০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬
সিইএস ২০২৬: ‘এআই’ দিয়ে নতুন গ্যাজেট চক্রের ইঙ্গিত বিশ্বাসঘাতকতার অন্ধকার অধ্যায়: সিআইএর ইতিহাসে সবচেয়ে ক্ষতিকর গুপ্তচর অ্যালড্রিচ এমসের মৃত্যু এনভিডিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গিগা ফ্যাক্টরি, দুই হাজার ছাব্বিশ পর্যন্ত চাহিদা বাড়বে বলে জানাল লেনোভো অজুহাত মানে না কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রশিক্ষক, ফিটনেস রেজল্যুশন টিকিয়ে রাখার নতুন যুদ্ধ ইয়িদান পুরস্কারপ্রাপ্তদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে বদলাচ্ছে আধুনিক শিক্ষা ও দক্ষতার ধারণা এক হাতে শক্তি আর বিস্ফোরণ ক্ষমতার চর্চা, সিঙ্গেল আর্ম হ্যাং ক্লিনে বদলান শরীরের ছন্দ ইউরোপজুড়ে তুষার ও বরফের তাণ্ডব, বাতিল শত শত ফ্লাইট, সড়কে প্রাণহানি কুয়াশা কী, কেন হয়? কুয়াশা পড়লে ঠান্ডা বাড়ে নাকি কমে? থাইল্যান্ডের বিমানবন্দর সংযোগ দ্রুতগতি রেল প্রকল্প অনিশ্চয়তায়, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে আটকে সাত বিলিয়ন ডলারের উদ্যোগ এক মিনিটেই বদলে যেতে পারে জীবন

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১৬)

  • Sarakhon Report
  • ০২:০০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪
  • 143

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

 

উদারতাই একজনকে নেতা তৈরি করে

 

 

স্মার্ট লিডারকে উদারতার সব ধরনের গুন চরিত্রের মধ্যে অর্জন করতে হবে।  যদি নিজ চরিত্রে যদি উদারতা  না থাকে তাহলে কখনোই আইন বা কোম্পানির বিধিমালা দিয়ে তা বাস্তবায়ন করা যায় না।

এজন্য স্মার্ট লিডারকে প্রথমেই উদার হতে হয় তার পরিবারে। পরিবারের সকলের মতামত শোনার, সকলের ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দেবার, এমনকি পরিবারের সব সদস্যই যে সমান গুরুত্বের- সেটাকে মানসিকভাবে গ্রহন করার গুন অর্জন করতে হয়। মনে রাখতে হয়, পরিবারই মানুষের জীবনে প্রথম প্রতিষ্ঠান। যে মানুষ তার নিজের পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটি গড়তে ব্যর্থ হন,  তিনি পরিবারের বাইরে এসে সমাজে, ব্যবসায়ে বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠানে প্রকৃত সফল হবেন এ আশা করা ভুল।

 

পরিবার থেকে এই উদারতার শিক্ষা নিজ জীবনে নিলে, তিনি তার টিমকে বা দলকেও উদারতার সঙ্গে চালাতে পারবেন।

 

অনেকে নেতা মনে করেন, দল বা টিম কঠোরতা দিয়েই চালানো উচিত। কঠোরতা দিয়ে বাস্তবে বুদ্ধিহীন বা বুদ্ধির বিকাশ বন্ধ করে দিয়ে একটি গোষ্টি বা দলকে পরিচালনা করা যায়। এটা কতকটা লাঠি হাতের মেষ বালকের মত ভেড়ার পাল চালানো।

আধুনিক নেতাকে অবশ্যই পুরাকালে লাঠি হাতের মেষবালক বা রাখালের বাইরেও  কিছু কিছু স্মার্ট মেষ বালক বা রাখালের কাছ থেকে সফট পাওয়ার শিখতে হবে। দেখা যায়, ওই সব মেষ বালক বা রাখাল কিন্তু লাঠি ব্যবহার করতো না। তারা বিভিন্ন ধরনের গান, গলার সুর ও খেলা শেখানোর ভেতর দিয়ে মেঘ বা গরুগুলোকে এতই সচেতন শুধু নয়- দক্ষ করে তুলতো যার ফলে তারা শুধু ভয়ংকর পশু এলে কী করতে হবে তা নয়, তারা প্রতিটি মুহূর্তে তাদের কী করতে হবে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারতো।

 

বা্স্তবে তাই সফট পাওয়ার বা উদারতার বয়স অনেক দীর্ঘ। মানুষের সভ্যতার প্রায় সম বয়সী। এ কারণে যখন কোন নেতা উদার হন না তিনি কিন্তু নিজেই আদিম যুগে থাকেন। তখণ তার নেতৃত্বে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সমাজ বা রাষ্ট্র অবধি কখনই সামনের দিকে যেতে পারে না।

