১১:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

আসামে বন্যা কমেছে কিন্তু একে নিয়ে ভাবার সময় এসেছে

  • Sarakhon Report
  • ০৩:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪
  • 117

নব ঠাকুরিয়া, গৌহাটি

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে আমাদের উচিৎ এর স্থায়ী সমাধানের কৌশল নিয়ে চিন্তা করা। সোমবার পর্যন্ত  দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্যায় ১০৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ৫৫,০০০ মানুষ এখনো রিলিফ ক্যাম্পে অবস্থান করছে।

কাছার , ধুবরি, নাগাও, ধীমাজী, গোলাঘাট,তামুলপুর, চিরাং, ডারাং,গোয়ালপাড়া করিমগঞ্জ জেলার প্রায় ১৩০০ গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ফলে প্রায় ২৫,০০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। প্রতিবছর বন্যায় আসামের প্রায় দশ লাখের উপরে গবাদি পশু ও পোল্ট্রি শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রচুর রাস্তাঘাট, কালভার্ট , ব্রীজ, বিল্ডিং ও স্থাপনা  ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কাজীরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক এবং টাইগার রিজার্ভ ব্রহ্মপুত্রের  পানিতে তলিয়ে গেছে ফলে ১৪৪ টি হরিণ  ও ১০টি রাইনো সহ ১৭৪ টি প্রাণী মারা গেছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ  ২ টি রাইনোর বাচ্চা সহ মোট ১৩৩ টি প্রানীকে বাঁচাতে পেরেছিল । ফিল্ড ডিরেক্টর সোনালী ঘোষ জানান, পার্কের ভিতরে যে সকল ফরেস্ট ক্যাম্প ছিল সবগুলিই পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। এক শিং ওয়ালা রাইনোর জন্যে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা যেটা ৪৩০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে অবস্থিত সেটিও প্রতিবছর এমন বন্যার শিকার হচ্ছে।

অনেক প্রাণী ন্যাশনাল হাইওয়ে-৭১৫ পার হয়ে এর সাউদার্ণ সীমান্তের পাহাড়ী এলাকা কারবি আংলং এ চলে গেছে। অনেক প্রাণী রাস্তা পার হওয়ার সময় চলন্ত গাড়ীর নীচে পড়ে মারা গেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ এসব এলাকায় গাড়ী চালকদের একটি নির্দিষ্ট গতিসীমায় গাড়ী চালাতে  নির্দেশণা দিয়েছিলেন যাতে এধরনের অনাকাংখিত ঘটনা না ঘটে।

২০১৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট  এশিয়াটিক হাতি, ওয়াটার বাফেলো এবং বাঘ এর সাথে এক শিং ওয়ালা ২৬০০ রাইনোকে আশ্রয় দিয়েছিল । বন্যার সময় ৩৫০ টি প্রাণী চলন্তগাড়ীর সাথে ধাক্কা খেয়ে এবং পানিতে ডুবে মারা যায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্য সরকারকে এসব বন্যা মোকাবেলার জন্যে সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ইউনিয়ন মিনিস্টার অমিত শাহও রাজ্যের মুখ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে এ বিষয়ে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

ইউনিয়ন মিনিস্টার সর্বনান্দ সোনোয়াল এবং পবিত্র মার্গারিটা দুজনেই আসাম থেকে নির্বাচিত, যারা এখানকার বন্যা পরিস্থিতির অবলোকন করেছেন তারা নয়া দিল্লি ও দিসপুরকে এর স্থায়ী সমাধানের জোর দাবী জানাবেন। আসামের গভর্নর গুলাব চাদ কাটারিয়া বন্যা দূর্গত এলাকা ঘুরে দেখেছেন ।

মুখ্য মন্ত্রী নিজেই বন্যা দূর্গত এলাকা বারবার পরিদর্শন করেছেন এবংতার স্টেট মিনিস্টার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসবের উপর তরিৎ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন।

স্টেট মিনিস্টার পিযুস হাজারিকা, বিমল বোরা, রনজ পেগু, জয়ন্ত মাল্লাবুরুয়া, জোগেন মোহন, অতুল বোড়া, কেশব মহন্ত, রনজিত কুমার দাস সবাই বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শণ করেছেন এবং রেসকিউ এন্ড রিলিফ অপারেশনের তদারকি করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বন্যা পরবরর্তী অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার এবং গো-খাদ্য  সরবরাহ করেছে।

