১০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’ আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক থানা পোড়ানোর বক্তব্য ভাইরাল: হবিগঞ্জে সমন্বয়ক মাহাদীসহ আটক ৩ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, শোকজ ছাড়াই রাজশাহীতে কলেজশিক্ষক বরখাস্ত নিবন্ধনের আওতায় আসছে হকাররা, ডিএসসিসিকে দিতে হবে মাসে ৩ হাজার টাকা নিমরা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিশ্চিত করলেন জেইন হামিদ, ফিজা আলীর ক্ষোভ ওড়িশার গ্রামীণ হাসপাতালে মার্কিন পর্যটকের বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিস্মিত হয়ে প্রশংসা ভারতের স্বাস্থ্যসেবার ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি প্রায় স্বাভাবিক, চিকিৎসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি কাল বিজেপিতে বড় রদবদল: স্মৃতি ইরানি সাধারণ সম্পাদক, রাম মাধব সহসভাপতি ফিলিপাইনের ঐতিহ্যের স্বাদ: মামন ও এনসাইমাদায় তিন বেকশপের গল্প

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের লিখিত আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জুলাই গণআন্দোলনের সময় রাজধানীর বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ফলে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত তার আইনগত বাধা নেই।

দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক

আপিল বিভাগের লিখিত আদেশ অনুযায়ী, এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। একই দিনে তার জামিন সংক্রান্ত আবেদনও শুনানি হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত ওই আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের জামিনের আদেশ বহাল থাকে।

বনানী থানার মামলায় জামিন বহাল

জুলাই গণআন্দোলনের সময় বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গত ১০ আগস্ট এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই জামিনের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। সোমবার চেম্বার জজ আদালত আবেদনটির ওপর ‘নো অর্ডার’ দেওয়ায় হাইকোর্টের জামিন বহাল থাকে।

খায়রুল হকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীনসহ অন্যরা।

বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার

এ বি এম খায়রুল হককে ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জুলাই গণআন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এরপর আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর মধ্যে বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটিও রয়েছে।

সোমবারের আদেশে একদিকে তার জামিন বহাল থাকলেও, আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগের সুযোগ থাকছে না। ফলে মুক্তির পরও তার বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হবে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’

আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

০৯:২৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না। সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের লিখিত আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জুলাই গণআন্দোলনের সময় রাজধানীর বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত। ফলে জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত তার আইনগত বাধা নেই।

দেশত্যাগে আদালতের অনুমতি বাধ্যতামূলক

আপিল বিভাগের লিখিত আদেশ অনুযায়ী, এ বি এম খায়রুল হক আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। একই দিনে তার জামিন সংক্রান্ত আবেদনও শুনানি হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিল। তবে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বাধীন চেম্বার জজ আদালত ওই আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দেন। এর ফলে হাইকোর্টের জামিনের আদেশ বহাল থাকে।

বনানী থানার মামলায় জামিন বহাল

জুলাই গণআন্দোলনের সময় বনানী থানায় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় গত ১০ আগস্ট এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই জামিনের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। সোমবার চেম্বার জজ আদালত আবেদনটির ওপর ‘নো অর্ডার’ দেওয়ায় হাইকোর্টের জামিন বহাল থাকে।

খায়রুল হকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীনসহ অন্যরা।

বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার

এ বি এম খায়রুল হককে ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জুলাই গণআন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

এরপর আরও কয়েকটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর মধ্যে বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটিও রয়েছে।

সোমবারের আদেশে একদিকে তার জামিন বহাল থাকলেও, আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগের সুযোগ থাকছে না। ফলে মুক্তির পরও তার বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হবে।