০৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
পরীক্ষা ছাড়াই নজরকাড়া সাফল্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ-লেভেলে শতভাগ পাস ৫০ দশমিক ৯ ডিগ্রির দহনজ্বালার মাঝেই শারজাহে ঝড়-বৃষ্টি, আমিরাতে আবহাওয়ার নাটকীয় রূপ উপসাগরীয় অঞ্চলে ফ্লাইটে বড় পরিবর্তন, ভারতগামী যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ হরমুজ ঘিরে নতুন উত্তেজনা, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র মুখোমুখি—মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে সংঘাতের শঙ্কা ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সেপ্টেম্বরে যাচ্ছেন দিল্লি, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন বিসিআই চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করলো ককরোচ জনতা পার্টি স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লি হাইকোর্টসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বোমা হামলার হুমকি যুদ্ধ শেষ হলেও ইরানের হুমকি কাটেনি, তুরস্ক থেকে গোপনে সরানো হয়েছিল ট্রাম্পকে ডারউইন টেস্টে তানজিদের প্রথম সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চালকের আসনে বাংলাদেশ ৭ এএসপি ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার

নানদেদে সুখবীর সিং বাদালকে হামলা, ষাটোর্ধ্ব নিহাং সেবাদার আটক

ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদেদে শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি ও পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদালের ওপর ধারালো কৃপাণ নিয়ে হামলার ঘটনায় ষাটোর্ধ্ব এক নিহাংকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারী ওই ব্যক্তি নানদেদের একটি গুরুদুয়ারায় সেবাদার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরের বাইরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুদুয়ারায় প্রার্থনা শেষে লঙ্গর হলের দিকে যাওয়ার সময় সুখবীর সিং বাদালকে লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি কৃপাণ নিয়ে হামলা চালান। তবে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত তাকে ধরে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পান বাদাল।

হামলায় বাদালের ডান হাতে আঘাত লাগে। পরে তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

কে হামলা চালিয়েছেন

হামলাকারী একজন নিহাং। ঘটনার সময় তার পরনে ছিল নীল পোশাক। বয়স ষাটের কোঠার মাঝামাঝি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তার পুরো পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

নিরাপত্তাকর্মীরা হামলার পরপরই তাকে নিয়ন্ত্রণে এনে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং হামলার পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।

নানদেদ সাহিবের তখতের একজন কর্মকর্তা জৈমল সিং ধিল্লনের ভাষ্য অনুযায়ী, গুরুদুয়ারাটি একটি নিহাং সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আটক ব্যক্তি পাঞ্জাব থেকে এসেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি গুরুদুয়ারাটিতে সেবাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। নানদেদের ঐতিহাসিক গুরুদুয়ারাটি নিহাংদের একটি সংগঠনের নিয়ন্ত্রণাধীন। ফলে সেখানে কর্মরত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এমন হামলার ঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

কোথায় হামলা হয়

নানদেদ শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরে হামলার ঘটনা ঘটে। এটি নানদেদ সাহিবের প্রধান গুরুদুয়ারা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে।

সুখবীর সিং বাদাল পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে তিন দিনের সফরে বুধবার নানদেদে পৌঁছান। সেখানে তিনি অখণ্ড পাঠের আয়োজন করেন।

বৃহস্পতিবার প্রধান নানদেদ সাহিব গুরুদুয়ারায় তাকে সম্মানসূচক পোশাক প্রদান করা হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও বাথিন্দার সংসদ সদস্য হরসিমরত কৌর বাদালসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরে যান। সেখানে প্রার্থনা শেষে লঙ্গর হলের দিকে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন।

Sukhbir Badal attacked: SAD seeks CBI probe, makes big claim about 2024  incident - what we know

