০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
তারেক রহমানই ‘আমাদের নজরুল’: সংসদীয় চিফ হুইপ মনি মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পররাষ্ট্রনীতিতে সাফল্যের সংকটে ট্রাম্প বাঁধাকপি সতেজ রাখতে ফরমালডিহাইড ব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তে চীন দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সেই ফুটবল বিক্রি হলো ২৫ লাখ পাউন্ডে পাকিস্তানে নারী নেতৃত্বের সংকট, ক্ষমতায় অর্ধেক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব কোথায়? আফ্রিকায় ড্রোন প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত, এবার নজর নিয়ম-কাঠামো ও বাণিজ্যিক ব্যবহারে ওয়াশিংটন ও বিস্তৃত যুদ্ধের মাঝে পাকিস্তান চরমপন্থার ক্ষত থেকে সম্প্রীতির শিক্ষা: ট্রাম্পের আমলে ওকলাহোমার ভিন্ন রাজনৈতিক পথ রিকনসিলিয়েশানের আগে সহযোগিতা:  প্রতিরোধের সামনে বাস্তবসম্মত পথ সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 141

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানই ‘আমাদের নজরুল’: সংসদীয় চিফ হুইপ মনি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)