যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলে এসেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থ, রাজনৈতিক প্রভাব ও সরকারি সুবিধার সম্পর্ক এতটাই দৃশ্যমান হয়েছে যে সেই নিরপেক্ষতার দাবি এখন ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। ক্ষমতাসীন প্রশাসনকে সন্তুষ্ট করতে যে অর্থ ব্যয় করা হয়েছে, তার তাৎক্ষণিক সুবিধা হয়তো কিছু কোম্পানি পেয়েছে। কিন্তু এর রাজনৈতিক মূল্য দিতে হবে দীর্ঘমেয়াদে।
এটি শুধু ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে করপোরেট আমেরিকার সম্পর্কের প্রশ্ন নয়। বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তিনটি বড় ঝুঁকি—বর্তমান প্রশাসনের চাপ, জনমতের পরিবর্তন এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনের হাতে একই ক্ষমতার উত্তরাধিকার।
রাজনৈতিক অর্থের নতুন বাস্তবতা
জুনের শেষ দিকে ব্রান্সউইক ও একেলন ইনসাইটসের জরিপে নিবন্ধিত ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, সুযোগ পেলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহীদের কী বলতেন। মাত্র ৩ শতাংশ উত্তরদাতা রাজনীতির কথা উল্লেখ করেন। কিন্তু প্রেসিডেন্টের নতুন হোয়াইট হাউস বলরুমে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে মানুষের প্রতিক্রিয়া ছিল অত্যন্ত নেতিবাচক। এমনকি প্রেসিডেন্টের নীতির প্রকাশ্য সমর্থনের চেয়েও এই অনুদানকে তারা বেশি ক্ষতিকর হিসেবে দেখেছেন।
এই ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি দেখাচ্ছে, আমেরিকান ভোটাররা এখন শুধু কোনো কোম্পানি কোন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করছে তা দেখছেন না; তারা দেখছেন ব্যবসা কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করছে।
বর্তমান প্রশাসনের সময় এই সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হয়েছে। প্রেসিডেন্টের বলরুম ট্রাস্ট বা প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরির মতো অলাভজনক উদ্যোগে অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট আইনগত সীমা নেই। একই সঙ্গে অনেক অনুদানের ক্ষেত্রে কে কত টাকা দিয়েছে, তা প্রকাশ্যে জানানো বাধ্যতামূলক নয়।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ৩০ জুলাইয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প নিয়মিত তার তহবিল সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইতেন কোন কোম্পানি অর্থ দিয়েছে এবং কোনটি দেয়নি। অনেক ক্ষেত্রে তিনি অনুদানের পরিমাণ ৫ কোটি ডলার পর্যন্ত বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন এবং এমন ব্যক্তিদের নামও দিয়েছেন, যারা সম্প্রতি তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এখানে ব্যবসার জন্য সবচেয়ে অস্বস্তিকর বিষয় হলো—এই অর্থকে অনেক নির্বাহী নিছক রাজনৈতিক অনুদান হিসেবে দেখেননি। বরং তারা বুঝেছেন, অর্থের বিনিময়ে প্রেসিডেন্টের কাছে প্রবেশাধিকার পাওয়া যেতে পারে।
কোনো কোম্পানির বড় ধরনের একীভবন বা অধিগ্রহণ যদি প্রশাসনের অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকে, তখন সেই কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর কাছে অনুদানের অনুরোধটি আর সাধারণ রাজনৈতিক চাঁদা থাকে না। সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাস্তব চাপ তৈরি হয়। অর্থাৎ রাজনৈতিক সমর্থন ও ব্যবসায়িক স্বার্থের সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে যায়।
সমস্যা হলো, সেই অর্থ একবার দেওয়া হয়ে গেলে তার রেকর্ড আর সহজে মুছে ফেলা যায় না।
করপোরেট আমেরিকার প্রকাশ্য রেকর্ড
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত বলরুম অনুদানদাতাদের তালিকায় অ্যামাজন, অ্যাপল, মাইক্রোসফট, গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট, মেটা, লকহিড মার্টিন ও পালান্টিরের মতো বড় কোম্পানির নাম রয়েছে। তালিকায় কন্টিনেন্টাল রিসোর্সেসের প্রতিষ্ঠাতা হ্যারল্ড হ্যামও ছিলেন।
গুগলের ঘটনাটি আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। ট্রাম্পের ইউটিউব অ্যাকাউন্ট স্থগিত করার ঘটনায় করা মামলা নিষ্পত্তির জন্য গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান ২ কোটি ৪৫ লাখ ডলার দিতে সম্মত হয়, যার ২ কোটি ২০ লাখ ডলার বলরুম প্রকল্পে যাওয়ার কথা ছিল।
পরে সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং প্রতিনিধি ডেভ মিন প্রশাসনের কাছে অ্যান্টিট্রাস্ট সংক্রান্ত বিষয় ঝুলে থাকা সাতটি কোম্পানির কাছ থেকে তাদের রাজনৈতিক অনুদান ও সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ সম্পর্কে জানতে চান। কোম্পানিগুলোর জবাব থেকে বোঝা যায়, কিছু ক্ষেত্রে অনুদান দেওয়ার আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। অ্যামাজন জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের আগস্ট থেকেই তারা তহবিল সংগ্রহকারী গোষ্ঠীর সঙ্গে অনুদানের পরিমাণ এবং দাতাদের জন্য পরিকল্পিত নৈশভোজ নিয়ে আলোচনা করছিল।
এগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখা কঠিন। বরং এগুলো এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দেয়, যেখানে বড় ব্যবসা ও ক্ষমতাসীন প্রশাসনের মধ্যে অর্থের মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরির সুযোগ ক্রমেই স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।
কিন্তু রাজনীতি বদলে গেলে হিসাবও বদলায়
এখানেই করপোরেট আমেরিকার সবচেয়ে বড় বিপদ।
যে রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে ব্যবসা এত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে, সেই শক্তিই এখন জনমতের বড় অংশের কাছে অজনপ্রিয়। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি করেছে।
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো তখন নিজেদের নির্দোষ দর্শক হিসেবে তুলে ধরতে পারবে না। কারণ ভোটাররা ইতিমধ্যেই তাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ধারণা তৈরি করেছেন।
ব্রান্সউইকের জরিপে ভোটাররা তেল ও গ্যাস শিল্পকে ৫২ পয়েন্ট রিপাবলিকান, ব্যাংকিং খাতকে ২৭ পয়েন্ট এবং প্রযুক্তি খাতকে ১৯ পয়েন্ট রিপাবলিকান ঘরানার হিসেবে দেখেছেন। একই জরিপে ৬৫ শতাংশ মানুষ বলেছেন, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকা উচিত। অর্থাৎ জনসাধারণের চোখে ব্যবসা নিরপেক্ষ থাকার দাবি করলেও বাস্তবে তারা রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত।
আর আমেরিকান রাজনীতিতে ‘এলিট’ বিরোধী মনোভাবও এখন ব্যবসার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
জুলাইয়ের শেষ দিকে দ্য আর্গুমেন্ট ৩ হাজার নিবন্ধিত ভোটারের ওপর জরিপ চালিয়ে জানতে চেয়েছিল, কারা এলিট শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। অধ্যাপক বা সাংবাদিকদের অধিকাংশ উত্তরদাতা সেই তালিকায় রাখেননি। কিন্তু বিলিয়নিয়ারদের প্রায় সর্বসম্মতভাবে এলিট হিসেবে দেখা হয়েছে। সেলিব্রিটি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়িক নির্বাহীরাও সেই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
গ্যালাপের আস্থার জরিপেও বড় ব্যবসার অবস্থান খুব শক্তিশালী নয়। কংগ্রেস ও টেলিভিশন সংবাদমাধ্যমের চেয়ে সামান্য ভালো অবস্থানে থাকলেও ব্যবসার প্রতি ব্যাপক আস্থা নেই।
এর পেছনে গত এক দশকের একটি সরল রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজ করছে: বিপুল ব্যক্তিগত সম্পদ কীভাবে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতায় রূপান্তরিত হচ্ছে, আমেরিকানরা তা দেখেছে। তাই বড় ব্যবসাকে এখন আর শুধু অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখছে না তারা; রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি শক্তিশালী অংশ হিসেবেও দেখছে।
সবচেয়ে বড় ঝুঁকি ভবিষ্যতের
তবে বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ব্যবসার সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিপদটি হয়তো এখনো সামনে আসেনি।
ক্ষমতাসীন প্রশাসনকে প্রভাবিত করতে যে রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি কোনো একজন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে শেষ হবে না। ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্টও একই ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবেন।
ট্রাম্প বনাম স্লটার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের স্বাধীন সংস্থাগুলোর কমিশনারদের ইচ্ছামতো অপসারণের ক্ষমতা স্বীকার করেছে এবং ১৯৩৫ সাল থেকে চলে আসা একটি নজির বাতিল করেছে।
এর অর্থ শুধু প্রশাসনিক কাঠামোর পরিবর্তন নয়। ফেডারেল ট্রেড কমিশন প্রায় ৮০টি আইন বাস্তবায়ন করে, যেগুলোর প্রভাব অর্থনীতির প্রায় প্রতিটি খাতে পড়ে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন এবং ন্যাশনাল লেবার রিলেশনস বোর্ডও হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক প্রভাবের আওতায় চলে এসেছে।
বিচারপতি নিল গোরসুচের যুক্তি এখানে বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। একটি কোম্পানি হয়তো ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশনের একটি তদন্ত সামলে নিতে পারে। কিন্তু হোয়াইট হাউসে থাকা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হলে সেই একই কোম্পানি যদি ফেডারেল ট্রেড কমিশনের নতুন বিধিনিষেধ, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তদন্ত এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নতুন ফৌজদারি বিধির মুখোমুখি হয়, তখন কী হবে?