হামলার কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ

ঘটনার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ নানদেদের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। একই সঙ্গে হামলার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সুখবীর সিং বাদালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিও সামনে এসেছে। তিনি জেড-প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া একজন রাজনৈতিক নেতা এবং পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী। ফলে তার ওপর প্রকাশ্য স্থানে এ ধরনের হামলা কীভাবে সম্ভব হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শিরোমণি অকালি দলের জাতীয় সহসভাপতি সঞ্জীব তালওয়ার ঘটনাটিকে গুরুতর নিরাপত্তা ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, সুখবীর সিং বাদাল পাঞ্জাবের ঐক্য ও হিন্দু-শিখ সম্প্রীতির পক্ষে কথা বলেন। তাই তার ওপর হামলাকে শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর হামলা হিসেবে দেখলে হবে না; এর সঙ্গে পাঞ্জাবের ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়ও জড়িত।

দুই বছরের মধ্যে দ্বিতীয় হামলা

সুখবীর সিং বাদালের ওপর নানদেদের এই হামলা গত দুই বছরেরও কম সময়ে তার ওপর দ্বিতীয় বড় হামলার ঘটনা।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের প্রবেশপথে সাবেক জঙ্গি নারায়ণ সিং চৌড়া তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

সেবার খুব কাছ থেকে বাদালকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা এক নিরাপত্তাকর্মী দ্রুত বন্দুকটি সরিয়ে দেওয়ায় গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। গুলিটি স্বর্ণমন্দিরের একটি দেয়ালে গিয়ে লাগে। ওই ঘটনায় কেউ আহত হননি। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা চৌড়াকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

এবার নানদেদে কৃপাণ নিয়ে হামলার ঘটনাও অল্পের জন্য বড় বিপদে রূপ নেয়নি। নিরাপত্তাকর্মীদের দ্রুত তৎপরতায় হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

তদন্তে এখন মূল প্রশ্ন হামলার উদ্দেশ্য

নানদেদের ঘটনায় হামলাকারীকে আটক করা হলেও এখন পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তিনি কেন সুখবীর সিং বাদালকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেন, কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

গুরুদুয়ারার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে হামলার ঘটনা হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি হামলাকারীর পরিচয়, তার অতীত কর্মকাণ্ড এবং বাদালের সঙ্গে তার কোনো পূর্বপরিচয় ছিল কি না, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

ঘটনার পর গুরুদুয়ারা ও বাদালের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত এগিয়ে গেলে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পরীক্ষা ছাড়াই নজরকাড়া সাফল্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতে এ-লেভেলে শতভাগ পাস

নানদেদে সুখবীর সিং বাদালকে হামলা, ষাটোর্ধ্ব নিহাং সেবাদার আটক

০৫:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের মহারাষ্ট্রের নানদেদে শিরোমণি অকালি দলের সভাপতি ও পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদালের ওপর ধারালো কৃপাণ নিয়ে হামলার ঘটনায় ষাটোর্ধ্ব এক নিহাংকে আটক করা হয়েছে। হামলাকারী ওই ব্যক্তি নানদেদের একটি গুরুদুয়ারায় সেবাদার হিসেবে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরের বাইরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুদুয়ারায় প্রার্থনা শেষে লঙ্গর হলের দিকে যাওয়ার সময় সুখবীর সিং বাদালকে লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি কৃপাণ নিয়ে হামলা চালান। তবে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত তাকে ধরে ফেলায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পান বাদাল।

হামলায় বাদালের ডান হাতে আঘাত লাগে। পরে তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

কে হামলা চালিয়েছেন

হামলাকারী একজন নিহাং। ঘটনার সময় তার পরনে ছিল নীল পোশাক। বয়স ষাটের কোঠার মাঝামাঝি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে তার পুরো পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

নিরাপত্তাকর্মীরা হামলার পরপরই তাকে নিয়ন্ত্রণে এনে স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং হামলার পেছনে তার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।

নানদেদ সাহিবের তখতের একজন কর্মকর্তা জৈমল সিং ধিল্লনের ভাষ্য অনুযায়ী, গুরুদুয়ারাটি একটি নিহাং সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আটক ব্যক্তি পাঞ্জাব থেকে এসেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি গুরুদুয়ারাটিতে সেবাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। নানদেদের ঐতিহাসিক গুরুদুয়ারাটি নিহাংদের একটি সংগঠনের নিয়ন্ত্রণাধীন। ফলে সেখানে কর্মরত একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এমন হামলার ঘটনা নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

