০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
রঘু রাইয়ের ক্যামেরা ছিল শুধু ছবি তোলার যন্ত্র নয়, এক ধরনের জীবনদর্শন ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনায় রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণে বড় বাধা কমছে, বদলে যেতে পারে শহরের ভবিষ্যৎ ট্রাম্পের প্রতিশোধ রাজনীতি নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যের হাসি, আড়ালে তাইওয়ান-ইউক্রেন-ইরান উত্তেজনা ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ জ্বালানি সংকটে নতুন সতর্কবার্তা, জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে নবায়নযোগ্য শক্তিতে জোর দেওয়ার আহ্বান

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 111

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রঘু রাইয়ের ক্যামেরা ছিল শুধু ছবি তোলার যন্ত্র নয়, এক ধরনের জীবনদর্শন

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।