ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ৮১ বছর পূর্তি ঘিরে যখন জাকার্তায় জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন চলছে, ঠিক তার দুদিন আগে পূর্ব নুসা তেংগারার ফ্লোরেসে আঘাত হেনেছিল ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে প্রাণ গেছে বহু মানুষের, ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজারো মানুষ। স্বাধীনতা উদযাপনের রাষ্ট্রীয় আড়ম্বর আর দুর্যোগে বিপর্যস্ত মানুষের বাস্তবতার এই পাশাপাশি অবস্থান একটি মৌলিক প্রশ্ন সামনে আনে—একজন নাগরিক কখন সত্যিকার অর্থে অনুভব করেন যে রাষ্ট্র তাঁর পাশে আছে?
১৪ আগস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোও মূলত এই ধারণাকেই সামনে এনেছেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে এমন একটি প্রজাতন্ত্রের কথা, যেখানে মানুষ নিজেকে একা মনে করবে না; বরং প্রয়োজনের সময়ে সরকারের উপস্থিতি অনুভব করবে। বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার, শিক্ষা, সমবায় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মতো বিভিন্ন কর্মসূচিকে তিনি রাষ্ট্রের সক্ষমতা ও মানুষের কল্যাণে সরকারের ভূমিকার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন।
কিন্তু এখানেই গণতন্ত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য সামনে আসে। রাষ্ট্র নাগরিকের জন্য কিছু করছে—এটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি গুরুত্বপূর্ণ হলো নাগরিক রাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডে কতটা অংশ নিতে পারছেন। একটি সরকার মানুষের জন্য সেবা দিতে পারে, কিন্তু তাতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি অংশগ্রহণমূলক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না।
নাগরিক কি শুধু সুবিধাভোগী?
রাষ্ট্রের সক্ষমতা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। একটি অকার্যকর রাষ্ট্র তার নাগরিককে নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা সামাজিক সুরক্ষা দিতে পারে না। কিন্তু গণতান্ত্রিক জবাবদিহির প্রশ্নটি আরও গভীর। রাষ্ট্র কতটা কাজ করতে পারে, তার পাশাপাশি জানতে হয়—কী কাজ করা হবে, কার জন্য করা হবে এবং কীভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সে বিষয়ে নাগরিকের কতটা প্রভাব রয়েছে।
গণতন্ত্রে নাগরিক কেবল সরকারি প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করেন না। তাঁরা সংগঠিত হন, মত দেন, আপত্তি জানান, নীতির সমালোচনা করেন, কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মধ্যে আনেন এবং নিজেদের অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেন। অর্থাৎ রাষ্ট্রের উপস্থিতি যেমন জরুরি, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ওপর নাগরিকের উপস্থিতিও তেমনি অপরিহার্য।
এই জায়গাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাদের জন্য, যাদের কাছে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান কখনো সুরক্ষার প্রতীক নয়, বরং অনিশ্চয়তার উৎস হয়ে ওঠে।
ভূমি ও আদিবাসী অধিকার
ইন্দোনেশিয়ার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা তার একটি স্পষ্ট উদাহরণ। ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অধিকার নিয়ে বিভিন্ন শক্তিশালী স্বার্থের সংঘাতে অনেক আদিবাসী জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রকে নিরপেক্ষ রক্ষাকর্তা হিসেবে দেখতে পারে না। আদিবাসী জনগণের জোট AMAN-এর হিসাবে, শুধু ২০২৫ সালেই প্রচলিত বা প্রথাগত ভূখণ্ড দখলের ১৩৫টি ঘটনা ঘটেছে। এতে ১০৯টি সম্প্রদায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১৬২ জন মানুষ সহিংসতা বা ফৌজদারি হয়রানির শিকার হয়েছেন।
এখানে প্রশ্নটি শুধু কোনো নির্দিষ্ট জমির মালিকানা কার—তা নয়। আরও বড় প্রশ্ন হলো, যে জনগোষ্ঠীর জীবন, সংস্কৃতি ও জীবিকা একটি ভূখণ্ডের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, তাদের কি সেই ভূখণ্ডের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে?
অর্থাৎ নাগরিকত্বের অর্থ শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটাধিকার থাকা নয়। নাগরিকত্বের অর্থ নিজের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে নিজের কণ্ঠের কার্যকর মূল্য থাকা।
অভিবাসী শ্রমিকদের অভিজ্ঞতাও একই প্রশ্ন তোলে। ইন্দোনেশিয়া এখনও বিপুলসংখ্যক অভিবাসী শ্রমিকের উৎসদেশ, যাদের অনেকেই নারী এবং বিদেশে গৃহস্থালি ও পরিচর্যার কাজে যুক্ত। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ২০২৫ সালেও নিয়োগ ফি, অনিয়মিত মধ্যস্থতাকারী, ঋণের বোঝা এবং মানব পাচার ও শোষণের নতুন রূপ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে।
রাষ্ট্র যদি নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলে, কিন্তু সেই নাগরিক কর্মসংস্থানের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার পর শোষণের ঝুঁকিতে পড়েন, তাহলে রাষ্ট্রের উপস্থিতিকে তিনি কীভাবে অনুভব করবেন?
