১২:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 98

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৯)

১০:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

সামবেদের অন্তর্গত গোপথ ব্রাহ্মণে অক্ষর ও বর্ণের লক্ষণ লেখা আছে। তাণ্ড্য ব্রাহ্মণেও অক্ষর ও বর্ণের আভাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন উপনিষদে বর্ণ, স্বর, মাত্রা প্রভৃতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

মনুসংহিতার অষ্টম অধ্যায়ের ১৪৮ শ্লোকে “লেখিত” শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে-

বলাদ্দক্তং বলাভুক্তং বলাদ যজ্ঞাপি লেখিতম্। সর্ব্বান্ বলঙ্কতানর্থাকৃতান্ মনুবব্রবীৎ।

অর্থাৎ “বলপূর্বক যাহা কিছু দত্ত হয়। বলপূর্বক যাহা কিছু ভুক্ত হয়। বল পূর্বক যাহা লেখিত হয় সকলই অসিদ্ধ, ইহা মনু বলিয়াছেন।” রামায়ণের সময়েও লিপির প্রচলন ছিল। কারণ সীতার বিশ্বাস জন্মাবার জন্য হনুমান রাম নামাঙ্কিত স্বর্ণাঙ্গুরীয় সীতাকে দেখিয়েছিলেন। মহাভারতের শান্তিপর্বে ব্রাহ্মীলিপির কথা উল্লেখ আছে।

পদ্মপুরাণের পাতাল খণ্ডের কোন একজায়গায় বলা হয়েছে:

“শ্রীতালপত্রলিখিতং দেবলিপ্যন্বিতং শুভম্” অর্থাৎ তালপত্রে দেবাক্ষর লিখিত সুন্দর পুস্তকের পূজা করিবেন। অবশ্য এই দেবলিপির আকৃতি কেমন হ’বে সে কথাও এখানে বেশ ভালভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিখ্যাত ব্যাকরণবিদ পাণিনির গ্রন্থে তাঁর পূর্বে যাস্ক, পারস্কর, শাকটায়ন, ব্যাস ও তাঁহার শিল্প প্রশিষ্যেরা যো গ্রন্থ রচনা করেছেন সে কথা উল্লেখ আছে। পাণিনির ব্যাকরণে ‘গ্রন্থ’ শব্দটি বহুবার দেখা যায়। যেমন তিনি কোথাও লিখেছেন “কৃতে গ্রন্থে”, ‘গ্রন্থাতাধিকে’, “অধিকৃত্যা রুতে গ্রন্থে’, ‘সমুদ্রাঙভো জনোহগ্রন্থে’ প্রভৃতি শব্দ।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-২৮)