আসামের প্রতিবেশী রাজ্য যেমন মেঘালয়া, মনিপুর, অরুনাচল, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরামেও প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা হানা দিয়েছিল। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে মনিপুরের ইমফল, থাউবাল, নামবুল ইরিল এলাকা নিমজ্জিত হয়েছিল ফলে প্রচুর আবাদি জমি ও বসতবাড়ি পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

ব্রহ্মপুত্রে পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশও বন্যার কবলে পড়ে। ফলে, প্রায় ৪০,০০০ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। সাম্প্রতিক এই বন্যায় দেশটির প্রায় ১৭টি জেলা দারুন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বন্যায় দেশটিতে প্রায় ১০ ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বন্যার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

আসামের এই বন্যা যদিও অনেকটা স্থায়ী প্রাকৃতিক আঘাত তবুও একে মোকাবেলা করার জন্যেেএগিয়ে আসতে হবে। সরকারী বাঁধ কেন্দ্রিক স্কীমগুলি বাস্তবায়নের জন্যে ঘোষণা হয় ঠিকই কিন্তু বাস্তবায়ন খুব কমই চোখে পড়ে। আমরা একসময় বন্যাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কথা বলি কিন্তু আবার একসময় আমরা বন্যার সাথে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাই।

আমরা যদি বন্যার এই সমস্যা সমাধান করতে না পারি এর ভয়াবহ প্রভাব আমাদের প্রকৃত নীতিমালার খর্ব করবে ।

এখন নয়া দিল্লির উচিৎ হবে উজানের দুটি দেশ ভুটান এবং তিব্বতের সাথে আলোচনায় বসা  যাতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এবং হাইড্রোপাওয়ার একটিভিটিজ  সম্পর্কে আগাম খবর পাওয়া যায়। সরকারের জন্যে এখনই সময় বন্যা নিয়ে গভীরভাবে ভাবা এবং সাধারন মানুষের যাতে ভোগান্তি লাঘব হয় সেজন্যে  খেয়াল রাখা।

 

নব ঠাকুরিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক।

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

আসামে বন্যা কমেছে কিন্তু একে নিয়ে ভাবার সময় এসেছে

০৩:২৭:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪

নব ঠাকুরিয়া, গৌহাটি

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির সাথে সাথে আমাদের উচিৎ এর স্থায়ী সমাধানের কৌশল নিয়ে চিন্তা করা। সোমবার পর্যন্ত  দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্যায় ১০৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ৫৫,০০০ মানুষ এখনো রিলিফ ক্যাম্পে অবস্থান করছে।

কাছার , ধুবরি, নাগাও, ধীমাজী, গোলাঘাট,তামুলপুর, চিরাং, ডারাং,গোয়ালপাড়া করিমগঞ্জ জেলার প্রায় ১৩০০ গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ার ফলে প্রায় ২৫,০০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। প্রতিবছর বন্যায় আসামের প্রায় দশ লাখের উপরে গবাদি পশু ও পোল্ট্রি শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রচুর রাস্তাঘাট, কালভার্ট , ব্রীজ, বিল্ডিং ও স্থাপনা  ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কাজীরাঙ্গা ন্যাশনাল পার্ক এবং টাইগার রিজার্ভ ব্রহ্মপুত্রের  পানিতে তলিয়ে গেছে ফলে ১৪৪ টি হরিণ  ও ১০টি রাইনো সহ ১৭৪ টি প্রাণী মারা গেছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ  ২ টি রাইনোর বাচ্চা সহ মোট ১৩৩ টি প্রানীকে বাঁচাতে পেরেছিল । ফিল্ড ডিরেক্টর সোনালী ঘোষ জানান, পার্কের ভিতরে যে সকল ফরেস্ট ক্যাম্প ছিল সবগুলিই পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। এক শিং ওয়ালা রাইনোর জন্যে বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ এলাকা যেটা ৪৩০ বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে অবস্থিত সেটিও প্রতিবছর এমন বন্যার শিকার হচ্ছে।

অনেক প্রাণী ন্যাশনাল হাইওয়ে-৭১৫ পার হয়ে এর সাউদার্ণ সীমান্তের পাহাড়ী এলাকা কারবি আংলং এ চলে গেছে। অনেক প্রাণী রাস্তা পার হওয়ার সময় চলন্ত গাড়ীর নীচে পড়ে মারা গেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ এসব এলাকায় গাড়ী চালকদের একটি নির্দিষ্ট গতিসীমায় গাড়ী চালাতে  নির্দেশণা দিয়েছিলেন যাতে এধরনের অনাকাংখিত ঘটনা না ঘটে।