সুরক্ষা দিতে গিয়ে নতুন ঝুঁকি
রাষ্ট্রের কোনো কর্মসূচি ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি হলেই তার গণতান্ত্রিক দায় শেষ হয়ে যায় না। বরং সরকারি কর্মসূচি মানুষের জন্য ঝুঁকি তৈরি করলে জবাবদিহির প্রয়োজন আরও বাড়ে।
বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার কর্মসূচি তার একটি দৃষ্টান্ত। ইন্দোনেশিয়ান এডুকেশন মনিটরিং নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সাল থেকে চলতি বছরের আগস্টের শুরু পর্যন্ত ৩৬টি প্রদেশে ৪০ হাজার ৭৫৯ জন মানুষ ওই কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খাদ্যে বিষক্রিয়ার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এখানে মূল প্রশ্ন কর্মসূচিটি চালু করা উচিত কি না, তা নয়। প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্রের একটি কল্যাণমূলক উদ্যোগ যখন মানুষের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন কার অভিজ্ঞতা এবং কার দুর্বলতাকে রাষ্ট্র গুরুত্ব দেবে? ক্ষতিগ্রস্ত নাগরিক কি শুধু একটি পরিসংখ্যান, নাকি তিনি এমন একজন অধিকারধারী মানুষ, যার অভিযোগের ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে নিজের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করতে হবে?
নারীবাদী রাজনৈতিক চিন্তাধারা দীর্ঘদিন ধরে দেখিয়ে আসছে, মানুষের দুর্বলতা সবার ক্ষেত্রে সমান নয়। দার্শনিক জুডিথ বাটলার ২০০৪ সালে দেখিয়েছিলেন, সব জীবনই অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো সেই অনিশ্চয়তাকে সমানভাবে বণ্টন করে না। কিছু মানুষ সহিংসতা, বঞ্চনা ও উচ্ছেদের ঝুঁকিতে বেশি থাকে, আবার তাদের কষ্টের স্বীকৃতিও তুলনামূলক কম।
আইরিস ম্যারিয়ন ইয়ংও দেখিয়েছেন, আইনের চোখে সমতা থাকলেই বাস্তবে রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সমতা নিশ্চিত হয় না। সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য অনেক মানুষের কণ্ঠকে দুর্বল করে দিতে পারে।
এই বাস্তবতা নাগরিকত্বকে নতুনভাবে দেখার দাবি জানায়। নাগরিককে শুধু রাষ্ট্রের কাছ থেকে সুরক্ষা পাওয়া মানুষ হিসেবে দেখলে হবে না; তাঁকে রাষ্ট্রের সমান অংশীদার হিসেবেও দেখতে হবে।


সংখ্যালঘু নাগরিকের রাষ্ট্র
এলজিবিটিকিউ নাগরিকদের অভিজ্ঞতা এই সংকটকে আরও স্পষ্ট করে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জুলাই মাসে জানিয়েছে, অন্তত ১০টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এলজিবিটিকিউ শিক্ষার্থীদের প্রভাবিত করে এমন বৈষম্যমূলক বিধি বা চর্চা চালু হয়েছে। এর মধ্যে আলোচনা ও মতপ্রকাশের ওপর বিধিনিষেধও রয়েছে। একই সময়ে Arus Pelangi ২০২৪–২৫ সময়ে এলজিবিটিকিউ জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ৯৪টি সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে, যাতে ১৪১ জন ভুক্তভোগী ছিলেন।
এর সঙ্গে যখন প্রেসিডেন্সিয়াল রেগুলেশন ১১১/২০২৫-এ ‘এলজিবিটি সংস্কৃতির বিস্তার’-কে সামাজিক-সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অ-সামরিক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করার বিষয়টি যুক্ত হয়, তখন প্রশ্নটি আরও গুরুতর হয়ে ওঠে। রাষ্ট্রের কাছ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার কথা যাদের, তারাই যদি রাষ্ট্রীয় ভাষ্য বা প্রতিষ্ঠানের কারণে নিজেদের পরিচয় নিয়ে অনিরাপদ বোধ করেন, তাহলে ‘রাষ্ট্র পাশে আছে’ কথাটির অর্থ তাদের কাছে কী দাঁড়ায়?
