সারাক্ষণ ডেস্ক
প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “সারা দেশে দেড় হাজার ভাস্কর্য ও ম্যুরাল ভাঙচুর”
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় দেড় হাজার ভাস্কর্য, রিলিফ ভাস্কর্য, ম্যুরাল ও স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও উপড়ে ফেলা হয়েছে। এসব ভাস্কর্য ও ম্যুরালের বেশির ভাগই ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, স্বাধীনতাসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক। ধ্বংস করা হয়েছে ময়মনসিংহের শশীলজের ভেনাসের মূর্তি, সুপ্রিম কোর্টের থেমিস ও শিশু একাডেমির দুরন্ত ভাস্কর্যটিও।
প্রথম আলোর প্রতিনিধিরা খোঁজ নিয়ে ৫ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে ৫৯টি জেলায় ১ হাজার ৪৯৪টি ভাস্কর্য, রিলিফ ভাস্কর্য (সিরামিক বা টেরাকোটা দিয়ে দেয়ালে খোদাই করে ফুটিয়ে তোলা অবয়ব), ম্যুরাল ও স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও উপড়ে ফেলার তথ্য পেয়েছেন। বেশির ভাগ ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটেছে ৫, ৬ ও ৭ আগস্ট।
ইত্তেফাক এর একটি শিরোনাম “বেড়েছে রেমিট্যান্স: ১৭ দিনে এসেছে ১১৩ কোটি ডলার”
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে দেশে রেমিট্যান্স আসা থমকে গেলেও অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর গতি বেড়েছে। আগস্টের প্রথম ১৭ দিনে দেশে বৈধ পথে ১১৩ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে ৪ আগস্ট থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এসেছে ৬৫ কোটি ১৪ লাখ ডলার। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর আবার দেশ গঠনে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে ক্যাম্পেইন শুরু করেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। এর ফলে আবারও প্রবাসী আয় এখন বাড়তে শুরু করেছে বলে মনে করেন ব্যাংকাররা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি আগস্ট মাসের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশে যে পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৫ কোটি ২৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৯৪ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২১ লাখ ৫০ হাজার ডলার।
গত জুলাইয়ে কোটা সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশ জুড়ে সংঘাত- সংঘর্ষ, কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধের প্রেক্ষাপটে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যায়। ঐ সময় দেশে বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স না পাঠানোর বিষয়ে ক্যাম্পেইন করেন অনেক প্রবাসী। যার প্রভাব পড়েছিল প্রবাসী আয়ে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে ১৯০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা ছিল গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া চলতি বছরের জুন মাসের তুলনায় জুলাই মাসে রেমিট্যান্স কমেছে ৬৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার।
বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “অর্থনীতিতে অলিগার্কদের প্রভাব দূর করাই অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ”
ক্ষমতার প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ফুলেফেঁপে ওঠা অল্প কিছু ব্যক্তির হাতে দেশের অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ চলে গেলে তারা পরিচিতি পান অলিগার্ক হিসেবে। সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের নীতিনির্ধারণ থেকে শুরু করে বাজার নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত সবখানেই দেখা যায় তাদের শক্তিশালী উপস্থিতি। গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাষ্ট্রের অবাধ পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে ফুলেফেঁপে উঠেছেন এমন বেশ কয়েকজন বড় ব্যবসায়ী। দেশের অর্থনীতির বৃহদংশই তাদের ও তাদের মালিকানাধীন শিল্প গ্রুপগুলোর নিয়ন্ত্রণে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ অলিগার্কদের অনেকেই লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন। গ্রেফতার বা সম্পদ ক্রোকের আতঙ্কেও রয়েছেন তাদের কেউ কেউ।
গত দেড় দশকে অলিগার্ক হিসেবে অর্থনীতিতে ব্যাপক মাত্রায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন এমন ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন সালমান এফ রহমান (বেক্সিমকো গ্রুপ), মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদ (এস আলম গ্রুপ), মুহাম্মদ আজিজ খান (সামিট গ্রুপ), আহমেদ আকবর সোবহান (বসুন্ধরা গ্রুপ), মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম (ওরিয়ন গ্রুপ) ও মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার (নাসা গ্রুপ)।
এর মধ্যে সালমান এফ রহমান ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা। বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যানের পাশাপাশি আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি। দেশের ওষুধ শিল্পের শীর্ষ কোম্পানি বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের পাশাপাশি বস্ত্র, সিরামিকস, রিয়েল এস্টেট, নির্মাণ, ট্রেডিং, সামুদ্রিক খাবার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মিডিয়া, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ৩০টিরও বেশি কোম্পানি রয়েছে বেক্সিমকোর। গ্রুপটির অন্যতম কর্ণধার সালমান এফ রহমান শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়ে ১০ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে সরকারের একজন মন্ত্রী সমমর্যাদার পদে থেকে অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নীতি প্রণয়ন ও এর প্রয়োগ ঘটিয়ে নিজের ব্যবসা সম্প্রসারণের অভিযোগ রয়েছে। রয়েছে ব্যাংক চেয়ারম্যান হিসেবে এককভাবে ঋণ বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়া ও নিজেই নামে-বেনামে ঋণ গ্রহণের অভিযোগও। দেশের ব্যাংক খাতে এখন বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণের পরিমাণ অন্তত ৫৬ হাজার কোটি টাকা। এর বড় অংশই খেলাপি হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকাররা।
