০৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
আফগান নারীরা বেঁচে আছেন, কিন্তু জীবনযাপন করছেন না অ্যাকুস্টিক পরিবেশনায় ইরাস ট্যুরের স্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন টেইলর সুইফট বিহারে বিসিএস পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ভাঙল ব্যারিকেড শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের সম্ভাবনা, সাত বছর পর নয়াদিল্লিতে চীনা প্রেসিডেন্ট দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পে বড় পদক্ষেপ, ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ভারতীয় কোম্পানির হাতে দিচ্ছে সরকার ইমরান খানের হাসপাতাল স্থানান্তর নিয়ে অবমাননা মামলায় আপত্তি, ফের আবেদন পিটিআইয়ের দক্ষিণ চীনে ভয়াবহ বন্যা, ঘরবাড়ি ডুবে সরিয়ে নেওয়া হলো ৫৪ হাজার মানুষ সাভিনিওকে ৭৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভেড়াল টটেনহ্যাম আফ্রিকার স্বাস্থ্য সম্মেলন: প্রতিশ্রুতি নয়, এবার চাই বাস্তব পদক্ষেপ অস্কারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে লি চ্যাং-দংয়ের ‘পসিবল লাভ’

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 146

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় দলের পণ্ডিতবর্গের ধারণা ভারতবর্ষে সংখ্যা লিখন পদ্ধতি বৈদিক যুগ বা তৎপূর্ববর্তী যুগেও ছিল। এরা কিন্তু বৈদিক গ্রন্থমালা থেকেই এঁদের যুক্তিতর্ক খাড়া করে থাকেন। বাশিষ্ট ধর্মসূত্রের কোন এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে যে লিখিত দলিলই হচ্ছে আইনতঃ সাক্ষ্য বহন করে। সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ঋগ্বেদে ছিল তার প্রমাণ দশম মণ্ডলের ৬২ তম সুক্তের ৭ম ঋকের কথা বলা যায়।

এখানে বলা হয়েছে-‘সহস্রং মে দদতো অষ্টকর্ণাঃ’ অর্থ হচ্ছে আমাকে সহস্র সংখ্যক গাভী দাও যাদের কান ৮ম সংখ্যার মত দেখতে। এছাড়াও ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের ৩৪-তম সুক্তের দ্বিতীয় ঋকের কথা দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে।

এখানে বলা হয়েছে-

‘নমা মিমেথ ন জিহীল এয়া শিবা সখিভ্য উত মহমাসীৎ। অক্ষসাহ মেকপরস্ত হো তোরনুব্রতামপ জায়ামরোধম্।

অর্থাং-আমার এ রূপবতী পত্নী কখনও আমার প্রতি বিরাগ প্রদর্শন করেনি,

কখন আমার নিকট লজ্জিত হয় নি। সে পত্নী আমার নিজের ও আমার বন্ধুৰৰ্গের বিশেষ সেবাশুশ্রষা করতো। কিন্তু কেবলমাত্র পাশার অনুরোধে আমি সে পরম অনুরাগিণী ভার্যাকে ত্যাগ করলাম।

অথর্ববেদেও সংখ্যা লিখন পদ্ধতির কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ৭ম কাণ্ডের ৪র্থ অনুবাকেরও শ্লোকে বলা হয়েছে-

‘অজৈযং স্বা সংলিখিতমজৈষমুত সংরূধম্।

অবিং বুকো যথা মথদেবা মথামি তে কৃতম্। ৭৪/৩/৫,

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগান নারীরা বেঁচে আছেন, কিন্তু জীবনযাপন করছেন না

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩১)

১০:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় দলের পণ্ডিতবর্গের ধারণা ভারতবর্ষে সংখ্যা লিখন পদ্ধতি বৈদিক যুগ বা তৎপূর্ববর্তী যুগেও ছিল। এরা কিন্তু বৈদিক গ্রন্থমালা থেকেই এঁদের যুক্তিতর্ক খাড়া করে থাকেন। বাশিষ্ট ধর্মসূত্রের কোন এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে যে লিখিত দলিলই হচ্ছে আইনতঃ সাক্ষ্য বহন করে। সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ঋগ্বেদে ছিল তার প্রমাণ দশম মণ্ডলের ৬২ তম সুক্তের ৭ম ঋকের কথা বলা যায়।

এখানে বলা হয়েছে-‘সহস্রং মে দদতো অষ্টকর্ণাঃ’ অর্থ হচ্ছে আমাকে সহস্র সংখ্যক গাভী দাও যাদের কান ৮ম সংখ্যার মত দেখতে। এছাড়াও ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের ৩৪-তম সুক্তের দ্বিতীয় ঋকের কথা দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে।

এখানে বলা হয়েছে-

‘নমা মিমেথ ন জিহীল এয়া শিবা সখিভ্য উত মহমাসীৎ। অক্ষসাহ মেকপরস্ত হো তোরনুব্রতামপ জায়ামরোধম্।

অর্থাং-আমার এ রূপবতী পত্নী কখনও আমার প্রতি বিরাগ প্রদর্শন করেনি,

কখন আমার নিকট লজ্জিত হয় নি। সে পত্নী আমার নিজের ও আমার বন্ধুৰৰ্গের বিশেষ সেবাশুশ্রষা করতো। কিন্তু কেবলমাত্র পাশার অনুরোধে আমি সে পরম অনুরাগিণী ভার্যাকে ত্যাগ করলাম।

অথর্ববেদেও সংখ্যা লিখন পদ্ধতির কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ৭ম কাণ্ডের ৪র্থ অনুবাকেরও শ্লোকে বলা হয়েছে-

‘অজৈযং স্বা সংলিখিতমজৈষমুত সংরূধম্।

অবিং বুকো যথা মথদেবা মথামি তে কৃতম্। ৭৪/৩/৫,

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)