০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
রোমান স্বর্ণ থেকে আজকের ডলার: ইতিহাসের শিক্ষাই কি ভবিষ্যতের বার্তা? ড্রোন স্বর্ম: যুদ্ধের নতুন যুগের সূচনা নাসার চন্দ্রভিত্তিক পরিকল্পনা: চীনের চেয়ে এগিয়ে মানব ইতিহাসে নতুন অধ্যায় চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যে ঝাঁঝালো অগ্রগতি বিশ্বকে চমক দিচ্ছে      পশ্চিমা বিশ্বে দেশ ত্যাগের হার বেড়ে গিয়েছে রেকর্ডভাবে ইউরোপ-আমেরিকা অর্থনীতি সংকটে: চরম সতর্কবার্তা দিলেন ক্রিস্টিন লাগার্দে শেল অয়েলের উল্লাসে আমেরিকার তেল শীর্ষস্থানীয়রা: যুদ্ধের মধ্যেও লাভের হাসি নওগাঁর মোটরসাইকেল বাজারে জ্বালানি সংকটের ধস, বিক্রি অচল মার্চে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা: হত্যা ৪৭, ধর্ষণ ৫৭–উদ্বেগজনক চিত্র চীনা-পাকিস্তানি পাঁচদফা পরিকল্পনা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অবসান ও শান্তি আলোচনার আহ্বান

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২৬)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 94

ম্যাকসিম গোর্কী

ছত্রিশ

“মানুষ যখন মাতাল হয়, তখন আমি তাদের পছন্দ করি না। কিন্তু আমি এমন কাউকে কাউকে চিনি, মাতাল অবস্থায় যাদের দেখতে ভারি মজা লাগে। কারণ, তখন তারা এমন সব জিনিষ আয়ত্ব ক’রে বসে, যা তাদের প্রকৃতিস্থ অবস্থায় তাদের পক্ষে সম্ভব বা স্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে মদকে আমি ধন্যবাদ দিতে সর্বদাই প্রস্তুত।”

সুলারের কাছে শুনেছি, সুলার এবং টলস্টয় একদিন তেরস্কায়া স্ট্রীটে বেড়াচ্ছিলেন। এমন সময় দূরে টলস্টয়ের চোখে পড়ল দু’জন সেপাই। তাদের পোশাকের ধাতব বস্তুগুলি সূর্যালোকে দীপ্তি পাচ্ছিল, এবং জুতোর তলার গুলগুলি করছিল ঝনঝন শব্দ। তারা এমন ভাবে পা ফেলছিল যেন একটি মাত্র মানুষ হাঁটছে; তাদের মুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের শক্তি এবং যৌবনের দীপ্তি।

তাদের দেখে টলস্টয় অনুযোগ ক’রে উঠলেন:

এরা যেন চাবুকের ঘায়ে তালিম করা “একী মুঢ়তার সমারোহ। সব জানোয়ার।….”

কিন্তু পরক্ষণে সেপাইরা যখন তাঁর মুখোমুখি এসে পৌঁছল, তখন তিনি থেমে দাঁড়ালেন। সস্নেহে তাঁর দৃষ্টি তাদের অনুসরণ করতে লাগল। তিনি সোৎসাহে ব’লে উঠলেন, “কী সুন্দর! প্রাচীন যুগের রোমানদের মতো! তাই না, লিওভুশকা? শক্তি আর সৌন্দর্য! ও হরি! মানুষ যখন দেখতে সুন্দর হয়, তখন তাকে দেখতে কী সুন্দরই না লাগে, কী সুন্দর!”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রোমান স্বর্ণ থেকে আজকের ডলার: ইতিহাসের শিক্ষাই কি ভবিষ্যতের বার্তা?

টলস্টয়ের স্মৃতি (পর্ব- ২৬)

০৩:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪

ম্যাকসিম গোর্কী

ছত্রিশ

“মানুষ যখন মাতাল হয়, তখন আমি তাদের পছন্দ করি না। কিন্তু আমি এমন কাউকে কাউকে চিনি, মাতাল অবস্থায় যাদের দেখতে ভারি মজা লাগে। কারণ, তখন তারা এমন সব জিনিষ আয়ত্ব ক’রে বসে, যা তাদের প্রকৃতিস্থ অবস্থায় তাদের পক্ষে সম্ভব বা স্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে মদকে আমি ধন্যবাদ দিতে সর্বদাই প্রস্তুত।”

সুলারের কাছে শুনেছি, সুলার এবং টলস্টয় একদিন তেরস্কায়া স্ট্রীটে বেড়াচ্ছিলেন। এমন সময় দূরে টলস্টয়ের চোখে পড়ল দু’জন সেপাই। তাদের পোশাকের ধাতব বস্তুগুলি সূর্যালোকে দীপ্তি পাচ্ছিল, এবং জুতোর তলার গুলগুলি করছিল ঝনঝন শব্দ। তারা এমন ভাবে পা ফেলছিল যেন একটি মাত্র মানুষ হাঁটছে; তাদের মুখে ছিল আত্মবিশ্বাসের শক্তি এবং যৌবনের দীপ্তি।

তাদের দেখে টলস্টয় অনুযোগ ক’রে উঠলেন:

এরা যেন চাবুকের ঘায়ে তালিম করা “একী মুঢ়তার সমারোহ। সব জানোয়ার।….”

কিন্তু পরক্ষণে সেপাইরা যখন তাঁর মুখোমুখি এসে পৌঁছল, তখন তিনি থেমে দাঁড়ালেন। সস্নেহে তাঁর দৃষ্টি তাদের অনুসরণ করতে লাগল। তিনি সোৎসাহে ব’লে উঠলেন, “কী সুন্দর! প্রাচীন যুগের রোমানদের মতো! তাই না, লিওভুশকা? শক্তি আর সৌন্দর্য! ও হরি! মানুষ যখন দেখতে সুন্দর হয়, তখন তাকে দেখতে কী সুন্দরই না লাগে, কী সুন্দর!”