কোথায় হামলা হয়

নানদেদ শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরে হামলার ঘটনা ঘটে। এটি নানদেদ সাহিবের প্রধান গুরুদুয়ারা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে।

সুখবীর সিং বাদাল পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে তিন দিনের সফরে বুধবার নানদেদে পৌঁছান। সেখানে তিনি অখণ্ড পাঠের আয়োজন করেন।

বৃহস্পতিবার প্রধান নানদেদ সাহিব গুরুদুয়ারায় তাকে সম্মানসূচক পোশাক প্রদান করা হয়। এ সময় তার স্ত্রী ও বাথিন্দার সংসদ সদস্য হরসিমরত কৌর বাদালসহ পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরে তিনি গুরুদুয়ারা মাতাসাহিব কৌরে যান। সেখানে প্রার্থনা শেষে লঙ্গর হলের দিকে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন।

Sukhbir Badal attacked: SAD seeks CBI probe, makes big claim about 2024  incident - what we know

হামলার কারণ খতিয়ে দেখার নির্দেশ

ঘটনার পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ নানদেদের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান। একই সঙ্গে হামলার পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সুখবীর সিং বাদালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিও সামনে এসেছে। তিনি জেড-প্লাস নিরাপত্তা পাওয়া একজন রাজনৈতিক নেতা এবং পাঞ্জাবের সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী। ফলে তার ওপর প্রকাশ্য স্থানে এ ধরনের হামলা কীভাবে সম্ভব হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

শিরোমণি অকালি দলের জাতীয় সহসভাপতি সঞ্জীব তালওয়ার ঘটনাটিকে গুরুতর নিরাপত্তা ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার দাবি, সুখবীর সিং বাদাল পাঞ্জাবের ঐক্য ও হিন্দু-শিখ সম্প্রীতির পক্ষে কথা বলেন। তাই তার ওপর হামলাকে শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার ওপর হামলা হিসেবে দেখলে হবে না; এর সঙ্গে পাঞ্জাবের ঐক্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বিষয়ও জড়িত।

দুই বছরের মধ্যে দ্বিতীয় হামলা

সুখবীর সিং বাদালের ওপর নানদেদের এই হামলা গত দুই বছরেরও কম সময়ে তার ওপর দ্বিতীয় বড় হামলার ঘটনা।

এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের প্রবেশপথে সাবেক জঙ্গি নারায়ণ সিং চৌড়া তাকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

সেবার খুব কাছ থেকে বাদালকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। তবে তার সঙ্গে থাকা এক নিরাপত্তাকর্মী দ্রুত বন্দুকটি সরিয়ে দেওয়ায় গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। গুলিটি স্বর্ণমন্দিরের একটি দেয়ালে গিয়ে লাগে। ওই ঘটনায় কেউ আহত হননি। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা চৌড়াকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

এবার নানদেদে কৃপাণ নিয়ে হামলার ঘটনাও অল্পের জন্য বড় বিপদে রূপ নেয়নি। নিরাপত্তাকর্মীদের দ্রুত তৎপরতায় হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

তদন্তে এখন মূল প্রশ্ন হামলার উদ্দেশ্য

নানদেদের ঘটনায় হামলাকারীকে আটক করা হলেও এখন পর্যন্ত হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তিনি কেন সুখবীর সিং বাদালকে লক্ষ্য করে হামলা চালালেন, কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ ছিল কি না, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

গুরুদুয়ারার ভেতরে দায়িত্ব পালন করা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে হামলার ঘটনা হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি হামলাকারীর পরিচয়, তার অতীত কর্মকাণ্ড এবং বাদালের সঙ্গে তার কোনো পূর্বপরিচয় ছিল কি না, সেসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

ঘটনার পর গুরুদুয়ারা ও বাদালের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। তদন্ত এগিয়ে গেলে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পেছনে অন্য কেউ জড়িত কি না, সে বিষয়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।