০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র, পুরো উৎপাদন থেমে গেল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গঠনে বিএনপির সামনে কঠিন পরীক্ষা, বলছে ক্রাইসিস গ্রুপ ইসরায়েলি হামলায় নিহত লেবাননের সাংবাদিক আমাল খলিল, আহত জেইনাব ফারাজ বাংলাদেশের দ্রুত প্রবৃদ্ধিতে জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে: এডিবি বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করলেন মুস্তাফিজের পাঁচ উইকেট, শান্তর সেঞ্চুরি ঢাকায় পরীক্ষামূলক ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত ইরানে নতুন ক্ষমতার সমীকরণ: সর্বোচ্চ নেতার আড়ালে জেনারেলদের দখল লেবানন–ইসরায়েল আলোচনা: শান্তির পথ নাকি জাতীয় আদর্শের সঙ্গে আপস? তীব্র তাপপ্রবাহে ভিক্টোরিয়ার উড়ন্ত শিয়াল বিপর্যয়, শত শত নয় হাজারো প্রাণ বাঁচাল জরুরি অভিযান হরমুজ প্রণালীতে শক্তি প্রদর্শন নিয়ে ইরানের গর্ব

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫১)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 101

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই হাতে কাটা তাঁতশাড়ি সাধারণত একই আকার ও দামের করা হত। কিন্তু স্প্যানিশ আগমনের পর এই তাঁতবস্ত্রকে মায়ারা নানা অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে ব্যবহার করেছে। এই মায়াশাড়ি পাতি আবার ভারতবর্ষের বাংলা, অসমে দেখা যায়। এইসব অঞ্চলে পাতির অর্থ হল লম্বা একফালি কাপড়। আবার এমন হতে পারে যে বিশেষ কায়দায় বোনা শাড়ি হল পাট (পাটভাঙা শাড়ি স্মর্তব্য)।

সংস্কৃত ভাষায় আমরা দেখেছি পাট্টা। মায়া এবং মায়াদের মধ্যে এটি হল ধ্বনিগত ও শব্দগত সাদৃশ্যের নমুনা। এই মিল প্রসঙ্গে পুরাতাত্ত্বিকরা মনে করেন প্রাচীনকালে ভারতবর্ষ ও মেক্সিকোর মধ্যে সূতো, শাড়ির ব্যবসা ছিল। এই সূত্র থেকে শব্দ ও অন্যান্য দিকে পারস্পরিক প্রভাব প্রক্রিয়া ঘটেছিল বলে মনে করা হয়।

মায়া-সমাজে রঙ্গীন চিত্রাঙ্কণ: মায়াদের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, চারুকলা সব রকমের গুণাবলী দেখা গেছে। এই গুণাবলীর অন্যতম সংযোজন হল রঙ্গীন চিত্রাঙ্কণ বা পেইন্টিং। চিত্রকলায় মায়ারা এক উচ্চমার্গীয় স্তরে পৌঁছেছিল। মায়াদের চিত্রাঙ্কণ বিশেষ মান অর্জন করেছিল দেয়ালচিত্রে। মহাভারতের যুগে আমাদের দেশে রাজপ্রাসাদ তৈরিতে মায়া-স্থাপত্যের বিশেষ ভূমিকা ছিল।

এই মিল ও প্রভাব থেকে একথা মনে করা যায় মেক্সিকো ও ভারতবর্ষের স্থপতি ও ভাস্কররা দুই দেশে কাজ করেছিলেন। বিশেষ করে অজন্তার গুহা ভাস্কর্যে যে দক্ষতা শৈলীর ছাপ আমরা দেখি তাতে মেক্সিকো তথা মায়াশিল্পীদের ছাপ স্পষ্ট অনুভব করা যায়। আবার মেক্সিকোতে দেয়ালচিত্রে যেসব হাতির মাথা নিয়ে দেবতামূর্তি দেখা যায় তা থেকে মনে করা যায় ভারতীয় শিল্পী ও ভাস্কররা মেক্সিকোতে গিয়ে এই ধরনের কাজ করেছিল। কেননা ঐ সময়ে মেক্সিকোতে হাতি বা হাতির ধারণা ছিল না।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্র, পুরো উৎপাদন থেমে গেল

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫১)

০৬:০০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই হাতে কাটা তাঁতশাড়ি সাধারণত একই আকার ও দামের করা হত। কিন্তু স্প্যানিশ আগমনের পর এই তাঁতবস্ত্রকে মায়ারা নানা অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে ব্যবহার করেছে। এই মায়াশাড়ি পাতি আবার ভারতবর্ষের বাংলা, অসমে দেখা যায়। এইসব অঞ্চলে পাতির অর্থ হল লম্বা একফালি কাপড়। আবার এমন হতে পারে যে বিশেষ কায়দায় বোনা শাড়ি হল পাট (পাটভাঙা শাড়ি স্মর্তব্য)।

সংস্কৃত ভাষায় আমরা দেখেছি পাট্টা। মায়া এবং মায়াদের মধ্যে এটি হল ধ্বনিগত ও শব্দগত সাদৃশ্যের নমুনা। এই মিল প্রসঙ্গে পুরাতাত্ত্বিকরা মনে করেন প্রাচীনকালে ভারতবর্ষ ও মেক্সিকোর মধ্যে সূতো, শাড়ির ব্যবসা ছিল। এই সূত্র থেকে শব্দ ও অন্যান্য দিকে পারস্পরিক প্রভাব প্রক্রিয়া ঘটেছিল বলে মনে করা হয়।

মায়া-সমাজে রঙ্গীন চিত্রাঙ্কণ: মায়াদের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, চারুকলা সব রকমের গুণাবলী দেখা গেছে। এই গুণাবলীর অন্যতম সংযোজন হল রঙ্গীন চিত্রাঙ্কণ বা পেইন্টিং। চিত্রকলায় মায়ারা এক উচ্চমার্গীয় স্তরে পৌঁছেছিল। মায়াদের চিত্রাঙ্কণ বিশেষ মান অর্জন করেছিল দেয়ালচিত্রে। মহাভারতের যুগে আমাদের দেশে রাজপ্রাসাদ তৈরিতে মায়া-স্থাপত্যের বিশেষ ভূমিকা ছিল।

এই মিল ও প্রভাব থেকে একথা মনে করা যায় মেক্সিকো ও ভারতবর্ষের স্থপতি ও ভাস্কররা দুই দেশে কাজ করেছিলেন। বিশেষ করে অজন্তার গুহা ভাস্কর্যে যে দক্ষতা শৈলীর ছাপ আমরা দেখি তাতে মেক্সিকো তথা মায়াশিল্পীদের ছাপ স্পষ্ট অনুভব করা যায়। আবার মেক্সিকোতে দেয়ালচিত্রে যেসব হাতির মাথা নিয়ে দেবতামূর্তি দেখা যায় তা থেকে মনে করা যায় ভারতীয় শিল্পী ও ভাস্কররা মেক্সিকোতে গিয়ে এই ধরনের কাজ করেছিল। কেননা ঐ সময়ে মেক্সিকোতে হাতি বা হাতির ধারণা ছিল না।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৫০)