১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৯৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:৪২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • 125

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

স্মার্ট নেতার জন্যে জরুরী কিছু বিষয় (ছ) 

নেতা কখন তুলনামূলক শক্তিশালী হয়

যখন নেতার দল, টিম বা কোম্পানির সদস্যরা তার সন্তানের মতো হয়, এবং সন্তানের মতো ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দিয়ে তাকে ঘিরে রাখে সেই সময়ই নেতার তুলনা মূলক শক্তিশালী সময়।

এ সময়টিতে তার কর্মী বা সহকর্মীদের নেতা তেমন অবস্থানে নিয়ে যেতে সমর্থ হয় যে, নেতা যদি কোন গভীর খাঁদে পড়ে যায় তার সহকর্মীরাও তার সঙ্গে সেই গভীর খাঁদে চলে যাবে। এবং তারা কখনও মনে করবে না এটা একটি গভীর খাঁদ। তার মনে করবে এটা আসলে কোন গভীর খাঁদ নয়। বাস্তবে এটা পার্ট অফ লাইফ। এমন উত্থান পতন হতেই পারে। এবং এই উত্থান বা পতন শুধু নেতার একার নয় তাদের সকলের।

একটি ভয়াবহ যুদ্ধে একজন জেনারেলের নিজ সন্তানের মতো সৈন্যরা যেমন জীবনের শেষ মুহূর্ত অবধি জেনারেলের সঙ্গে থাকে নেতার কর্মীদেরও সে মনোভাব হবে।

আর এই মনোভাব কখনও আরোপ করে তৈরি করা যায় না।

কীভাবে কর্মীদের মধ্যে এই মনোভাব গড়ে তুলতে হয়-

১. কর্মীরা যেন প্রথম থেকে বুঝতে পারে নেতার ভেতর কোন হিপোক্রেসি নেই। নেতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্বচ্ছ। এবং নেতা অবশ্যই তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সকলের সামনে তুলে ধরবে।

২. যে লক্ষ্যে নেতা এগিয়ে চলেছে এই লক্ষে পৌঁছানোর মতো শুধু সংঘ শক্তি নয় জ্ঞান ভিত্তিক শক্তি নেতার আছে।

৩. নেতার জীবনাচরণ ও কাজের ধরন এমন হতে হবে  যেন তাকে লক্ষ্য করে বা তার সাহচর্যে থেকে কর্মীরা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

৪.  নেতার জীবনাচরণ লক্ষ্য করে যেন কর্মীরা বুঝতে পারে, বাস্তবে নিজ জীবনাচারনই মানুষের সব থেকে বড় শক্তি। সঠিক ও নিয়ামনুবর্তী লাইফ স্টাইল ছাড়া কখনই জীবনে উন্নতি করা বা প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় না।

৫. নেতার অনুপ্রেরনায় যেন কর্মীদের বা টিমের সদস্যদের বা সহকর্মীদের জীবন বোধ ও জীবনাচরণ বদলে যায়।

৬. বদলে যাওয়া এই জীবন বোধের মধ্যে দিয়ে সে যেন বুঝতে পারে সে শুধু সফল নয় একটি ভালো মানুষও হতে চলেছে। আর সেটা নেতার প্রজ্ঞা ও চরিত্রের সাহচর্যে। এবং তারাও ধীরে ধীরে প্রজ্ঞাবান বা প্রকৃত সম্পদের অধিকারী হচ্ছে।

৭. এই বোধ কর্মী বা সহকর্মীকে নেতার সঙ্গে সন্তানের মতো ভালোবাসায় আবদ্ধ করে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ৯৮)

১০:৪২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

স্মার্ট নেতার জন্যে জরুরী কিছু বিষয় (ছ) 

নেতা কখন তুলনামূলক শক্তিশালী হয়

যখন নেতার দল, টিম বা কোম্পানির সদস্যরা তার সন্তানের মতো হয়, এবং সন্তানের মতো ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা দিয়ে তাকে ঘিরে রাখে সেই সময়ই নেতার তুলনা মূলক শক্তিশালী সময়।

এ সময়টিতে তার কর্মী বা সহকর্মীদের নেতা তেমন অবস্থানে নিয়ে যেতে সমর্থ হয় যে, নেতা যদি কোন গভীর খাঁদে পড়ে যায় তার সহকর্মীরাও তার সঙ্গে সেই গভীর খাঁদে চলে যাবে। এবং তারা কখনও মনে করবে না এটা একটি গভীর খাঁদ। তার মনে করবে এটা আসলে কোন গভীর খাঁদ নয়। বাস্তবে এটা পার্ট অফ লাইফ। এমন উত্থান পতন হতেই পারে। এবং এই উত্থান বা পতন শুধু নেতার একার নয় তাদের সকলের।

একটি ভয়াবহ যুদ্ধে একজন জেনারেলের নিজ সন্তানের মতো সৈন্যরা যেমন জীবনের শেষ মুহূর্ত অবধি জেনারেলের সঙ্গে থাকে নেতার কর্মীদেরও সে মনোভাব হবে।

আর এই মনোভাব কখনও আরোপ করে তৈরি করা যায় না।

কীভাবে কর্মীদের মধ্যে এই মনোভাব গড়ে তুলতে হয়-

১. কর্মীরা যেন প্রথম থেকে বুঝতে পারে নেতার ভেতর কোন হিপোক্রেসি নেই। নেতার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য স্বচ্ছ। এবং নেতা অবশ্যই তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সকলের সামনে তুলে ধরবে।

২. যে লক্ষ্যে নেতা এগিয়ে চলেছে এই লক্ষে পৌঁছানোর মতো শুধু সংঘ শক্তি নয় জ্ঞান ভিত্তিক শক্তি নেতার আছে।

৩. নেতার জীবনাচরণ ও কাজের ধরন এমন হতে হবে  যেন তাকে লক্ষ্য করে বা তার সাহচর্যে থেকে কর্মীরা ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

৪.  নেতার জীবনাচরণ লক্ষ্য করে যেন কর্মীরা বুঝতে পারে, বাস্তবে নিজ জীবনাচারনই মানুষের সব থেকে বড় শক্তি। সঠিক ও নিয়ামনুবর্তী লাইফ স্টাইল ছাড়া কখনই জীবনে উন্নতি করা বা প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় না।

৫. নেতার অনুপ্রেরনায় যেন কর্মীদের বা টিমের সদস্যদের বা সহকর্মীদের জীবন বোধ ও জীবনাচরণ বদলে যায়।

৬. বদলে যাওয়া এই জীবন বোধের মধ্যে দিয়ে সে যেন বুঝতে পারে সে শুধু সফল নয় একটি ভালো মানুষও হতে চলেছে। আর সেটা নেতার প্রজ্ঞা ও চরিত্রের সাহচর্যে। এবং তারাও ধীরে ধীরে প্রজ্ঞাবান বা প্রকৃত সম্পদের অধিকারী হচ্ছে।

৭. এই বোধ কর্মী বা সহকর্মীকে নেতার সঙ্গে সন্তানের মতো ভালোবাসায় আবদ্ধ করে।