০২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন অনলাইনে কতটা ক্ষতি করছে আপনার এক ক্লিক? এআই, ভিডিও আর দৈনন্দিন অভ্যাসের অদৃশ্য কার্বন হিসাব কাজ ফেলে রাখার ফাঁদ: আলস্য নয়, স্ট্রেসই আসল কারণ এআই প্রেম থেকে মৃত্যুর পর কণ্ঠ—মানবজীবনের সীমানায় নতুন ঝড় এআই নিজেই বানাচ্ছে গোপন আঁতাত, বাড়ছে দাম—বাজারে নতুন ঝুঁকির সতর্কতা এআই প্রেমের ফাঁদ: ভার্চুয়াল সম্পর্ক কি বাড়াচ্ছে একাকিত্বের ঝুঁকি? এআই চ্যাটবটের কাছে মন খুলছে মানুষ: মানসিক সহায়তায় নতুন ভরসা নাকি বড় ঝুঁকি? আমাজনের গাছ নিজেরাই বৃষ্টি ডাকে: বাতাস ‘শুঁকে’ মিলল নতুন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে অন্ত্রের ক্যানসার, নেপথ্যে জীবনযাপন ও পরিবেশের জটিল প্রভাব ম্যালেরিয়ার মতো জটিল রোগ কি শিশুদের মস্তিষ্কে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে?

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১২)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪
  • 116

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘অতো দেব। অবস্তু নো যতো বিষ্ণুবিচক্রমে। পৃথিব্যাঃ সপ্ত ধামভিঃ’। অর্থাৎ বিষ্ণু সপ্তকিরণের সহিত যে ভূ প্রদেশ হইতে পরিক্রমন করিয়াছিলেন সেই প্রদেশ হইতে দেবগণ আমাদিগকে রক্ষা করুন। ‘অষ্টাপদী নবপদী বহুনুযী সহস্রাক্ষরা পরমে ব্যোমেন’। অর্থাৎ কখনও অষ্টপদী, কখনও নবপদী হন এবং সহস্রাক্ষর। পরিমিত অন্তরীক্ষের উপর থাকিয়া শব্দ করেন। ঋগ্বেদে শত, সহস্র, অযুত, প্রভৃতির উল্লেখ আমরা দেখতে পাই। উদাহরণস্বরূপ অষ্টম মণ্ডলের প্রথম হুক্তের নবম ঋকটি তুলে ধরছি-

‘যে তে সন্তি দশগ্নিনঃ শতিনো যে সহস্রিণঃ অশ্বাসো যে তে বৃষণো রঘুদ্ধদ্রুবস্তেভির্নং য়মা গহি’। অর্থাৎ হে ইন্দ্র, তোমার দশ যোজনগামী শত সংখ্যক ও সহস্র সংখ্যক অশ্ব আছে, তাহারা সেচনে সমর্থ ও শীঘ্রগামী, সেই অশ্বের সাহায্যে শীঘ্র আগমন কর।

‘মহে চন ত্বামদ্রিবঃ পরা শুঙ্কায় দেয়াম্
ন সহস্রায় নাযুতায় বস্ত্রিবো ন শতায় শতামঘ,।

অর্থাৎ হে বজ্রবান ইন্দ্র! তোমাকে মহামূল্যেও বিক্রয় করিনা। হে বজ্রহস্ত। সহস্র সংখ্যক ও অযুত সংখ্যক ধনের জন্যেও করিনা এবং হে বহুধন! অপরিমিত ধনের জন্যেও করি না।

‘শিক্ষা বিভিন্দো অস্মৈ চত্বার্থযুতা দদৎ। অষ্টা পরঃ সহস্র’। অর্থাৎ হে বিভিন্দু, তুমি দাতা, তুমি আমাকে চারি অমৃত ধন দান করিয়াছ। পরে আট সহস্র সংখ্যক দান করিয়াছ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১১)

 

পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১২)

১০:০০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

‘অতো দেব। অবস্তু নো যতো বিষ্ণুবিচক্রমে। পৃথিব্যাঃ সপ্ত ধামভিঃ’। অর্থাৎ বিষ্ণু সপ্তকিরণের সহিত যে ভূ প্রদেশ হইতে পরিক্রমন করিয়াছিলেন সেই প্রদেশ হইতে দেবগণ আমাদিগকে রক্ষা করুন। ‘অষ্টাপদী নবপদী বহুনুযী সহস্রাক্ষরা পরমে ব্যোমেন’। অর্থাৎ কখনও অষ্টপদী, কখনও নবপদী হন এবং সহস্রাক্ষর। পরিমিত অন্তরীক্ষের উপর থাকিয়া শব্দ করেন। ঋগ্বেদে শত, সহস্র, অযুত, প্রভৃতির উল্লেখ আমরা দেখতে পাই। উদাহরণস্বরূপ অষ্টম মণ্ডলের প্রথম হুক্তের নবম ঋকটি তুলে ধরছি-

‘যে তে সন্তি দশগ্নিনঃ শতিনো যে সহস্রিণঃ অশ্বাসো যে তে বৃষণো রঘুদ্ধদ্রুবস্তেভির্নং য়মা গহি’। অর্থাৎ হে ইন্দ্র, তোমার দশ যোজনগামী শত সংখ্যক ও সহস্র সংখ্যক অশ্ব আছে, তাহারা সেচনে সমর্থ ও শীঘ্রগামী, সেই অশ্বের সাহায্যে শীঘ্র আগমন কর।

‘মহে চন ত্বামদ্রিবঃ পরা শুঙ্কায় দেয়াম্
ন সহস্রায় নাযুতায় বস্ত্রিবো ন শতায় শতামঘ,।

অর্থাৎ হে বজ্রবান ইন্দ্র! তোমাকে মহামূল্যেও বিক্রয় করিনা। হে বজ্রহস্ত। সহস্র সংখ্যক ও অযুত সংখ্যক ধনের জন্যেও করিনা এবং হে বহুধন! অপরিমিত ধনের জন্যেও করি না।

‘শিক্ষা বিভিন্দো অস্মৈ চত্বার্থযুতা দদৎ। অষ্টা পরঃ সহস্র’। অর্থাৎ হে বিভিন্দু, তুমি দাতা, তুমি আমাকে চারি অমৃত ধন দান করিয়াছ। পরে আট সহস্র সংখ্যক দান করিয়াছ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১১)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-১১)