১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন জার্মানিতে ডানপন্থার উত্থানের জ্বালানি: হারিয়ে যাওয়া গৌরবের নস্টালজিয়া জিন্নাহর প্রতিকৃতি সরানোয় তাইয়েবকে হুমকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি এডিপি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের সর্বনিম্ন হার, দুই মাসে অগ্রগতি মাত্র ১.৮৫ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১,৬৫৫ বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ছকে দেখলে ভারতেরই কৌশলগত ক্ষতি নাক থেকে অন্ত্র—শরীরের অদৃশ্য প্রতিরক্ষা দেয়াল, কীভাবে কাজ করে মিউকোসাল ইমিউন সিস্টেম?

তিন ঘণ্টায় পরপর দুই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া রোববার মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পূর্ব উপকূল থেকে দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির এটি দ্বিতীয় দফার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সামরিক মহড়া নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে উত্তেজনা চলার মধ্যেই নতুন করে এই উৎক্ষেপণ করা হলো।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার বিকেলে পূর্ব সাগরের দিকে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর উত্তর কোরিয়া দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, প্রথম উৎক্ষেপণটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে উত্তর কোরিয়ার ওয়নসান এলাকা থেকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এটিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বলে ধারণা করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এটি উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১১ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরপর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে একই ওয়নসান এলাকা থেকে দ্বিতীয় স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ৬০০ কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করেছে।

দ্বিতীয় উৎক্ষেপণটিও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে নিশ্চিত হলে, মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে উত্তর কোরিয়ার পরপর দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার ঘটনা হিসেবে এটি বিবেচিত হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উৎক্ষেপণের শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে জাপানের সঙ্গেও তথ্য বিনিময় করা হয়েছে।

জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে গিয়ে পড়েছে।

নতুন উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। পরিষদটি পিয়ংইয়ংকে অবিলম্বে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, এ ধরনের পরীক্ষা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন।North Korea fires two ballistic missiles off coast in three hours

জাপানও কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে। নিক্কেইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসের মাধ্যমে জাপান প্রতিবাদ জানায়।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার এই ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড জাপান, পুরো অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।

উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পেছনে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনাও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল। তার কয়েক দিন পরই নতুন করে দুটি উৎক্ষেপণ করল পিয়ংইয়ং।

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি নৌ মহড়ারও তীব্র সমালোচনা করে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও ওই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। ২৯ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গুয়ামের কাছে ওই সামরিক মহড়া চলে।

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক মহড়াকে কোরীয় উপদ্বীপে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জন্য দায়ী করেন। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার শক্তিশালী করার যে নীতি নিয়েছে, তাতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এর আগে শনিবার উত্তর কোরিয়া জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার একটি প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করে। ওই প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক উত্তেজনার নতুন মাত্রা যুক্ত হলো। একদিকে উত্তর কোরিয়া তার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর নীতি অব্যাহত রাখার কথা বলছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যৌথ সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

তিন ঘণ্টায় পরপর দুই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া

০৬:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

উত্তর কোরিয়া রোববার মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে পূর্ব উপকূল থেকে দুটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যে দেশটির এটি দ্বিতীয় দফার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের সামরিক মহড়া নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে উত্তেজনা চলার মধ্যেই নতুন করে এই উৎক্ষেপণ করা হলো।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রোববার বিকেলে পূর্ব সাগরের দিকে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর উত্তর কোরিয়া দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, প্রথম উৎক্ষেপণটি স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে উত্তর কোরিয়ার ওয়নসান এলাকা থেকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও এটিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বলে ধারণা করছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এটি উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১১ সিরিজের ক্ষেপণাস্ত্র হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এরপর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে একই ওয়নসান এলাকা থেকে দ্বিতীয় স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দ্বিতীয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ৬০০ কিলোমিটারের বেশি পথ অতিক্রম করেছে।

দ্বিতীয় উৎক্ষেপণটিও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে নিশ্চিত হলে, মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে উত্তর কোরিয়ার পরপর দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার ঘটনা হিসেবে এটি বিবেচিত হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, উৎক্ষেপণের শুরু থেকেই দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষ ঘটনাগুলো পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে জাপানের সঙ্গেও তথ্য বিনিময় করা হয়েছে।

জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে গিয়ে পড়েছে।

নতুন উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। পরিষদটি পিয়ংইয়ংকে অবিলম্বে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, এ ধরনের পরীক্ষা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন।North Korea fires two ballistic missiles off coast in three hours

জাপানও কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে। নিক্কেইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেইজিংয়ে উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসের মাধ্যমে জাপান প্রতিবাদ জানায়।

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার এই ধারাবাহিক কর্মকাণ্ড জাপান, পুরো অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে।

উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার পেছনে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনাও গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হিসেবে রয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর উত্তর কোরিয়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছিল। তার কয়েক দিন পরই নতুন করে দুটি উৎক্ষেপণ করল পিয়ংইয়ং।

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একটি নৌ মহড়ারও তীব্র সমালোচনা করে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও ওই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। ২৯ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গুয়ামের কাছে ওই সামরিক মহড়া চলে।

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সামরিক মহড়াকে কোরীয় উপদ্বীপে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জন্য দায়ী করেন। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার শক্তিশালী করার যে নীতি নিয়েছে, তাতে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এর আগে শনিবার উত্তর কোরিয়া জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার একটি প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করে। ওই প্রস্তাবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল।

পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে কোরীয় উপদ্বীপে সামরিক উত্তেজনার নতুন মাত্রা যুক্ত হলো। একদিকে উত্তর কোরিয়া তার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর নীতি অব্যাহত রাখার কথা বলছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যৌথ সামরিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে উত্তর-পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।