০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
এক দশকের মোড় ঘুরে গেল: টিভি-সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি ভারতে ডিজেল ও বিমান জ্বালানি রপ্তানিতে বাড়ল অতিরিক্ত কর, অপরিবর্তিত পেট্রোল ‘আংটি আছে তো আসুন, না থাকলে একাই আসুন’—টেলর-ট্রাভিসের বিয়ের নিয়মে চাঞ্চল্য

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৪০)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
  • 101

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


এর বীজম ক্ষেতে বীজ বপনের মোক্ষম সময় হচ্ছে বন্যার পানি যেদিন নেমে যায়। তার পরের দিন। যেসব ক্ষেতে পলিমাটির আবরণ খুব পাতলা এবং বালির ভাগ বেশি তার পরেরতে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বীজ বপন করতে হবে এ ধরনের বীজ বপনকে বলে ছিটানি।

বাক্টোবরে বীজ বপনের দ্বিতীয় পন্থা হচ্ছে বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষেতে দু’তিন বার চাষ দেওয়া। চাষ দেয়ার পরপর ক্ষেতে বীজ ছিটিয়ে দেয়া। শেষে ক্ষেতে মই দেয়া হয়। উচ্চ ভূমিতে যেখানে বন্যার পর ক্ষেতে পলির একটি পাতলা আবরণ পড়েছে শুধুমাত্র সেখানেই এই দ্বিতীয় পন্থায় চাষ করা হয়।

যাত্রা মে পদ্ধতির চাইতে এই দ্বিতীয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয় বেশি। এর কারণ এই যে, এই পদ্ধতিতে ক্ষেতে বীজ বপন করার পর যে চারাগাছ জন্মায় শীতের হিমেল হাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা থাকে তার অনেক বেশি। এতে খরচও কম। কেননা বীজ বপনের আগে ক্ষেত চাষ করলে আগাছা পরিষ্কার করার জন্য ব্যয় হয় কম।

“অক্টোবরে বীজ বপনের কাজ শুরু হলে তা চলে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। বীজ বপনের আট দিন পরও যখন বীজ অঙ্কুরিত না হয় তখন বুঝতে হবে বীজ বপনের সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। পনেরো দিন পরও বীজ হতে দেখা যায়, কিন্তু এর যে চারা জন্মায় তা বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া বাঁচে না।

অক্টোবরে যে ক্ষেতে বীজ বপন করা হয়েছে- তা ছিটানো পদ্ধতিতে হোক বা কর্ষণ করেই হোক তা থেকে ভাল ফসল পেতে হলে- ফসল ওঠার পরে তা কর্ষণ করতে হবে ভাল করে। ক্ষেত কর্ষণ করার সুবিধা দু’দিক দিয়ে। প্রথমতঃ কর্ষণের পর যে হল-রেখা তৈরি হল তার খাঁজে অনেক পলি সঞ্চিত হবে, কর্ষণ করা না হলে তা কিন্তু হত না। দ্বিতীয়তঃ কর্ষণের ফলে ক্ষেতের বেশিরভাগ আগাছাই উঠে আসবে। এতে আগাছা পরিষ্কার করার খরচ কমবে কেননা এগুলো ক্ষেতে থাকলে বন্যার মধ্যে তা আরও বেড়ে উঠত, ফলে পরিষ্কার করার খরচও বেড়ে যেত বহু পরিমাণে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এক দশকের মোড় ঘুরে গেল: টিভি-সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-৪০)

১০:০০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


এর বীজম ক্ষেতে বীজ বপনের মোক্ষম সময় হচ্ছে বন্যার পানি যেদিন নেমে যায়। তার পরের দিন। যেসব ক্ষেতে পলিমাটির আবরণ খুব পাতলা এবং বালির ভাগ বেশি তার পরেরতে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বীজ বপন করতে হবে এ ধরনের বীজ বপনকে বলে ছিটানি।

বাক্টোবরে বীজ বপনের দ্বিতীয় পন্থা হচ্ছে বন্যার পানি নেমে গেলে ক্ষেতে দু’তিন বার চাষ দেওয়া। চাষ দেয়ার পরপর ক্ষেতে বীজ ছিটিয়ে দেয়া। শেষে ক্ষেতে মই দেয়া হয়। উচ্চ ভূমিতে যেখানে বন্যার পর ক্ষেতে পলির একটি পাতলা আবরণ পড়েছে শুধুমাত্র সেখানেই এই দ্বিতীয় পন্থায় চাষ করা হয়।

যাত্রা মে পদ্ধতির চাইতে এই দ্বিতীয় পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয় বেশি। এর কারণ এই যে, এই পদ্ধতিতে ক্ষেতে বীজ বপন করার পর যে চারাগাছ জন্মায় শীতের হিমেল হাওয়া সহ্য করার ক্ষমতা থাকে তার অনেক বেশি। এতে খরচও কম। কেননা বীজ বপনের আগে ক্ষেত চাষ করলে আগাছা পরিষ্কার করার জন্য ব্যয় হয় কম।

“অক্টোবরে বীজ বপনের কাজ শুরু হলে তা চলে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত। বীজ বপনের আট দিন পরও যখন বীজ অঙ্কুরিত না হয় তখন বুঝতে হবে বীজ বপনের সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। পনেরো দিন পরও বীজ হতে দেখা যায়, কিন্তু এর যে চারা জন্মায় তা বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া বাঁচে না।

অক্টোবরে যে ক্ষেতে বীজ বপন করা হয়েছে- তা ছিটানো পদ্ধতিতে হোক বা কর্ষণ করেই হোক তা থেকে ভাল ফসল পেতে হলে- ফসল ওঠার পরে তা কর্ষণ করতে হবে ভাল করে। ক্ষেত কর্ষণ করার সুবিধা দু’দিক দিয়ে। প্রথমতঃ কর্ষণের পর যে হল-রেখা তৈরি হল তার খাঁজে অনেক পলি সঞ্চিত হবে, কর্ষণ করা না হলে তা কিন্তু হত না। দ্বিতীয়তঃ কর্ষণের ফলে ক্ষেতের বেশিরভাগ আগাছাই উঠে আসবে। এতে আগাছা পরিষ্কার করার খরচ কমবে কেননা এগুলো ক্ষেতে থাকলে বন্যার মধ্যে তা আরও বেড়ে উঠত, ফলে পরিষ্কার করার খরচও বেড়ে যেত বহু পরিমাণে।