২০১৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট  এশিয়াটিক হাতি, ওয়াটার বাফেলো এবং বাঘ এর সাথে এক শিং ওয়ালা ২৬০০ রাইনোকে আশ্রয় দিয়েছিল । বন্যার সময় ৩৫০ টি প্রাণী চলন্তগাড়ীর সাথে ধাক্কা খেয়ে এবং পানিতে ডুবে মারা যায়।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্য সরকারকে এসব বন্যা মোকাবেলার জন্যে সবধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। ইউনিয়ন মিনিস্টার অমিত শাহও রাজ্যের মুখ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে এ বিষয়ে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

ইউনিয়ন মিনিস্টার সর্বনান্দ সোনোয়াল এবং পবিত্র মার্গারিটা দুজনেই আসাম থেকে নির্বাচিত, যারা এখানকার বন্যা পরিস্থিতির অবলোকন করেছেন তারা নয়া দিল্লি ও দিসপুরকে এর স্থায়ী সমাধানের জোর দাবী জানাবেন। আসামের গভর্নর গুলাব চাদ কাটারিয়া বন্যা দূর্গত এলাকা ঘুরে দেখেছেন ।

মুখ্য মন্ত্রী নিজেই বন্যা দূর্গত এলাকা বারবার পরিদর্শন করেছেন এবংতার স্টেট মিনিস্টার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসবের উপর তরিৎ ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন।

স্টেট মিনিস্টার পিযুস হাজারিকা, বিমল বোরা, রনজ পেগু, জয়ন্ত মাল্লাবুরুয়া, জোগেন মোহন, অতুল বোড়া, কেশব মহন্ত, রনজিত কুমার দাস সবাই বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শণ করেছেন এবং রেসকিউ এন্ড রিলিফ অপারেশনের তদারকি করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সাথে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বন্যা পরবরর্তী অবস্থায় বিভিন্ন এলাকায় ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার এবং গো-খাদ্য  সরবরাহ করেছে।

আসামের প্রতিবেশী রাজ্য যেমন মেঘালয়া, মনিপুর, অরুনাচল, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং মিজোরামেও প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যা হানা দিয়েছিল। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে মনিপুরের ইমফল, থাউবাল, নামবুল ইরিল এলাকা নিমজ্জিত হয়েছিল ফলে প্রচুর আবাদি জমি ও বসতবাড়ি পানির নীচে তলিয়ে গেছে।

ব্রহ্মপুত্রে পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশও বন্যার কবলে পড়ে। ফলে, প্রায় ৪০,০০০ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। সাম্প্রতিক এই বন্যায় দেশটির প্রায় ১৭টি জেলা দারুন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই বন্যায় দেশটিতে প্রায় ১০ ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ বন্যার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

আসামের এই বন্যা যদিও অনেকটা স্থায়ী প্রাকৃতিক আঘাত তবুও একে মোকাবেলা করার জন্যেেএগিয়ে আসতে হবে। সরকারী বাঁধ কেন্দ্রিক স্কীমগুলি বাস্তবায়নের জন্যে ঘোষণা হয় ঠিকই কিন্তু বাস্তবায়ন খুব কমই চোখে পড়ে। আমরা একসময় বন্যাকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কথা বলি কিন্তু আবার একসময় আমরা বন্যার সাথে থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাই।

আমরা যদি বন্যার এই সমস্যা সমাধান করতে না পারি এর ভয়াবহ প্রভাব আমাদের প্রকৃত নীতিমালার খর্ব করবে ।

এখন নয়া দিল্লির উচিৎ হবে উজানের দুটি দেশ ভুটান এবং তিব্বতের সাথে আলোচনায় বসা  যাতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত এবং হাইড্রোপাওয়ার একটিভিটিজ  সম্পর্কে আগাম খবর পাওয়া যায়। সরকারের জন্যে এখনই সময় বন্যা নিয়ে গভীরভাবে ভাবা এবং সাধারন মানুষের যাতে ভোগান্তি লাঘব হয় সেজন্যে  খেয়াল রাখা।

 

নব ঠাকুরিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক।