০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জোয়ারে ওরাকলের বড় উত্থান, ২০২৭ সালের আগেই আয়ে নতুন রেকর্ডের ইঙ্গিত পিরিয়ড ট্যাক্সের বিরুদ্ধে তরুণ আইনজীবী মাহনূর ওমরের লড়াই, পাকিস্তানে শুরু নতুন জাতীয় বিতর্ক ১.৭৫ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য: বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজারে নামতে প্রস্তুত ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্রিপ্টো দুনিয়ায় দ্রুত উত্থান ‘স্টেবলকয়েন’-এর, ডলার নির্ভর এই মুদ্রা ঘিরে বাড়ছে ঝুঁকি ও সম্ভাবনার বিতর্ক ইরানপন্থী সমাবেশের আশঙ্কা, লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থী মিছিল নিষিদ্ধ করলেন ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রোমানিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ানোর অনুমোদন হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ; তেল ছাড়তে প্রস্তুত জাপান ও জার্মানি সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই থাইল্যান্ডের জাহাজে হরমুজ প্রণালীতে অজ্ঞাত হামলা, নিখোঁজ তিন নাবিক

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১০৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৪
  • 111

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

নেতার শব্দ চয়ন 

মানুষকে অন্য জীবের সঙ্গে পার্থক্য করে আজ যে এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে এর মূলে ভাষা। অন্য সকল জীবের থেকে মানুষের ভাব প্রকাশের সীমা অসীম। আর এই অসীম সীমানাই মূলত মানুষকে অসীম ক্ষমতাশালী করেছে।

এই ক্ষমতা যে কোন সাধারণ একজনের থেকে সংগঠন প্রধান,  কোম্পানি প্রধান, রাষ্ট্র প্রধান এমনি নেতারাই সব থেকে বেশি ভোগ করে।

তাই তাদের যত ক্ষমতা, যত রকম কাঠামো থাকুক না কেন, মনে রাখা দরকার, ভাষা তার সব থেকে বড় ক্ষমতার উত্‌স।

আর এ্রখানে একটি বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, প্রতিটি ভাষায় প্রতি বছর বহু নতুন শব্দ তৈরি হচ্ছে।

কেন এই নতুন শব্দগুলো তৈরি হয়।

প্রধানত দুই কারণে এই শব্দগুলো তৈরি হয়।

১, আরো বেশি ভাব প্রকাশের জন্য ।

২. ভাষার শালীনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনে।

সভ্যতার এই মূল কারগির ভাষার শালীনতা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।

তাই নেতাকে সব সময়ই ভাষার এই অগ্রগতির সঙ্গে থাকতে হয়।

এমনকি দশ বছর আগে যেটা ডিপ্ললোমেটিক ভাষা, পার্লামেন্টেরিয়ানের ভাষা,  ক্রিকেটারের ভাষা ছিলো, দশ বছর পরে সেটা অতি সাধারণ হয়ে যেতে পারে। এমনকি তা বিপরীত অর্থও সীমায় গিয়েও দাঁড়াতে পারে।

 তাছাড়া প্রতিটি জেনারেশান তাদের নিজস্ব ভাষা তৈরি করে।

এখানেও যা লক্ষ্যনীয় আগে জেনারেশান চেঞ্জ হতো ১২ বছরে।

এখন টেকনোলজির জেনারেশান চেঞ্জ হয় ছয় মাসে।

তাই মানুষের জেনারেশান চেঞ্জ বড় জোর দুই বছর সময় নিচ্ছে। তার বেশি ভাবা ঠিক নয়।

এ কারণে নেতার ভাষা প্রয়োগে অনেক দিক বিবেচনার প্রয়োজন থাকে।

তাকে যেমন নতুন শব্দের সঙ্গে থাকতে হয় তেমনি নতুন জেনারেশানের সঙ্গেও থাকতে হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ধাক্কা: সার-সংকটের শঙ্কায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহ, ক্ষুধার ঝুঁকিতে দরিদ্র দেশ

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১০৬)

০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী।

নেতার শব্দ চয়ন 

মানুষকে অন্য জীবের সঙ্গে পার্থক্য করে আজ যে এ অবস্থানে নিয়ে এসেছে এর মূলে ভাষা। অন্য সকল জীবের থেকে মানুষের ভাব প্রকাশের সীমা অসীম। আর এই অসীম সীমানাই মূলত মানুষকে অসীম ক্ষমতাশালী করেছে।

এই ক্ষমতা যে কোন সাধারণ একজনের থেকে সংগঠন প্রধান,  কোম্পানি প্রধান, রাষ্ট্র প্রধান এমনি নেতারাই সব থেকে বেশি ভোগ করে।

তাই তাদের যত ক্ষমতা, যত রকম কাঠামো থাকুক না কেন, মনে রাখা দরকার, ভাষা তার সব থেকে বড় ক্ষমতার উত্‌স।

আর এ্রখানে একটি বিষয় লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন, প্রতিটি ভাষায় প্রতি বছর বহু নতুন শব্দ তৈরি হচ্ছে।

কেন এই নতুন শব্দগুলো তৈরি হয়।

প্রধানত দুই কারণে এই শব্দগুলো তৈরি হয়।

১, আরো বেশি ভাব প্রকাশের জন্য ।

২. ভাষার শালীনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনে।

সভ্যতার এই মূল কারগির ভাষার শালীনতা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে।

তাই নেতাকে সব সময়ই ভাষার এই অগ্রগতির সঙ্গে থাকতে হয়।

এমনকি দশ বছর আগে যেটা ডিপ্ললোমেটিক ভাষা, পার্লামেন্টেরিয়ানের ভাষা,  ক্রিকেটারের ভাষা ছিলো, দশ বছর পরে সেটা অতি সাধারণ হয়ে যেতে পারে। এমনকি তা বিপরীত অর্থও সীমায় গিয়েও দাঁড়াতে পারে।

 তাছাড়া প্রতিটি জেনারেশান তাদের নিজস্ব ভাষা তৈরি করে।

এখানেও যা লক্ষ্যনীয় আগে জেনারেশান চেঞ্জ হতো ১২ বছরে।

এখন টেকনোলজির জেনারেশান চেঞ্জ হয় ছয় মাসে।

তাই মানুষের জেনারেশান চেঞ্জ বড় জোর দুই বছর সময় নিচ্ছে। তার বেশি ভাবা ঠিক নয়।

এ কারণে নেতার ভাষা প্রয়োগে অনেক দিক বিবেচনার প্রয়োজন থাকে।

তাকে যেমন নতুন শব্দের সঙ্গে থাকতে হয় তেমনি নতুন জেনারেশানের সঙ্গেও থাকতে হয়।