১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ ফ্রান্সে ব্যাটারি শিল্পে নতুন দিগন্ত, তাইওয়ানের বিনিয়োগ আকর্ষণে মনোযোগ খাগড়াছড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামীকে ঘিরে পরিবারের অভিযোগ ভোটের আগে মুর্শিদাবাদে বিতর্ক: ‘মীর জাফরের বংশধর’ দাবি করা ৩৪৬ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ খ্রিস্টানদের ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটির দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, আরও ১৪ জেলায় দায়িত্ব বণ্টন জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত: আন্তর্জাতিক বাজারে চাপের মধ্যেও এপ্রিলজুড়ে স্থিতিশীলতা চাঁদপুরে হাম আতঙ্ক: তিন শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বাড়ছে দ্রুত ঝিনাইদহে তেল মজুত করে বিক্রি বন্ধ, চার পাম্পে জরিমানা—ভোক্তাদের স্বস্তি ফেরাতে কঠোর অভিযান ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতন, ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক—অভিযুক্তরা এখনো পলাতক

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 101

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ১৯)

০৪:৪৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

উনত্রিশ

আমি তাঁকে প্রশ্ন করলাম, পজ নিশিয়েৎ বলেছিল যে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডাক্তাররা মারছে। তার সংগে এবিষয়ে কি আপনি এক মত?”

“তোমার জানতে কি খুবই ইচ্ছে করছে?”

“খুব।”

“তাহ’লে তো বলবো না।”

তিনি তাঁর বৃদ্ধাংগুষ্ঠ দুটিকে নিয়ে খেলা করতে করতে মৃদু হাসলেন।

আমার মনে আছে তাঁর একটি গল্পে তিনি একটি গ্রাম্য হাতুড়ে পশুডাক্তার এবং ডক্টর অব মেডিসিনের মধ্যে তুলনা করেছিলেন:

“হাতুড়েরা-ও যে সকল শব্দ ব্যবহার করে, সেগুলি স্নায়ু, বাত, এবং অংগপ্রত্যংগ প্রভৃতির অনুরূপ নয় কি?”

একথাগুলি তিনি লিখেছিলেন জেনার, বেহরিং, এবং পাস্তরেরও ‘পরে। মানসিক বিকার ছাড়া আর কী!

ত্রিশ

তিনি তাস খেলতে যে এতো ভালোবাসেন, তা সত্যই অস্বাভাবিক লাগে। তিনি খেলেন গুরুত্বের সংগে, আবেগের সংগে। তাস তুলবার সময় তাঁর হাতদুটি আবেগে কাঁপতে থাকে। ঠিক মনে হয়, যেন তিনি কয়েকটা নিষ্প্রাণ কার্ডবোর্ডের টুকরো না তুলে তুলছেন জীবন্ত পাখী-গুলিকে।