১১:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টি শ্যাডো কেবিনেট গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ তারেকের কূটনৈতিক তৎপরতা: জামায়াত আমিরের পর এনসিপি প্রধান নাহিদের সঙ্গে বৈঠক, সরকার গঠনের আগে বার্তা ঐক্যের খুলনায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ, শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে উত্তেজনা দুই-তৃতীয়াংশ জয়ে বিএনপিকে অভিনন্দন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্থিতিশীলতার আশা জিএম কাদেরের নির্বাচনের পর হাতিয়ায় এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, কী ঘটেছে, কেন এতো আলোচনা? রাশিয়ান নেতা নাভালনিকে বিষপানে হত্যা: পাঁচ ইউরোপীয় দেশের অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্ল্যাটফর্মে শিশুদের নিরাপত্তা: আইনগত সীমাবদ্ধতা ও দায়িত্ব বিতর্ক আশা আছি জোসেফের অভিযোগ: লেভ সরকার লজ্জাজনকভাবে নিঃশব্দ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪২% প্রতিষ্ঠান এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় নেতা দুবাইয়ে ডিজিটাল বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত: WORLDEF ২০২৬ সফল সমাপ্ত

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • 181

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় নাগরিক পার্টি শ্যাডো কেবিনেট গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।