১১:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
সাগরে ১৬ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বাবা ও দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার ব্রিটিশ ব্যবসার নীরবতা: রাজনীতিতে কথা না বলার খেসারত দিচ্ছে ব্যবসায়ীরা মোগাদিশুতে ফিরছে স্বস্তি, তবে শান্তির আড়ালে রয়ে গেছে বড় শঙ্কা জাম্বিয়ার তামার সমৃদ্ধি, কিন্তু মানুষের ঘরে স্বস্তি কোথায়? মক্কা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের নতুন প্রতিরক্ষা জোটে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ২৬৫ মৃত্যু, উদ্ধার তৎপরতায় বৈষম্যের অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ইসলামের পতন, তবু শেষ হয়ে যায়নি মুসলিম ব্রাদারহুড ইউরোপকে এক করার অদৃশ্য কারিগর কারা? লেবার ও ব্যবসা: অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে সম্পর্ক মেরামতের নতুন সুযোগ শান্তির কথা বলাই এখন রাশিয়ায় অপরাধ, নির্বাচনের দৌড় থেকে বাদ উদারপন্থী ইয়াব্লোকো

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 135

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে ১৬ ঘণ্টা ভেসে থাকার পর বাবা ও দুই ছেলেকে জীবিত উদ্ধার

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।