নাগরিকের প্রতিবাদও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নয়, গণতন্ত্রের অংশ
২০২৫ সালের আগস্টের বিক্ষোভগুলোও নাগরিকত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। মোটরসাইকেল ডেলিভারি চালক আফান কুর্নিয়াওয়ান পুলিশের একটি গাড়ির ধাক্কায় নিহত হওয়ার পর যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে, তা দ্রুত আইনপ্রণেতাদের ভাতা, অর্থনৈতিক সংকট ও বেকারত্বের মতো বিস্তৃত প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবির অন্যতম কেন্দ্রে ছিল পুলিশের জবাবদিহি।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের হিসাবে দেশজুড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নথিতেও ব্যাপক গ্রেপ্তার, আহত হওয়া এবং মৃত্যুর ঘটনা উঠে এসেছে।
এখানে নাগরিকরা রাষ্ট্রের কাছ থেকে নতুন কোনো সুবিধা চেয়ে লাইনে দাঁড়াননি। তাঁরা তাঁদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করেছিলেন—প্রতিবাদ করেছেন, সমালোচনা করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার জবাবদিহি দাবি করেছেন।
একই প্রশ্ন অতীতের সহিংসতার স্মৃতি নিয়েও প্রযোজ্য। ২০২৫ সালে সংস্কৃতিমন্ত্রী ফাদলি জোন ১৯৯৮ সালের মে মাসের দাঙ্গায় যৌন সহিংসতার ক্ষেত্রে ‘গণ’ শব্দটি ব্যবহার করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অথচ সরকারের গঠিত যৌথ অনুসন্ধানকারী দল এবং পরবর্তী সময়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে এ ধরনের ঘটনার বিষয়টি উঠে এসেছিল।
ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা রাষ্ট্রের ইতিহাসে স্বীকৃতি পাবে কি না, সেটিও নাগরিকত্বের প্রশ্ন। কারণ একটি প্রজাতন্ত্র শুধু বর্তমানের মানুষকে নিয়ে গঠিত নয়; তার ইতিহাসে কার কষ্ট স্বীকৃত হবে, কার স্মৃতি সংরক্ষিত হবে এবং কার অভিজ্ঞতা অস্বীকার করা হবে—এসবও রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র নির্ধারণ করে।
প্রজাতন্ত্রের কেন্দ্রে নাগরিক
এই সব উদাহরণের মধ্যে একটি অভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে: কারা রাষ্ট্রকে নিজেদের পাশে দেখতে পারেন, আর কারা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের অনিশ্চয়তার উৎস হিসেবে অনুভব করেন?
রাষ্ট্রের প্রকৃত উপস্থিতি তখনই অর্থবহ হয়, যখন কোনো নাগরিক দুর্বল অবস্থায় পড়লে তার প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নির্ভর করতে পারেন। সেই দুর্বলতার উৎস যদি ক্ষমতাবান ব্যক্তি, সংখ্যাগরিষ্ঠ কোনো গোষ্ঠী কিংবা এমনকি রাষ্ট্র নিজেই হয়, তবুও রাষ্ট্রকে নাগরিকের অধিকার রক্ষায় দাঁড়াতে হবে।
এই কারণেই গণতান্ত্রিক নাগরিকত্বকে কেবল সরকারি সুবিধা পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ করা যায় না। নাগরিক একই সঙ্গে অধিকারধারী এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণকারী। তিনি সংগঠিত হতে পারবেন, ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারবেন, রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত প্রশ্ন করতে পারবেন, স্বীকৃতি দাবি করতে পারবেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে পারবেন—এগুলোও প্রজাতন্ত্রের মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
প্রাবোওর বক্তব্যে একটি সক্ষম ও মানুষের পাশে থাকা রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট। কিন্তু একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈধতা শুধু তার সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে নাগরিকরা সেই রাষ্ট্রকে কতটা প্রভাবিত করতে পারেন, তার সিদ্ধান্তকে কতটা প্রশ্ন করতে পারেন এবং ক্ষমতাসীনদের কতটা জবাবদিহির মধ্যে রাখতে পারেন তার ওপরও।
স্বাধীনতার ৮১ বছর পর তাই ইন্দোনেশিয়ার সামনে প্রশ্নটি শুধু রাষ্ট্র কতটা শক্তিশালী হয়েছে, তা নয়। বরং আরও কঠিন প্রশ্ন হলো—কেমন গণতন্ত্র গড়ে উঠছে? রাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকের রাজনৈতিক ক্ষমতাও কি সমানভাবে শক্তিশালী হচ্ছে?
সম্ভবত একটি প্রজাতন্ত্রের গভীরতম অর্থ এখানেই। শুধু এমন একটি রাষ্ট্র নয়, যে নাগরিকের পাশে দাঁড়ায়; বরং এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে নাগরিকরাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রস্থলে থাকেন এবং সেই ক্ষমতার ওপর তাঁদের অধিকার, কণ্ঠ ও নিয়ন্ত্রণ অক্ষুণ্ন থাকে।
ক্লারা এসতি 



















