০৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চাঞ্চল্য হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, সিলেটে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৯ সামাজিক সুরক্ষা ব্যয় নয়, রাষ্ট্রের ভবিষ্যতের বিনিয়োগ কাবুল ‘অক্ষম’ না ‘অনিচ্ছুক’: পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংকট ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্ন সেপ্টেম্বরের অপেক্ষা: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রকৃত ঝুঁকি এখনও সামনে খুলনার মসজিদে ফজরের নামাজের সময় গুলিবর্ষণ, আহত ২ পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেব না, দাবি ভারতের; নতুন করে বাড়ছে পানি সংকটের আশঙ্কা ২০২৭ সিনেট নির্বাচন ঘিরে পিটিআইর শঙ্কা, আরও শক্তিশালী হতে পারে ‘হাইব্রিড ব্যবস্থা’ পাকিস্তানের বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, খুশি বস্ত্রখাত, উদ্বেগে পোলট্রি ও শ্রমিক সংগঠন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি ঘিরে উত্তেজনা, তেহরানে বিক্ষোভের মধ্যেই বাড়ছে সমঝোতার আশা

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪
  • 147

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


অন্য জায়গার মত বঙ্গদেশেও বালুকাময় মাটির চাইতে মেটেল জমি চাষের উপযুক্ত করে বানাতে খাটতে হয় অনেক। উপযুক্ত করে জমি বানাতে ক্ষেতে লাঙ্গল দিতে হয় তিন থেকে চার বার। এই ধরনের জমিতে লাঙ্গল দেবার উপযুক্ত সময় কখন আসবে সেজন্যে অপেক্ষা করতে হয়। এটা অবশ্য নির্ভর করে আবহাওয়ার উপর। বঙ্গদেশে এটা সবাই জানে যে নীলের আবাদ করার মত জমি এক অঞ্চলে বিশেষ নাই।

নীলের বীজ ও তার প্রকারভেদ

বঙ্গদেশে বীজ ব্যবহার করা হয় প্রধানতঃ দুই প্রকার। একটি পরিচিত হিন্দুস্তানী বীজ নামে, অন্যটি পরিচিত নিম্নবঙ্গ নামে। ফুর্তিগড়ের বীজ হল সবচেয়ে ভাল বীজ। নিম্নবঙ্গের বীজের মধ্যে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বীজ হল কিষাণগড়ের। এছাড়াও আরও নানা নামের বীজ আছে, কিন্তু মূলতঃ তা এই দুই শ্রেণীর বীজের মধ্যেই পড়ে। এগুলোর প্রকারভেদ নির্ভর করে কোন শ্রেণীর জমিতে বীজ উৎপন্ন তার উপর।

এই দুই রকম বীজের রং ও আকার লবঙ্গ বীজের মত, তবে কিছুটা বড়। ফুর্তিগড় ও উত্তর ভারতের বীজের সুবিধা এই যে, তা বাংলার বীজের চেয়ে অল্প সময়ে অঙ্কুরিত হয়। তাই সময়মত বীজ বুনতে না পারলে, কোনো কারণে বীজ বপনে দেরি হলে বাংলার বীজই পছন্দ করে কৃষকরা।

হালচাষ

ফেব্রুয়ারি মার্চ-এ আবার বৃষ্টিও তেমন বাকি না। মাটি ভেজা থাকতেই বীজ বপন করতে হয় নইলে অঙ্কুরোদগম হয় না। বাংলাদেশের বীজ-এর মত উত্তর ভারতের বীজে পাশ থেকে গাছের কান্ড বের হয় না। উত্তর ভারতের বীজ থেকে যে চারা গাছ জন্মায় তা তিন ফুটের মত দীর্ঘ হলেই হেঁটে দিতে হয়। গাছ বেশি বড় হলে নিচের দিকের পাতা আপনা থেকেই পড়ে যায় তার ফলে ন্যাড়া দেখায়। বাংলা দেশের গাছের চেয়ে এই ধরনের গাছের ফলন কম। কিন্তু শস্যদানা বেশি কারণ, গাছের পাতাও বেশি। নীল গাছের এই প্রজাতির নাম “লাইনাস ডিসপারমা।”

 

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে চাঞ্চল্য

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৩৮)

১০:০০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


অন্য জায়গার মত বঙ্গদেশেও বালুকাময় মাটির চাইতে মেটেল জমি চাষের উপযুক্ত করে বানাতে খাটতে হয় অনেক। উপযুক্ত করে জমি বানাতে ক্ষেতে লাঙ্গল দিতে হয় তিন থেকে চার বার। এই ধরনের জমিতে লাঙ্গল দেবার উপযুক্ত সময় কখন আসবে সেজন্যে অপেক্ষা করতে হয়। এটা অবশ্য নির্ভর করে আবহাওয়ার উপর। বঙ্গদেশে এটা সবাই জানে যে নীলের আবাদ করার মত জমি এক অঞ্চলে বিশেষ নাই।

নীলের বীজ ও তার প্রকারভেদ

বঙ্গদেশে বীজ ব্যবহার করা হয় প্রধানতঃ দুই প্রকার। একটি পরিচিত হিন্দুস্তানী বীজ নামে, অন্যটি পরিচিত নিম্নবঙ্গ নামে। ফুর্তিগড়ের বীজ হল সবচেয়ে ভাল বীজ। নিম্নবঙ্গের বীজের মধ্যে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট বীজ হল কিষাণগড়ের। এছাড়াও আরও নানা নামের বীজ আছে, কিন্তু মূলতঃ তা এই দুই শ্রেণীর বীজের মধ্যেই পড়ে। এগুলোর প্রকারভেদ নির্ভর করে কোন শ্রেণীর জমিতে বীজ উৎপন্ন তার উপর।

এই দুই রকম বীজের রং ও আকার লবঙ্গ বীজের মত, তবে কিছুটা বড়। ফুর্তিগড় ও উত্তর ভারতের বীজের সুবিধা এই যে, তা বাংলার বীজের চেয়ে অল্প সময়ে অঙ্কুরিত হয়। তাই সময়মত বীজ বুনতে না পারলে, কোনো কারণে বীজ বপনে দেরি হলে বাংলার বীজই পছন্দ করে কৃষকরা।

হালচাষ

ফেব্রুয়ারি মার্চ-এ আবার বৃষ্টিও তেমন বাকি না। মাটি ভেজা থাকতেই বীজ বপন করতে হয় নইলে অঙ্কুরোদগম হয় না। বাংলাদেশের বীজ-এর মত উত্তর ভারতের বীজে পাশ থেকে গাছের কান্ড বের হয় না। উত্তর ভারতের বীজ থেকে যে চারা গাছ জন্মায় তা তিন ফুটের মত দীর্ঘ হলেই হেঁটে দিতে হয়। গাছ বেশি বড় হলে নিচের দিকের পাতা আপনা থেকেই পড়ে যায় তার ফলে ন্যাড়া দেখায়। বাংলা দেশের গাছের চেয়ে এই ধরনের গাছের ফলন কম। কিন্তু শস্যদানা বেশি কারণ, গাছের পাতাও বেশি। নীল গাছের এই প্রজাতির নাম “লাইনাস ডিসপারমা।”