১২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে চীনা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ তালিকায় জাপানি কোম্পানি, টোকিয়োর উপর চাপ বাড়ল আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩১)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 100

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় দলের পণ্ডিতবর্গের ধারণা ভারতবর্ষে সংখ্যা লিখন পদ্ধতি বৈদিক যুগ বা তৎপূর্ববর্তী যুগেও ছিল। এরা কিন্তু বৈদিক গ্রন্থমালা থেকেই এঁদের যুক্তিতর্ক খাড়া করে থাকেন। বাশিষ্ট ধর্মসূত্রের কোন এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে যে লিখিত দলিলই হচ্ছে আইনতঃ সাক্ষ্য বহন করে। সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ঋগ্বেদে ছিল তার প্রমাণ দশম মণ্ডলের ৬২ তম সুক্তের ৭ম ঋকের কথা বলা যায়।

এখানে বলা হয়েছে-‘সহস্রং মে দদতো অষ্টকর্ণাঃ’ অর্থ হচ্ছে আমাকে সহস্র সংখ্যক গাভী দাও যাদের কান ৮ম সংখ্যার মত দেখতে। এছাড়াও ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের ৩৪-তম সুক্তের দ্বিতীয় ঋকের কথা দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে।

এখানে বলা হয়েছে-

‘নমা মিমেথ ন জিহীল এয়া শিবা সখিভ্য উত মহমাসীৎ। অক্ষসাহ মেকপরস্ত হো তোরনুব্রতামপ জায়ামরোধম্।

অর্থাং-আমার এ রূপবতী পত্নী কখনও আমার প্রতি বিরাগ প্রদর্শন করেনি,

কখন আমার নিকট লজ্জিত হয় নি। সে পত্নী আমার নিজের ও আমার বন্ধুৰৰ্গের বিশেষ সেবাশুশ্রষা করতো। কিন্তু কেবলমাত্র পাশার অনুরোধে আমি সে পরম অনুরাগিণী ভার্যাকে ত্যাগ করলাম।

অথর্ববেদেও সংখ্যা লিখন পদ্ধতির কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ৭ম কাণ্ডের ৪র্থ অনুবাকেরও শ্লোকে বলা হয়েছে-

‘অজৈযং স্বা সংলিখিতমজৈষমুত সংরূধম্।

অবিং বুকো যথা মথদেবা মথামি তে কৃতম্। ৭৪/৩/৫,

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনা পর্যটকদের জাপান সফর লুনার নিউ ইয়োরে ৫০% কমে গেছে, থাইল্যান্ড লাভে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩১)

১০:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

দ্বিতীয় দলের পণ্ডিতবর্গের ধারণা ভারতবর্ষে সংখ্যা লিখন পদ্ধতি বৈদিক যুগ বা তৎপূর্ববর্তী যুগেও ছিল। এরা কিন্তু বৈদিক গ্রন্থমালা থেকেই এঁদের যুক্তিতর্ক খাড়া করে থাকেন। বাশিষ্ট ধর্মসূত্রের কোন এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়েছে যে লিখিত দলিলই হচ্ছে আইনতঃ সাক্ষ্য বহন করে। সংখ্যা লিখন পদ্ধতি ঋগ্বেদে ছিল তার প্রমাণ দশম মণ্ডলের ৬২ তম সুক্তের ৭ম ঋকের কথা বলা যায়।

এখানে বলা হয়েছে-‘সহস্রং মে দদতো অষ্টকর্ণাঃ’ অর্থ হচ্ছে আমাকে সহস্র সংখ্যক গাভী দাও যাদের কান ৮ম সংখ্যার মত দেখতে। এছাড়াও ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের ৩৪-তম সুক্তের দ্বিতীয় ঋকের কথা দৃষ্টান্তস্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে।

এখানে বলা হয়েছে-

‘নমা মিমেথ ন জিহীল এয়া শিবা সখিভ্য উত মহমাসীৎ। অক্ষসাহ মেকপরস্ত হো তোরনুব্রতামপ জায়ামরোধম্।

অর্থাং-আমার এ রূপবতী পত্নী কখনও আমার প্রতি বিরাগ প্রদর্শন করেনি,

কখন আমার নিকট লজ্জিত হয় নি। সে পত্নী আমার নিজের ও আমার বন্ধুৰৰ্গের বিশেষ সেবাশুশ্রষা করতো। কিন্তু কেবলমাত্র পাশার অনুরোধে আমি সে পরম অনুরাগিণী ভার্যাকে ত্যাগ করলাম।

অথর্ববেদেও সংখ্যা লিখন পদ্ধতির কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ৭ম কাণ্ডের ৪র্থ অনুবাকেরও শ্লোকে বলা হয়েছে-

‘অজৈযং স্বা সংলিখিতমজৈষমুত সংরূধম্।

অবিং বুকো যথা মথদেবা মথামি তে কৃতম্। ৭৪/৩/৫,

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা ( পর্ব-৩০)