আর্থিক খাতে বড় মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলম মাসুদেরও। দেশের অন্তত সাতটি বেসরকারি ব্যাংকের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, তার প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে বড় ঋণগ্রহীতাও। এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে অন্তত দুই ডজনের বেশি ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি ঋণ নেয়ার অভিযোগ আছে। ভোগ্যপণ্য আমদানির বাজারেও রয়েছে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ। পাশাপাশি বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে বড় বিনিয়োগ রয়েছে গ্রুপটির। অভিযোগ রয়েছে, গভর্নর-ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ থেকে শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্তে এস আলমের প্রভাব ছিল।
দেশের বিদ্যুৎ খাতের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের হাতে। বেসরকারি খাতে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ১৮ শতাংশই এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে গ্রুপটি। এ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়েছে মূলত গত দেড় দশকে। বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতের অন্যতম প্রভাবক গ্রুপ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ওবায়দুল করিমের ওরিয়ন গ্রুপ। এ গ্রুপের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের ঘনিষ্ঠতা ছিল বলে জানা গেছে।
ভূমি উন্নয়ন ও আবাসনসহ বিভিন্ন খাতের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে আহমেদ আকবর সোবহানের বসুন্ধরা গ্রুপ। টানা ১৬ বছর ধরে ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদেও রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের অর্থনীতিতে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করা এ ছয় গ্রুপের ঋণের স্থিতি এখন ২ লাখ কোটি টাকারও বেশি। আর প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তাদের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়েছে আড়াই লাখেরও বেশি মানুষের।
অর্থনীতির পর্যবেক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অর্থনীতিতে অলিগার্কদের প্রভাব দূর করা এখন অন্তর্বতী সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। এজন্য সরকারকে চূড়ান্ত মাত্রায় সতর্ক ও পরিপক্ব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। জাতীয় অর্থনীতিতে তাদের অবাধে সম্পদ আহরণের সুযোগ বহাল থাকলে আর্থিক খাত ও বাজার ব্যবস্থাপনার সংকটগুলো আগের মতোই বহাল থাকবে। আবার অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাবগুলো বিবেচনায় না নিয়ে হঠকারী কোনো পদক্ষেপ নেয়া হলে বাজার ধস, মূল্যস্ফীতির মতো সংকট প্রকট হয়ে ওঠারও জোর আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশের মতোই বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ক্ষমতার সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় বৃহৎ শিল্পোদ্যোক্তাদের ফুলেফেঁপে ওঠার অনেক নজির পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে অর্থনীতিতে এখন পর্যন্ত শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার চেবলগুলোকেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে। অর্থনীতিকে আমূল বদলে দেয়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও পরিকল্পনা থেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এক সম্পদশালী গোষ্ঠী গড়ে তুলেছিলেন দেশটির সাবেক সামরিক শাসক জেনারেল পার্ক চুং-হি। ষাটের দশকে তার শাসনামলে ব্যক্তি খাতের পরিবারভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেয়া হয় ভর্তুকি, প্রণোদনা, করছাড়, সহজ অর্থায়নসহ সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা। আবার এগুলোকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পণ্য, সেবা, ব্যবস্থাপনাসহ ব্যবসার প্রতিটি অনুষঙ্গ নিয়ে নিয়মিতভাবে গবেষণা-উন্নয়ন চালিয়ে যায়, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়। জোর দেয়া হয় ব্যবসার সামাজিক ভিত্তি গড়ে তোলার ওপর।
এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গণ্ডি পেরিয়ে বৃহৎ আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহ দেয়া হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় হয়ে ওঠা নিশ্চিত করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা। আর প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দেশটির অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রাপ্রবাহ ও জনকল্যাণমূলক ভিত্তি গড়ে তোলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সরকারের নীতিমালা ও নজরদারি। এর সুবাদে ব্যবসার গণ্ডি বড় হয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো রূপ নেয় বৈশ্বিক জায়ান্টে। পারিবারিক এসব ব্যবসা দক্ষিণ কোরিয়ায় পরিচিতি পায় চেবল (চে=সম্পদ, বল=গোষ্ঠী) হিসেবে। স্যামসাং, হুন্দাই, এলজি, লোটের মতো দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক বৈশ্বিক জায়ান্ট ব্র্যান্ডগুলোর প্রায় সবক’টিই সফল চেবলের উদাহরণ। দেশটির রফতানি আয় ও বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান তৈরিতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে এ প্রতিষ্ঠানগুলোই। দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর অন্যতম করে তোলার পেছনে এসব প্রতিষ্ঠানকেই কৃতিত্ব দেয়া হয় সবচেয়ে বেশি।
মানবজমিনের একটি শিরোনাম “৯৮৮ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণ”
সারাদেশের উপজেলা পরিষদের ৯৮৮ জন ভাইস চেয়ারম্যানকে অপসারণ করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। এর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান ৪৯৪ জন (পুরুষ) এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ৪৯৪ জন। সোমবার স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর ধারা ১৩ঘ প্রয়োগ করে এসব ভাইস চেয়ারম্যান ও সব মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানকে উপজেলা পরিষদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হলো। এর আগে, ৪৯৩ উপজেলা চেয়ারম্যানকে অপসারণ করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
Sarakhon Report 



















