০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট বৃষ্টি-ঝড়ের আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস গাজীপুরে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার, বড় ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্যামেরায় বন্দি করা রঘু রাই আর নেই: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে কিংবদন্তির বিদায় সহজ ভ্যাট–শুল্কই ন্যায্য বাজারের চাবিকাঠি মাইকেল জ্যাকসনকে ভালোবাসা কি এখনও সম্ভব? দুর্নীতি-সহিংসতায় বিজেপি ও তৃণমূল একই মুদ্রার দুই পিঠ: রাহুল গান্ধীর তীব্র আক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ জীবন, তবু স্বাভাবিক থাকার বার্তা ট্রাম্পের ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা, সন্দেহভাজন আটক পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 116

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে “অঙ্ক” সংজ্ঞা ৯ খ্যাপন করে। সেইজন্য প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদেরা বলেন-নবৈব যোগো গণনেতি শশ্বৎ-অর্থাৎ গণনাযোগ সর্বদাই নব মাত্র। বিখ্যাত টীকাকার নীলকণ্ঠ সুরী উক্ত শ্লোকের টাকাতে বলেছেন “নবৈবাঙ্কা: ক্রমভেদেন স্বিত্বা যথেষ্টং সংখ্যাবাচিনো ভবস্তি”। সুতরাং প্রাচীন ভারতীয় গণিত- বিদেরা শূন্য চিহ্নকে ঐ সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করেন নাই। কিন্তু প্রাচীন ভারতীয়দের শ্রেষ্ঠ সংখ্যা প্রণালীতে শূন্যকে ধরে মোট দশটি অঙ্ক আছে। সেইহেতু পাশ্চাত্য পণ্ডিতবর্গ এই প্রণালীকে দশাঙ্ক সংখ্যা প্রণালী বলেছেন।

মহাভারতের যুগে ভারতীয় গণিতবিদেরা সংখ্যা খ্যাপনার্থে অঙ্ক ব্যবহার করতেন সে নিদর্শন মহাভারতের বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ বনপর্বের কথাই ধরা যাক। দুর্যোধন, শকুনি প্রভৃতি পাণ্ডবদের বনবাস কি রকম চলছে তা দেখার জন্য চাতুরী করে ধৃতরাষ্ট্রকে বললেন-“স্মারণে সময়ঃ প্রাপ্তো বৎসানামপি চাঙ্কনম্”। অর্থাৎ স্মারণের এবং (নূতন) বৎসকূলকে অঙ্কনের সময় হয়েছে।

এখানে স্মারণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে সংখ্যা পরিগণনা। নীলকণ্ঠ সুরী স্মারণ শব্দটির সংস্কৃত টীকা করতে গিয়ে বলেছেন-“স্মারণে স্মারণহেতৌ কৰ্ম্মণি গবাং সংখ্যা পূর্ব্বকং বয়োবর্ণজাতিনায়া লেখনে।” অঙ্কন শব্দটির অর্থ এখানে সংখ্যা স্থাপন বোঝান হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৬)

সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)

১০:০০:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে “অঙ্ক” সংজ্ঞা ৯ খ্যাপন করে। সেইজন্য প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদেরা বলেন-নবৈব যোগো গণনেতি শশ্বৎ-অর্থাৎ গণনাযোগ সর্বদাই নব মাত্র। বিখ্যাত টীকাকার নীলকণ্ঠ সুরী উক্ত শ্লোকের টাকাতে বলেছেন “নবৈবাঙ্কা: ক্রমভেদেন স্বিত্বা যথেষ্টং সংখ্যাবাচিনো ভবস্তি”। সুতরাং প্রাচীন ভারতীয় গণিত- বিদেরা শূন্য চিহ্নকে ঐ সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করেন নাই। কিন্তু প্রাচীন ভারতীয়দের শ্রেষ্ঠ সংখ্যা প্রণালীতে শূন্যকে ধরে মোট দশটি অঙ্ক আছে। সেইহেতু পাশ্চাত্য পণ্ডিতবর্গ এই প্রণালীকে দশাঙ্ক সংখ্যা প্রণালী বলেছেন।

মহাভারতের যুগে ভারতীয় গণিতবিদেরা সংখ্যা খ্যাপনার্থে অঙ্ক ব্যবহার করতেন সে নিদর্শন মহাভারতের বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ বনপর্বের কথাই ধরা যাক। দুর্যোধন, শকুনি প্রভৃতি পাণ্ডবদের বনবাস কি রকম চলছে তা দেখার জন্য চাতুরী করে ধৃতরাষ্ট্রকে বললেন-“স্মারণে সময়ঃ প্রাপ্তো বৎসানামপি চাঙ্কনম্”। অর্থাৎ স্মারণের এবং (নূতন) বৎসকূলকে অঙ্কনের সময় হয়েছে।

এখানে স্মারণ শব্দটির অর্থ হচ্ছে সংখ্যা পরিগণনা। নীলকণ্ঠ সুরী স্মারণ শব্দটির সংস্কৃত টীকা করতে গিয়ে বলেছেন-“স্মারণে স্মারণহেতৌ কৰ্ম্মণি গবাং সংখ্যা পূর্ব্বকং বয়োবর্ণজাতিনায়া লেখনে।” অঙ্কন শব্দটির অর্থ এখানে সংখ্যা স্থাপন বোঝান হয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৬)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৬)