এজন্য এটাই স্মার্ট নেতার ক্ষেত্রে সত্য হিসেবে নিতে হবে, উদারতা, উদারতা এবং উদারতা। তবে মনে রাখতে হবে,  উদারতা মানে ভীরুতা নয়, অজ্ঞতা নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিইএস ২০২৬: ‘এআই’ দিয়ে নতুন গ্যাজেট চক্রের ইঙ্গিত

স্মার্ট নেতা হবেন কীভাবে? (পর্ব ১৬)

০২:০০:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

পৃথিবীতে মানুষকে সফল হতে হলে সব ক্ষেত্রে নেতৃত্বের গুনাবলী অর্জন করতে হয়। নেতা মানে কখনও এই নয় যে সে অন্যকে নেতৃত্ব দিবে। নিজের প্রতিটি কাজের নেতাও নিজেকে হতে হয়। এ কারণে জীবনে সব থেকে বেশি প্রয়োজন নেতৃত্বের গুনগুলো নিজের জীবনা চারণের মধ্যে নিয়ে আসা। মানুষ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সফল মানুষের জীবন বিশ্লেষণ করে নেতৃত্বের নানান গুন বা আচরণ নির্ধারণ করেছে।

সারাক্ষণে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে তেমনি কিছু স্মার্ট নেতা হবার গুনাবলী ।

 

 

উদারতাই একজনকে নেতা তৈরি করে

 

 

স্মার্ট লিডারকে উদারতার সব ধরনের গুন চরিত্রের মধ্যে অর্জন করতে হবে।  যদি নিজ চরিত্রে যদি উদারতা  না থাকে তাহলে কখনোই আইন বা কোম্পানির বিধিমালা দিয়ে তা বাস্তবায়ন করা যায় না।

এজন্য স্মার্ট লিডারকে প্রথমেই উদার হতে হয় তার পরিবারে। পরিবারের সকলের মতামত শোনার, সকলের ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দেবার, এমনকি পরিবারের সব সদস্যই যে সমান গুরুত্বের- সেটাকে মানসিকভাবে গ্রহন করার গুন অর্জন করতে হয়। মনে রাখতে হয়, পরিবারই মানুষের জীবনে প্রথম প্রতিষ্ঠান। যে মানুষ তার নিজের পরিবার নামক প্রতিষ্ঠানটি গড়তে ব্যর্থ হন,  তিনি পরিবারের বাইরে এসে সমাজে, ব্যবসায়ে বা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠানে প্রকৃত সফল হবেন এ আশা করা ভুল।

 

পরিবার থেকে এই উদারতার শিক্ষা নিজ জীবনে নিলে, তিনি তার টিমকে বা দলকেও উদারতার সঙ্গে চালাতে পারবেন।

 

অনেকে নেতা মনে করেন, দল বা টিম কঠোরতা দিয়েই চালানো উচিত। কঠোরতা দিয়ে বাস্তবে বুদ্ধিহীন বা বুদ্ধির বিকাশ বন্ধ করে দিয়ে একটি গোষ্টি বা দলকে পরিচালনা করা যায়। এটা কতকটা লাঠি হাতের মেষ বালকের মত ভেড়ার পাল চালানো।

আধুনিক নেতাকে অবশ্যই পুরাকালে লাঠি হাতের মেষবালক বা রাখালের বাইরেও  কিছু কিছু স্মার্ট মেষ বালক বা রাখালের কাছ থেকে সফট পাওয়ার শিখতে হবে। দেখা যায়, ওই সব মেষ বালক বা রাখাল কিন্তু লাঠি ব্যবহার করতো না। তারা বিভিন্ন ধরনের গান, গলার সুর ও খেলা শেখানোর ভেতর দিয়ে মেঘ বা গরুগুলোকে এতই সচেতন শুধু নয়- দক্ষ করে তুলতো যার ফলে তারা শুধু ভয়ংকর পশু এলে কী করতে হবে তা নয়, তারা প্রতিটি মুহূর্তে তাদের কী করতে হবে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারতো।

 

বা্স্তবে তাই সফট পাওয়ার বা উদারতার বয়স অনেক দীর্ঘ। মানুষের সভ্যতার প্রায় সম বয়সী। এ কারণে যখন কোন নেতা উদার হন না তিনি কিন্তু নিজেই আদিম যুগে থাকেন। তখণ তার নেতৃত্বে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সমাজ বা রাষ্ট্র অবধি কখনই সামনের দিকে যেতে পারে না।

এজন্য এটাই স্মার্ট নেতার ক্ষেত্রে সত্য হিসেবে নিতে হবে, উদারতা, উদারতা এবং উদারতা। তবে মনে রাখতে হবে,  উদারতা মানে ভীরুতা নয়, অজ্ঞতা নয়।