০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য জিজিগার করব্যবস্থার সংকট: রাজস্ব আদায়, ব্যবসায়িক গোপনীয়তা ও ডিজিটাল সংস্কারের নতুন পরীক্ষা চা পানে দীর্ঘায়ু থেকে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যে মিলতে পারে ৫ উপকার ইরান যুদ্ধের মূল্য এখন আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সার্থক নয় এশীয় ব্যবসায়ীদের চাপে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে শিল্পভাড়া দ্বিগুণ ঋণের বোঝা থাকলে প্রেমেও ‘না’ বলছেন মিলেনিয়াল ও জেন-জি ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে অর্থনীতির আর্থিক ঝুঁকি কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে  নিহতদের মধ্যে সাতক্ষীরার দুজন রোহিঙ্গারা পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ নানা অপকর্মে জড়িত: সেনাপ্রধান ইবনে খালদুনের উত্তরাধিকার: ইতিহাসের আলোয় এক অসামান্য চিন্তাবিদ ও তাঁর সীমাবদ্ধতা

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

  • Sarakhon Report
  • ০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • 239

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

 বিদেশি শ্রমনীতি: সস্তা শ্রম নয়, রাষ্ট্রের জন্য সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রাই এখন লক্ষ্য

মাদারীপুরের জোড়া খুনে ৪ জনের ফাঁসির দন্ড বহাল

০৫:৫২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০০৩ সালে ঈদুল আজহার দিন মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে হামলার ঘটনায় জোড়া খুনের মামলায় চারজনকে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদন্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল এবং ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শেষে সোমবার এ রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ মাসুদ উল হক। পলাতকদের বিরুদ্ধে ছিলেন আইনজীবী নারগিস আক্তার।

২০০৩ সালের ১২ ফেব্রয়ারি মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পশ্চিম সরমঙ্গল গ্রামে ঈদুল আজহার দিন আসামিরা শটগান, কাটাবন্দুক, পিস্তল ও হাতবোমা নিয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সিরাজুল হক মোল্লার কর্মী সৈয়দ আলী মোল্লা ও সুলেমান মোল্লাসহ ৩৬ জনের ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলে সৈয়দ আলী মোল্লা মারা যান। পরে হাসপাতালে সুলেমান মোল্লা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্বজন আইয়ুব আলী মোল্লা বাদী হয়ে ঘটনার দিনই মামলা করেন।

এ মামলার বিচার শেষে ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ঢাকার দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল -১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায় দেন। রায়ে চারজনের মৃত্যুদন্ড , এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং নয় আসামিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ডাদেশ দেন। ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন— মহিউদ্দিন হাওলাদার, সোহাগ হাওলাদার, হালিম সরদার ও হাবি শিকদার। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি শামসুল হক হাওলাদার।

১০ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন হিরু হাওলাদার, রফিক হাওলাদার, কাইয়ুম শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার, টুটুল হাওলাদার, মোস্তফা হাওলাদার, জিন্নাত খাঁ, ইদ্রিস শেখ ও সেকান্দার শেখ। পরে মৃত্যুদন্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। কারাবন্দি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।