আজ যে ক্ষমতা একটি কোম্পানির জন্য সুবিধা তৈরি করছে, আগামীকাল একই ক্ষমতা তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা সম্ভব।
নীরব থাকা কি সত্যিই নিরাপদ?
এই বাস্তবতায় করপোরেট আমেরিকার জন্য নীরব থাকা খুব একটা কার্যকর কৌশল নয়।
কোনো কোম্পানি যদি এখন বলে, তারা বাধ্য হয়ে অর্থ দিয়েছে, তাতে ভবিষ্যতে খুব বেশি রাজনৈতিক সহানুভূতি পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। কারণ অনুদানের রেকর্ড থাকবে। কংগ্রেসের প্রশ্ন থাকবে। জনমতের স্মৃতিও থাকবে।
বরং ব্যবসার জন্য আরও বিশ্বাসযোগ্য পথ হতে পারে নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব কেনার ক্ষমতাকেই সীমিত করার পক্ষে অবস্থান নেওয়া।
শুধু বলা যে বর্তমান প্রক্রিয়াটি খারাপ—তা যথেষ্ট নয়। কোনো কোম্পানি যদি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সুবিধা কেনার সুযোগ কমিয়ে দেওয়ার মতো সংস্কারের পক্ষে দাঁড়ায়, তবে সেটিই হবে বাস্তব অঙ্গীকারের প্রমাণ।
রাজনীতিতে বিশ্বাসযোগ্য সংকেত সাধারণত তখনই তৈরি হয়, যখন তার জন্য কিছু মূল্য দিতে হয়। ব্যবসার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক অস্ত্র যদি অর্থ হয়, তাহলে সেই অর্থের রাজনৈতিক প্রভাব সীমিত করার পক্ষে দাঁড়ানোই হতে পারে সবচেয়ে শক্তিশালী বার্তা।
এটি শেয়ারহোল্ডারদের কাছে একটি বার্তা দেবে। ভোক্তাদের কাছেও দেবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, ভবিষ্যৎ কংগ্রেস ও ভবিষ্যৎ প্রশাসনের কাছেও এটি দেখাবে যে ব্যবসা শুধু বর্তমান ক্ষমতার সঙ্গে সমঝোতা করতে চায় না; তারা রাজনৈতিক ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাও বিবেচনায় নিচ্ছে।
রাজনৈতিক বিলের আসল পরিমাণ এখনো জানা যায়নি
ট্রাম্প প্রশাসন আমেরিকান রাজনীতির নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো এর বিনিময়ে করছাড়, নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ এবং অন্যান্য সুবিধা পেয়েছে। কিন্তু এই সুবিধার বিনিময়ে যে রাজনৈতিক মূল্য তৈরি হয়েছে, তার পুরো হিসাব এখনো আসেনি।
নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ দখল করবে কি না, তা অনিশ্চিত। কিন্তু একটি বিষয় নিশ্চিত—রাজনৈতিক রেকর্ডের মেয়াদ শেষ হয় না। ক্ষমতার হাতিয়ারও কোনো নির্বাচনের সঙ্গে অদৃশ্য হয় না।
ভবিষ্যতে যে প্রেসিডেন্টই হোয়াইট হাউসে আসুন, যে দলই কংগ্রেস নিয়ন্ত্রণ করুক, তাদের হাতে থাকবে একই ক্ষমতা। তাদের সামনে থাকবে অতীতের লেনদেনের রেকর্ডও।
তখন বড় ব্যবসার সামনে একটি মৌলিক প্রশ্ন থাকবে: তারা কি আবার সেই একই ব্যবস্থায় ফিরে যাবে, যেখানে রাজনৈতিক প্রভাব অর্থের বিনিময়ে কেনা যায়? নাকি এখনই এমন নিয়মের পক্ষে দাঁড়াবে, যা ভবিষ্যতের যেকোনো প্রশাসনের হাতে এই ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ কমিয়ে দেয়?
এই সিদ্ধান্ত শুধু করপোরেট কৌশল নির্ধারণ করবে না। এটি নির্ধারণ করবে আমেরিকান গণতন্ত্রে অর্থনৈতিক ক্ষমতা আর রাজনৈতিক ক্ষমতার সম্পর্ক ভবিষ্যতে কতটা গভীর হবে।
রাজনৈতিক প্রভাব কেনার মূল্য তাই শুধু একটি বলরুমের অনুদান নয়। আসল বিলটি আরও বড়—এবং তার হিসাব এখন থেকেই শুরু হয়ে গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















