১১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ ফ্রান্সে ব্যাটারি শিল্পে নতুন দিগন্ত, তাইওয়ানের বিনিয়োগ আকর্ষণে মনোযোগ খাগড়াছড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামীকে ঘিরে পরিবারের অভিযোগ ভোটের আগে মুর্শিদাবাদে বিতর্ক: ‘মীর জাফরের বংশধর’ দাবি করা ৩৪৬ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ খ্রিস্টানদের ইস্টার সানডেতে সরকারি ছুটির দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ, আরও ১৪ জেলায় দায়িত্ব বণ্টন জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত: আন্তর্জাতিক বাজারে চাপের মধ্যেও এপ্রিলজুড়ে স্থিতিশীলতা চাঁদপুরে হাম আতঙ্ক: তিন শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি বাড়ছে দ্রুত ঝিনাইদহে তেল মজুত করে বিক্রি বন্ধ, চার পাম্পে জরিমানা—ভোক্তাদের স্বস্তি ফেরাতে কঠোর অভিযান ঝিনাইদহে স্কুলছাত্রীকে পাশবিক নির্যাতন, ভিডিও ছড়িয়ে আতঙ্ক—অভিযুক্তরা এখনো পলাতক

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২০)

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 98

ম্যাকসিম গোর্কী

একত্রিণ

“ডিকেন্স অত্যন্ত বুদ্ধিমানের মতো একটি কথা বলেছেন: ‘আমরা শেষ পর্যন্ত সাহসের সহিত জীবনকে রক্ষা করিব এই সুনির্দিষ্ট শর্তে-ই আমাদিগকে জীবন দেওয়া হইয়াছে।’ মোটামুটি, ডিকেন্স ছিলেন একজন ভাবপ্রবণ, বাচাল এবং সাধারণ-বুদ্ধি-সম্পন্ন লেখক।

তবে তিনি উপন্যাসের গঠন সম্বন্ধে যেমনটি জানতেন, তেমনটি আর কেউ জানতো না, এমন কি বালজাকও না। কে যেন বলেছেন: ‘বই লেখার বাসনাটা অনেকের মধ্যেই আছে, কিন্তু বই লেখার পর সেজন্যে তাঁরা বড়ো একটা লজ্জিত হন না।’

বালজাকও লজ্জিত হন নি, ডিকেন্সও লজ্জিত হন নি, যদিও তাঁরা দুজনেই অনেক বাজে বই লিখেছেন। তথাপি, বালজাক একজন প্রতিভা, অন্তত পক্ষে সেই বস্তু, যাকে প্রতিভা বলতে পারো।…”

[কে যেন লিও টিথমিরড়ের লেখা ‘আমি বিপ্লবী হওয়া ছাড়িলাম কেন’ বইখানা এনেছিল। লিও নিকোলাইয়েভিচ বইখানা টেবিলের ওপর থেকে নিয়ে শূন্যে তুলে একবার ঘুরালেন, বললেন: “রাজনীতিক হত্যা সম্বন্ধে তিনি এতে যা বলেছেন, তা ভালোই; কিন্তু সে রীতির মধ্যে কোনো সুস্পষ্ট একটা ভাব নেই। একজন উন্মত্ত হত্যাকারী বলছে যে, সে ভাবটি একমাত্র হ’তে পারে ব্যষ্টির অরাজক সার্বভৌমতা এবং সমষ্টির প্রতি ও মানব-সমাজের প্রতি ঘৃণা। তা সত্য, কিন্তু ‘অরাজক সার্বভৌমতাট’ লেখার ভুল মাত্র, এটা হওয়া উচিত ‘সরাজক সার্বভৌমতা।’ এই ভাবটি ভালো এবং সত্য, দুই। সন্ত্রাসবাদীরা এই ভাবটাকে ডিঙিয়ে পার হয়ে যাবে-মানে, আমি বলছি, সত্যকারের যারা সন্ত্রাসবাদী। কিন্তু যে সব লোক স্বভাববশে হত্যা করতে ভালবাসে, তারা ওটাকে ডিঙোবে না। তারা হোলো নিছক খুনী। কেবল মাত্র দৈবক্রমে সন্ত্রাসবাদী হয়ে পড়েছে।”]

জনপ্রিয় সংবাদ

ইন্দোনেশিয়ার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রিমোট ওয়ার্ক ও বায়োডিজেলের বিশাল পদক্ষেপ

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২০)

০৪:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

একত্রিণ

“ডিকেন্স অত্যন্ত বুদ্ধিমানের মতো একটি কথা বলেছেন: ‘আমরা শেষ পর্যন্ত সাহসের সহিত জীবনকে রক্ষা করিব এই সুনির্দিষ্ট শর্তে-ই আমাদিগকে জীবন দেওয়া হইয়াছে।’ মোটামুটি, ডিকেন্স ছিলেন একজন ভাবপ্রবণ, বাচাল এবং সাধারণ-বুদ্ধি-সম্পন্ন লেখক।

তবে তিনি উপন্যাসের গঠন সম্বন্ধে যেমনটি জানতেন, তেমনটি আর কেউ জানতো না, এমন কি বালজাকও না। কে যেন বলেছেন: ‘বই লেখার বাসনাটা অনেকের মধ্যেই আছে, কিন্তু বই লেখার পর সেজন্যে তাঁরা বড়ো একটা লজ্জিত হন না।’

বালজাকও লজ্জিত হন নি, ডিকেন্সও লজ্জিত হন নি, যদিও তাঁরা দুজনেই অনেক বাজে বই লিখেছেন। তথাপি, বালজাক একজন প্রতিভা, অন্তত পক্ষে সেই বস্তু, যাকে প্রতিভা বলতে পারো।…”

[কে যেন লিও টিথমিরড়ের লেখা ‘আমি বিপ্লবী হওয়া ছাড়িলাম কেন’ বইখানা এনেছিল। লিও নিকোলাইয়েভিচ বইখানা টেবিলের ওপর থেকে নিয়ে শূন্যে তুলে একবার ঘুরালেন, বললেন: “রাজনীতিক হত্যা সম্বন্ধে তিনি এতে যা বলেছেন, তা ভালোই; কিন্তু সে রীতির মধ্যে কোনো সুস্পষ্ট একটা ভাব নেই। একজন উন্মত্ত হত্যাকারী বলছে যে, সে ভাবটি একমাত্র হ’তে পারে ব্যষ্টির অরাজক সার্বভৌমতা এবং সমষ্টির প্রতি ও মানব-সমাজের প্রতি ঘৃণা। তা সত্য, কিন্তু ‘অরাজক সার্বভৌমতাট’ লেখার ভুল মাত্র, এটা হওয়া উচিত ‘সরাজক সার্বভৌমতা।’ এই ভাবটি ভালো এবং সত্য, দুই। সন্ত্রাসবাদীরা এই ভাবটাকে ডিঙিয়ে পার হয়ে যাবে-মানে, আমি বলছি, সত্যকারের যারা সন্ত্রাসবাদী। কিন্তু যে সব লোক স্বভাববশে হত্যা করতে ভালবাসে, তারা ওটাকে ডিঙোবে না। তারা হোলো নিছক খুনী। কেবল মাত্র দৈবক্রমে সন্ত্রাসবাদী হয়ে পড়েছে।”]