১২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

নির্যাতিত ব্যক্তির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবী

  • Sarakhon Report
  • ০১:১৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪
  • 117

সারাক্ষণ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সমর্থন দিবস” উপলক্ষ্যে (২৬ জুন)  নির্যাতিত ব্যক্তি এবং নির্যাতনের ফলে নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল স্থাপন এবং তা থেকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছে ব্লাস্ট।

বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধরনের নির্যাতন এবং অমানবিক ও নিষ্ঠুর সাজা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইন ও আদালতের বেশ কিছু রায় পেলেও বাস্তব চিত্র এর বিপরীত। হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারন) আইনটি ২০১৩ সালে প্রণীত হলেও এই পর্যন্ত প্রায় ১১ বছরে এই আইনের আওতায় গুটিকয়েক মামলা রজু হয়েছে। এর মধ্যে আইন প্রণয়নের প্রায় ৭ বছর পর গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে দেশে সর্বপ্রথম এই আইনের আওতায় পুলিশি হেফাজতে ইশতিয়াক হোসেন জনির মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার রায় প্রকাশ পায়।

বিগত ২০১৪ সালে রাজধানীর পল্লবী থানায় পুলিশের হেফাজতে ইশতিয়াক হোসেন জনির মৃত্যুতে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারন আইনের অধীনে জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাত বছর পর গত ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার দায়রা জজ আদালতে দায়ের হওয়া মামলায় তিন পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন এবং অপর দুই জনের সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা এবং দুই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশও দেয়া হয়েছে। জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দেয় আদালত। কিন্তু বর্তমানে হাইকোর্টের আপীল আবেদনটি বিচারাধীন অবস্থায় আছে এবং আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টিও স্থগিত রাখা হয়েছে।

সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী এবং ব্লাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জেড আই খান পান্না বলেন, “নির্যাতনের শিকার সকলচ ব্যক্তির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যে কোন নির্যাতনের শিকার হয়ে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার পরিবারের যে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তা কোনোভাবেই টাকার অংকে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। সেজন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের পাশাপাশি আইনগত সুরক্ষা প্রদান এবং অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।”

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত জনির মা খুরশীদা বেগম বলেন যে, “পুলিশ এর হেফাজতে নির্যাতন এর শিকার হয়ে আমার ছেলের মৃত্যুতে তার ছোট সন্তানরা ও আমার পরিবার অনেক অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ হতে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয় নাই”

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

নির্যাতিত ব্যক্তির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবী

০১:১৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সমর্থন দিবস” উপলক্ষ্যে (২৬ জুন)  নির্যাতিত ব্যক্তি এবং নির্যাতনের ফলে নিহত ব্যক্তির পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় তহবিল স্থাপন এবং তা থেকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছে ব্লাস্ট।

বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধরনের নির্যাতন এবং অমানবিক ও নিষ্ঠুর সাজা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই বিষয়ে আইন ও আদালতের বেশ কিছু রায় পেলেও বাস্তব চিত্র এর বিপরীত। হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু (নিবারন) আইনটি ২০১৩ সালে প্রণীত হলেও এই পর্যন্ত প্রায় ১১ বছরে এই আইনের আওতায় গুটিকয়েক মামলা রজু হয়েছে। এর মধ্যে আইন প্রণয়নের প্রায় ৭ বছর পর গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ সালে দেশে সর্বপ্রথম এই আইনের আওতায় পুলিশি হেফাজতে ইশতিয়াক হোসেন জনির মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত হত্যা মামলার রায় প্রকাশ পায়।

বিগত ২০১৪ সালে রাজধানীর পল্লবী থানায় পুলিশের হেফাজতে ইশতিয়াক হোসেন জনির মৃত্যুতে নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু নিবারন আইনের অধীনে জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি আদালতে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ সাত বছর পর গত ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার দায়রা জজ আদালতে দায়ের হওয়া মামলায় তিন পুলিশ সদস্যের যাবজ্জীবন এবং অপর দুই জনের সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা এবং দুই লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশও দেয়া হয়েছে। জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে আরো ৬ মাস করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দেয় আদালত। কিন্তু বর্তমানে হাইকোর্টের আপীল আবেদনটি বিচারাধীন অবস্থায় আছে এবং আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টিও স্থগিত রাখা হয়েছে।

সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী এবং ব্লাস্টের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জেড আই খান পান্না বলেন, “নির্যাতনের শিকার সকলচ ব্যক্তির আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যে কোন নির্যাতনের শিকার হয়ে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হলে বা কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার পরিবারের যে অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হয়, তা কোনোভাবেই টাকার অংকে মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। সেজন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের পাশাপাশি আইনগত সুরক্ষা প্রদান এবং অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।”

পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের শিকার হয়ে নিহত জনির মা খুরশীদা বেগম বলেন যে, “পুলিশ এর হেফাজতে নির্যাতন এর শিকার হয়ে আমার ছেলের মৃত্যুতে তার ছোট সন্তানরা ও আমার পরিবার অনেক অর্থনৈতিক সমস্যার সম্মুখিন হয়েছে এবং সরকারের পক্ষ হতে এখনো পর্যন্ত কোন ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয় নাই”