক্রান্তের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৮ জনে।
একই সময়ে পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া নতুন হাম আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৭। এতে এ বছর এখন পর্যন্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৭৩০ জনে।
সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা নিশ্চিত আক্রান্তের তুলনায় অনেক বেশি। তবে মৃত্যুর ক্ষেত্রেও এখন পর্যন্ত অধিকাংশ ঘটনাই সন্দেহভাজন হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছে।
মার্চ থেকে হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ২২ হাজারের বেশি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে সারাদেশে হামসদৃশ উপসর্গে আক্রান্ত মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৭৯৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এসব রোগীর মধ্যে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ফলে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও হামসদৃশ উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে।
মৃতের সংখ্যা ৮৯৪, নিশ্চিত হাম ১৭ হাজার ৭৩০
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাম বা হামসদৃশ উপসর্গে মোট ৮৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯৯টি মৃত্যু নিশ্চিত হামজনিত এবং ৭৯৫টি মৃত্যু সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, সারাদেশে সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৮ এবং পরীক্ষাগারে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৩০। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত তথ্য হালনাগাদের মাধ্যমে পরিস্থিতির সর্বশেষ চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















