ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসির সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. আবদুল লতিফকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার ঘটনায় রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁর করা প্রতিনিধিত্বমূলক আবেদন ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
সম্প্রতি বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
ডিএসইর চাকরিচ্যুতির চিঠি নিয়ে প্রশ্ন
হাইকোর্টের রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে, গত ২৫ জুন ডিএসইর দেওয়া চাকরি অবসানের চিঠি কেন আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ও কার্যকারিতাহীন ঘোষণা করা হবে না। ওই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট পদটি আর প্রয়োজন নেই—এমন কারণ দেখিয়ে আবদুল লতিফকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।
রিট আবেদনে আবদুল লতিফ দাবি করেন, ডিএসইর কথিত পুনর্গঠনের কারণ দেখিয়ে তাঁকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি গত ২৮ জুন বিএসইসিতে আবেদন করেন। তবে সেই আবেদন বিবেচনা ও নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
রুলে আবদুল লতিফকে চাকরিতে পুনর্বহাল, চাকরির ধারাবাহিকতা ও জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। রুলের জবাব দিতে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছেন আদালত।
আবদুল লতিফের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান খান ও অ্যাডভোকেট ফাওজিয়া আক্তার। প্রতিপক্ষের পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মুহাম্মদ হাসিবুর রহমানসহ অন্য আইনজীবীরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















